মায়ের মতো নেইতো কেউ এই ভুবনে–মো:ফিরোজ খান

20190215_231734.jpg

————————–
পৃথিবীর বুকে পেয়েছি ঠাই মাকো তোমার জন্য, তাইতো পৃথিবীর সাথেই তুমি থাকো মিলেমিশে সব সময়।মায়েদের কখনও মৃত্যু হয়না, মা যে সকলের সৃষ্টির শিখর।মাগো আমি ক্ষণে ক্ষণে তোমাকে ভেবে যাই তবুও তো আসবেনা কখনও ফিরে এই ধরণীর বুকে।কেনো মা বুঝতে পারিনা এখনও আমি, তোমরা জন্ম দিয়েছো সন্তানদের আর কতনা কষ্টের মাধ্যমে এই পৃথিবীর আলো দেখিয়েছো সে কথা চিন্তা করলে যেন বুকের মাঝে কেমন সূর বেজে উঠে, এই সূরে আমি যেনো পাগলের মতোই হয়ে থাকি।এতো কষ্ট মাগো তোমাদের সইতে হয়ে থাকে সন্তানদের পৃথিবীর আলো দেখতে ।এই কথা কেনো ভাবেন না আমাদের মতো হাজার হাজার সন্তানেরা। তুমি মা আমায় জন্ম দিয়েছো এ কথার কোনো বিকল্প ভাষা নেই মা। তোমার তুলনায় কেউ আসবেনা আমার ভুবনে।

তুমি ভালো থেকো মা,তোমার ভালো থাকার জন্য যদি আমার জীবনকে বিলিয়ে দিতে হয় তবুও আমি কোনো চিন্তা করবোনা, শুধু বলবো সৃষ্টি কর্তার নিকট যে হে মহান প্রভূ তুমি আমার মাকে বেহেশতের সবচেয়ে মূল্যবান স্থানে রাখিও তাতেই আমি জীবনের মূল্যটুকু খুঁজে পাবো।হয়তোবা এই পৃথিবীতে পাবোনা তবে আমার বিশ্বাস আমি পরজীবনের জন্য আল্লাহর ভালোবাসা পাবো শুধুমাত্র মায়ের জন্য।আমি সকল ভাই বোনদেরকে বলবো যে,সকলেই যেন তাদের মাকে বুকে আগলে রাখেন, তাতে মহান আল্লাহ তাআলা সকলকে যে কোনো বিপদের হাত থেকে আগলে রাখবেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এই সত্যের গাঁথুনিতে কথাগুলো কোরআন শরীফ ও হাদিস শরীফের পাতায় মহান আল্লাহ তাআলা ও নবী রাসুল গণ উল্লেখ করে দিয়েছেন।এই মায়ের প্রতি ভালোবাসার কথা যা কখনও একবিন্দু ও মিথ্যে হবার নয়। মায়েদের জন্য ই গড়ে উঠেছে আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীখানা আমার স্বপ্নমহল যদি থেকে থাকে তাহলে সেই স্বপ্ন মহলের প্রধান হলেন আমার মা। মা কখনও সন্তানের জন্য ক্ষণিকের নয়,মৃত্যুর পরেও মহান আল্লাহ তাআলা মায়ের মাধ্যমে সন্তানের সুপারিশ করাবেন, আজাবের হাত থেকে একমাত্র মা ‌‌’ই পারবেন সন্তানকে বাঁচাতে।আমার স্বপ্নে শুধু মায়ের মুখটি যেনো দেখতে পাই সব সময়।আমি যদি কোনো মনি মুক্তার হার পেয়ে থাকি,তাহলে সে পাওয়া মূল‍্যবান হারের চেয়েও আমার মায়ের আদর ও ভালোবাসা সবচেয়ে দামি।

ভালোবাসার অনন্ত পিয়াসী আমি মায়ের মাধ্যমে পেয়েছি,মায়ের ভালোবাসার মাধ্যমে আমার পিপাসা মিটিয়েছি।শত কষ্টের মাঝে ও মায়ের আদর পেলে মনে হতো মূহুর্ত্তের মধ্যে সব কষ্টটুকু মুছে যেতো।যার মা নেই তার যেন পৃথিবীতে থাকার চেঁয়ে মরে যাওয়া ই শ্রেয়। আমি আমাকে সাজিয়েছি শুধুমাত্র মায়ের মাধ্যমে, মায়ের আর্দশ নিয়ে,মা আমাকে শৈশব থেকে কৈশোর পর্যন্ত বিভিন্ন রংয়ের সাজে সাজিয়েছে আমার জীবনকে রাঙিয়েছেন । মাঝে মধ্যে আমি বিশ্বাস করতে পারিনি যে আমার মা পৃথিবীতে বেচেঁ নেই।মাগো তুমি আছো আমার চিন্তায় চেতনায়।তুমি আমাকে এক‌ এক সময়েএকেক রূপে ধরা দিয়ে থাকো আমি হাটতে চলতে সব সময় তোমার অস্তিত্ব লক্ষ্য করতে পারি,যে কোনো বিপদের সময় মনে হয়,মা তুমি আমার পাশেতে থাকো,তাইতো কোনো সময় কোনো বিপদ আমাকে স্পর্শ করতে পারেনি।এ যে তোমার দোয়া ও ভালোবাসা।মাগো তুমি বেঁচে নেই তবুও তুমি আমাকে আগলে রেখেছো সব বিপদ থেকে। ‘আমি মা,এই একটি ছোট্ট শব্দ” মা,এই শব্দের মতো মধুর শব্দ কোথাও পাইনি এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সব মায়া, মমতা, অকৃত্রিম স্থেহ, আদর, নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সব সুখের কথা। চাওয়া-পাওয়ার এই পৃথিবীতে বাবা-মায়ের ভালোবাসার সঙ্গে কোন কিছুর তুলনা চলে না। মায়ের তুলনা মা তুমি নিজেই। মায়ের মতো এমন মধুর শব্দ অভিধানে দ্বিতীয়টি আর নেই। নদীর তলদেশে তো যাওয়া যায় কিন্তু মায়ের ভালোবাসার গভীরতা পরিমাপ করা যায় না।”মা’ যেন সীমার মাঝে অসীম।

মহান আরশের অধিপতির নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন পৃথিবীর সকল মায়ের কান্নাকে থামিয়ে দেন। হযরত আবু উমামা (রা.) হতে বর্ণিত এক হাদিসে আছে, এক ব্যক্তি রাসূল (সা.)কে বললেন,হে আল্লাহর রাসূল,সন্তানের উপর পিতা-মাতার কী হক আছে? তিনি বললেন তারা তোমার জান্নাত ও জাহান্নাম। (ইবনে মাজাহ) হযরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত। আরেক হাদিসে আছে,এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন,হে আল্লাহর রাসূল (সা.)-আমার সর্বোত্তম ব্যবহারের হকদার কে? হুজুর (সা.) বললেন, তোমার মা। লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলেন, অতঃপর কে? হুজুর (সা.) বললেন তোমার মা। লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলেন, তারপর কে? এবারও জবাব দিলেন, তোমার মা। লোকটি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, অতঃপর কে? এবার নবী করীম (সা.) জবাব দিলেন, তোমার বাবা। (বুখারী ও মুসলিম)।

মহাগ্রন্থ আল কোরআনের সূরা বনী ইসরাঈলের ২৩-২৪নং আয়াতে মা-বাবা সম্পর্কে বলা হয়েছে, তোমার প্রতিপালক এ আদেশ করেছেন যে, তোমরা তাকে ভিন্ন অপর কারও ইবাদত করো না। পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচরণ করো। যদি তাদের একজন অথবা উভয়ই তোমার নিকট উপনীত হয়;তবে তাদের কখনো ‘উহ’ শব্দ পর্যন্ত বলবে না। তাদের ধমক দেবে না বরং তাদের সঙ্গে মার্জিত কথা বলবে। আর তাদের উদ্দেশ্যে অনুগ্রহে বিনয়ের বাহু অবনমিত করবে। আর বল,(তাদের জন্য দোয়া কর) হে আমার প্রতিপালক তাদের উভয়কে অনুগ্রহ কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবে প্রতিপালন করেছে। মা-বাবা যে কত মূল্যবান তা কোরআন এবং হাদীসে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে। মা শব্দটি ছোট হলেও এর বিশালতা আকাশের চেয়েও বড়। মা দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে তিল তিল করে আমাদের বেড়ে উঠতে সাহায্য করেন। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই মায়ের কষ্ট বহুগুণে বেড়ে যায়। রাতের পর রাত জেগে সন্তানের দেখভাল করলেও মায়ের কোনো ক্লান্তি হয় না। সন্তানের সুখের জন্য হাসিমুখে সব কিছু বিলিয়ে দিতেও মা কার্পণ্য করেন না। সন্তানের সঙ্গে মায়ের নাড়ির যে সম্পর্ক রয়েছে তা কখনো ছিন্ন হবার নয়। পৃথিবীর আদিকাল থেকে মা তার ভালোবাসা, স্থেহ, মায়া-মমতা বিলিয়ে দিয়ে সন্তানের জন্য যে অসামান্য,অমূল্য ও অপরিশোধ্য অবদান রেখে যাচ্ছেন,তা সর্বজনস্বীকৃত।এই পৃথিবীর হাজারো অভিধানের মধ্যে সবচেয়ে সুমধুর শব্দ হচ্ছে মা। মা বলতেই চোখের সামনে মায়ের সদা হাস্যময়ী চেহারা ভেসে ওঠে। কি শহরে কি গ্রামে কি বিদেশে সবখানেই মায়ের শাশ্বত রূপ সদাই যেন একই রকম। মাকে ঘিরেই সন্তানের শৈশব-কৈশোর আবর্তিত হয়ে থাকে। মা তারুণ্যের পথপ্রদর্শক ও প্রেরণার উৎস হিসেবে সন্তানের পাশে চাদরের মতো জড়িয়ে থাকেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। মা এই শব্দটি উচ্চারণ করার মধ্যেই অবধারিত সুখের সন্ধান পাওয়া যায়।সে কারণে একটু আঘাত পেলে মনের অজান্তে মুখ থেকে মা শব্দটি উচ্চারিত হয়ে যায়।

শিশুকাল থেকে এ পর্যন্ত মায়ের কাছে শুধু হেরেই গেলাম। কোন দিন জিততে পারিনি। এই মুহূতে মায়ের অসুখের কথা মনে পড়ে গেল। যে কোনো অসুখের চেঁয়ে এই “ব্ল‍্যাট ক‍্যানসার””রোগটি আমার মাকে নিশ্বেষ করে এই দুনিয়ার বুক থেকে কেড়ে নিলো,এ যে কতটা কষ্টের তা আমি কখনোই কাউকে বুঝাতে পারবোনা।আর যদি হয় প্রিয় মা জননীর তাহলে তো সহ্য করা কঠিন। প্রকৃতির কাছে আমরা সবাই অসহায়।যদিও একশ্রেণীর মানুষ ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে যায়। ২০১২ সালের ১০ই জানুয়ারি রোজ শুক্রবার ভোর ৬ ঘটিকার সময় আমার মা শেষ নিশ্বাস ত‍্যাগ করেন।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। আজও মনে পড়ে সেই দিনের কথা,আমি সব সময় মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করে যাবো যেন শত কষ্টের মাঝে আমাকে রেখেও আমার জন্মধারনী মা ও জন্মদাতা পিতাকে মহান রব্বুল আলামীন সুখে শান্তিতে রাখেন। একজন সন্তানের জীবনে মায়ের অবদান কতটুকু তা দাঁড়িপাল্লা দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। মায়ের কাছে বড় সম্পদ হচ্ছে তার সন্তান। একজন সন্তানকে লালন পালন করতে একজন মা-ই যথেষ্ট। অনেক কষ্ট করে মা তার সন্তানকে বড় করে তোলেন। তাকে লেখাপড়া শেখানো থেকে শুরু করে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে মায়ের ভূমিকাই অগ্রগামী।

মায়ের অবদানের কথা হাজার পৃষ্ঠা লিখেও শেষ করা যাবে না। মায়ের ভালোবাসার ঋণ কোনদিনই শোধ হওয়ার নয়। শত দুঃখ-কষ্টেও মা সন্তানকে দূরে ঠেলে দেন না। ‘মা’ সবসময়ই সন্তানের জন্য আশীর্বাদ। মায়ের কাছে সন্তানের হাজারো বায়নার মূল্য থাকে। কিন্তু সন্তানের কাছে মায়ের বায়নার যেন কোন মূল্য নেই। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার মা আমার জন্য একদিন নয় দুই দিন নয়,মাসের পর মাস রাত জেগে ছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের কি নিয়তি মায়ের জন্যে একটি রাতও আমি জাগতে পারিনি। আমার মনে হয় আমিই পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্ভাগা সন্তান। সব কষ্ট-বেদনা সইতে পারি। কিন্তু মায়ের চোখের পানি সহ্য করতে পারিনা। কখনও যদি একটু রেগে উচ্চকণ্ঠে কথা বলি মা খুব কষ্ট পান। মায়ের হাসিমাখা মুখ কালো দেখলে মনটা ভেঙে চুরমার হয়ে যেতো। বহু দিন আগে পত্রিকার পাতায় মুদ্রিত একটি ছবি দেখে দ্রুত পত্রিকার পাতা উল্টিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কারণ একজন পুলিশের পা ধরে আছে সত্তরোর্ধ্ব একজন বৃদ্ধা মা। মনের মধ্যে আবার কৌতূহল হলো কেন বুড়ি মা পুলিশের পা ধরেছে। তারপরে পুরো ঘটনাটি পড়লাম। ঘটনাটির সারমর্ম হচ্ছে: বুড়ি মায়ের কুলাঙ্গার সন্তান তার গর্র্ভধারিণী মাকে প্রতিনিয়ত লাঠি দিয়ে পেটাতো। দিনের পর দিন সে তার মায়ের উপর নির্যাতন করতো। গ্রামের মানুষ সহ্য করতে না পেরে অবশেষে এই কুলাঙ্গারকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পুলিশ থানায় নিয়ে যখন আচ্ছামত পেটানি দিচ্ছিল তখন একজন এসে বুড়ি মাকে বলল তোমার ছেলেকে পুলিশ কি পিটানি না দিচ্ছে। এই কথা শোনার পর বুড়ি মা আর নিজেকে স্থির রাখতে পারেননি। সোজা থানায় চলে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন সত্যিই পুলিশ তার ছেলেকে বেধড়ক পেটাচ্ছে। সন্তানের এই কষ্ট দেখে বুড়ি মা আর নিজেকে সামলাতে না পেরে পুলিশের পা ধরে বলেন, বাবা আমার সন্তানকে আর মেরো না, তাকে ছেড়ে দাও। আমি তার কষ্ট সহ্য করতে পারছি না।সে আমাকে মারধর করতো,খাবার দিত না একথা ঠিক।কিন্তু সে তো আমাকে মা বলে সম্বোধন করতো। মায়ের কোমল মন সন্তানের জন্য রাগ-অভিমান করে থাকতে পারেনি।একেই বলে মা।

একটি নির্মম সত্যি কথা হচ্ছে যে,একজন মা একসাথে দশটি সন্তানকে দেখাশোনা করতে পারেন কিন্তু কখনো কখনো দশজন সন্তান একজন মায়ের দেখাশোনা করতে পারেন না। এরকম হাজারো ঘটনা ঘটে চলেছে সমাজের সর্বস্তরে। তার মূল কারণ হচ্ছে আমাদের পারিবারিক স্ট্রাকচার ভেঙ্গে যাওয়া। সমাজের হাজারো গঞ্জনা সয়ে কোনো কোনো মা শুধু সন্তানের দিকে তাকিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যান জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। বিভক্তির এই দুনিয়ায় সবকিছুই যখন বৈষম্যের মোড়কে ঢাকা তখনো মায়ের ভালোবাসা অবিভক্ত। যে মা গর্ভধারণের কষ্ট সহ্য করলো,কষ্ট করে লালন পালন করে বড় করে তুললো,যে পিতা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্থ উপাজন করে সন্তানের খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজন মিটালো, আজকাল দেখা যায় তারা কখনও কখনও সন্তানের অসহ্যের কারণ হয়ে দাঁড়ান।তাই আজকের সভ্য সমাজে বৃদ্ধ পিতা-মাতার জন্য মা দিবসের প্রচলন শুরু হয়েছে। একদিনের মা দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে প্রকৃত মাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমরা আমাদের প্রিয় মাকে প্রতিনিয়ত শ্রদ্ধাভরে ভালোবাসতে চাই। শুধুমাত্র মা দিবসের ভালোবাসার মধ্যে যেন আমরা আবদ্ধ না হয়ে পড়ে থাকি,আমি যত লিখবো শেষ হবেনা এই মায়ের কথা,কেননা মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ও লিখতে পারবো শুধুমাত্র একটি অক্ষরের বিষয়ে যে অক্ষরটির মূল্য এতোটা বেশি যা পৃথিবীর অন্য কোনো ডিকশনারীর মধ্যে কখনও পাওয়া যায়নি,অক্ষরটি হলো সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রেষ্ঠ এবং মধুর”মা” “মা”এবং “মা”। আমি কবিতার সুরে সুরে লিখবো পরিশেষে একটি মায়ের কবিতার কথামালা এর পরে আজকের মতো শেষ করবো।

একটি কবিতা…….

“মায়ের তুলনায় শুধুই”মা

“বিশ্বাসের গাঁথা মালা কেউ ছিঁড়তে পারবে না
ভালোবাসার সর্বোচ্চ স্থান তুমি যে আমার মা
নক্ষত্রের মতো স্থায়ী তুমি আমার জীবনে
তুমি মা ফুলের মতোই থাকো শুভাসিত হয়ে।

রাখবো বুকে জড়িয়ে ধরে তোমার স্মৃতি
অনুভব করি তাইতো তোমাকে শত কষ্টের মাঝে
রাতের মধ্যে তারাদের সাথে দেখতে পাই মাকে
তোমাকে আমি চিনতে পারি শত তারকার মাঝে।

কষ্ট পেওনা মা পাবে সব সময় আমাকে সাথে
কনকনে শীতের রাতে থাকবো তোমার বুকে
আমি খুঁজে পাই মাগো আমার বিপদে তোমাকে
মাঝে মাঝে থাকো তুমি সূর্যমুখী ফুল ফুটে।

আমি দেখতে পাই তোমার মুখের হাসি সবখানে
তোমার লাবণ্য মুখখানা থাকে সব সময় হেসে
ভাবনার অলিন্দে মাঝে মাঝে তুমি যাও হারিয়ে
উঁকি দিয়ে দেখে থাকো আমার কষ্টকে।

বাস্তবের উত্তাল সাগরের মধ্যে যখন থাকি
স্মৃতিগুলো হাতড়ে বেড়াই তখনই আমি
তলিয়ে যাই নিজেই যেন সাগরের গভীরে
শূন্যতাা প্রচণ্ড গর্জন তুলে নীল সাগরের বুকে।

আছড়ে পড়ে শিরা-উপশিরায় আমার সব কষ্ট
নকশিকাঁথার মতো বুনে রেখেছি আমি তোমাকে
আমার কাল্পনিক স্মৃতিগুলো সব থাকে জড়িয়ে
একান্ত আমার পৃথিবীতে তা থাকবে শুধু বেঁচে
তোমাকে ঘিরেই রচিত হবে আমার জীবনী।

।।। স মা প্ত ।।।

Top