শ্রবণশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে বিশ্বের ১’শ কোটি যুবক

received_600527050360928.jpeg

রাইয়ান ওয়াহিদ :

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে দিনে দিনে সহজলভ্য হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের গ্যাজেট। এইসব গ্যাজেটের বেশিভাগ জায়গাই দখল করে আছে স্মার্টফোন। আর এই স্মার্টফোনে ব্যবহৃত হেড ফোনের কারণে শ্রবণশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে বিশ্বের ১’শ কোটি যুবক।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এসব তথ্য জানিয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

ডব্লিউএইচও এর তথ্য মতে, ব্যক্তিগত ইয়ারফোনের মাধ্যেমে মাত্রাতিরিক্ত এবং উচ্চ আওয়াজে মিউজিক শোনার কারণে শতকরা ৫০ ভাগ যুবক শ্রবণ শক্তি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। যাদের বয়স ১২ থেকে ৩৫ এর মধ্যে।

সংস্থাটি আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বয় একটি আন্তর্জাতিক মানদন্ড ইস্যু করেছে। যাতে স্মার্ট ফোনসহ অডিও মিডিয়া প্লেইয়ার তৈরির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাতে এগুলো দিয়ে নিরাপদে শোনা যায়।

সংস্থাটির প্রাপ্ত তথ্যমতে, বর্তমান বিশ্বের শতকরা ৫ ভাগ অর্থ্যাৎ ৪৬৬ মিলিয়ন মানুষ শ্রবণশক্তি হারিয়ে আক্রান্ত। যা তাদেরকে অক্ষম করে তুলছে। এরমধ্যে ৪৩২ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক আর ৩৪ মিলিয়ন শিশু। আর এদের অধিকাংশই স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশে বাস করে।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ২০৫০ সালে ৯০০ মিলিয়ন বা ৯’শ কোটির অধিক মানুষ শ্রবণশক্তি হারাবে। অর্থ্যাৎ প্রতি দশজনের একজন। যা তাদের জীবনকে অক্ষম করে দিবে।

অপ্রতিরোধ্য এই রোগের চিকিৎসার জন্য বাৎসরিক ৭৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ পড়বে। অথচ সাধারণ স্বাস্থ্য পরিচর্যার মাধ্যমে আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধেকে আনা সম্ভব।

সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, আগামী ৩ মার্চে বিশ্ব শ্রবণ দিবসের আগেই তারা নতুন আন্তর্জাতিক মানদন্ড ইস্যু করেছে।

Top