বাসে নারীদের নির্দিষ্ট আসন নিশ্চিত করুন

48412935_513375599146259_4856247615244730368_n.jpg

—————————–
বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থা) এর প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় চল্লিশ হাজার বাস আছে। যা রাজধানীসহ বিভিন্ন রুটে নিয়মিত চলাচল করেছে। এতে প্রায় প্রতিদিন লক্ষাধিক যাত্রী যাতায়াত করেছে। পুরুষ যাত্রীর তুলনায় বাসে নারী যাত্রীর সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। অফিস-আদালত, চাকরি, শিক্ষা কিংবা বিভিন্ন প্রয়োজনে নারীরাও বাসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে গমন করে থাকেন। পাশাপাশি এই বাসেই ঘটিত নারী হয়রানি, হেনস্তার প্রতিবেদনগুলো দৈনিক পত্রিকায় সচারচর প্রকাশিত হচ্ছে। বিশেষ করে দূর পাল্লার বাসগুলোতে প্রায়ই নারী ধর্ষণ হচ্ছে। লোকাল বাসে নারীর হেনস্তার শিকার ক্রমন্নয়ে বেড়েই চলছে। গাড়ির ধকলের নাম করে কিছু পশুরূপী মানুষ নারীর গায়ে উপচে পড়ছে। কেউবা নারীদের জামাকাপড় কাটছে। পাশে বসে কেউ কেউ বিভিন্ন অজুহাতে গায়ে স্পর্শ করছে। রাজধানীর কিছু গাড়িতে নারী ও প্রতিবন্ধী আসন লিখা থাকলেও তা পুরুষেরা দখল করে বসে থাকেন। ফর্মালিটি রক্ষার্থে এসব লিখা থাকলেও এসব নিয়ে বাস চালক কিংবা সহকারীদের তেমন কোন মাথা ব্যথা নেই, নেই এই লেখার কোন পূর্ণ ব্যবহার। দূরপাল্লার বাসগুলোতে নারীদের নির্দিষ্ট করে আসন নেই। ফলে অধিকাংশ নারী দূরের পথে একা যেতে ইতস্ততবোধ করেন। বাসে যদি নারীদের কিছু আসন নির্দিষ্ট করা হতো, তবে নারীরা এসব বাজে কর্ম, ভয় ভীতি থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি লাভ করতেন। নারীদের হেনস্তা লাগবের জন্য প্রত্যেকটি বাসের সম্মুখভাগে নির্দিষ্ট নারী আসন বাধ্যতামূলক এবং এই আইন যথাযথ প্রণয়নের জন্য কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

মুহা. ইকবাল আজাদ
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Top