জৈন্তাপুর বসন্ত বরণ উৎস,বর্ণিল আয়োজনে।

FB_IMG_1550310626385.jpg

এম,এম,রুহেল জৈন্তাপুর।
ফাল্গুনের হাত ধরেই প্রকৃতিতে ঋতুরাজ বসন্তের আগমন ঘটে। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতির বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়েছে।বসন্তের আগমনে প্রকৃতির সঙ্গে তরুণ হৃদয়েও লেগেছে দোলা। সকল কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে, বিভেদ ভুলে, নতুনের প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে বসন্ত উপস্থিত হয়েছে।আর তাই তো বসন্তের আনুষ্ঠানিক বার্তা জানান দিতে কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় লিখেছেন- ‘ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক আজ বসন্ত’। বসন্তের আগমনকে ঘিরে জৈন্তাপুর শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের ঐকতান জানান দেয় বসন্ত এসে গেছে। আর তাই বাসন্তী রং শাড়ি পড়ে, হাতে কাঁচের চুড়ি,পায়ে নুপুর, খোঁপায় গাঁদা ফুল আর ছেলেরা হলুদ রং টি শার্ট পড়ে ভালোবাসার বসন্ত বন্দনায় মুখরিত করে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ।

শীতের জীর্ণতা মুছে দিয়ে গাইছিল নব আনন্দের গান। উপজেলা পরিষদের বট তলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, আবৃত্তি ও নৃত্যের তালে তালে তারা বরণ করে নিয়েছে ঋতুরাজকে।কিন্তু গাছে গাছে ফুলের মৌ মৌ গন্ধ আর প্রজাপতির উড়াউড়ি সাইর্ট্রাস গবেষণা কেন্দ্রে এখন বসন্তের আগমনী বার্তা বইছে।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা দল বেঁধে আড্ডায় ব্যস্ত ছিলো। সাইর্ট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ছিল তাদের দখলে। বসন্ত অনেক ফুলের বাহারে সজ্জিত হলেও গাঁদা ফুলের রঙকেই পোশাকে ধারণ করে তরুণ-তরুণীরা। খোঁপায় শোভা পায় গাঁদা ফুলের মালা।

এক শিশু শিক্ষার্থী বলেন, ‘সকাল থেকেই শাড়ি পড়ে এসেছি। আজ খুবই ভালো লাগছে। বন্ধুদের সাথে ছবি তুলেছি, ঘুরছি। বসন্ত আমার কাছে ঈদ উৎসব।’

বসন্তের শুভেচ্ছা জানিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম বলেন, ‘বসন্তের এ দিনে আমাদের শিক্ষার্থীরা অন্যায়-অবিচার-দুর্নীতি ও সন্ত্রাসকে প্রতিহত করে সকল কুসংস্কার ও অন্ধকার শক্তিকে নিধন করে আলোর প্রজ্জ্বলন ঘটিয়ে দেশ তথা বিশ্বকে আলোকিত করবে এটিই হোক বসন্তের শপথ।’

Top