যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

received_223007068636941.jpeg

আব্দুর রহিম রানা, যশোর ;
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি অবমাননার অভিযোগ এনে যশোর
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেনের
নামে যশোরে মামলা হয়েছে।
এছাড়াও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ইকবাল কবির জাহিদ ও সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে আরো একটি মানহানির মামলা হয়েছে।
সোমবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে যশোর জেলা
ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল আলাদাভাবে মামলা দু’টি দায়ের করেন।
বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি অবমাননার মামলায় বাদী
অভিযোগ করেছেন, ২০১৮ সালে যবিপ্রবির ডেস্ক ক্যালেন্ডারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবির ওপর নিজের নাম লিখে রাখেন ভিসি। আর চলতি বছর আরো
ভয়ংকরভাবে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
ছবি উপস্থাপন করা হয়েছে ডেস্ক ক্যালেন্ডারে।
ক্যালেন্ডারে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছিদ্র করে বাইন্ডিং করা হয়েছে।
মানহানির মামলায় তিনি অভিযোগ করেছেন, যবিপ্রবি ক্যাম্পাস থেকে নৌকা সরিয়ে ফেলেছেন শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ইকবাল কবির জাহিদ।
বিষয়টি নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আলোচনা করতে গেলে তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন তিনি। পরে বিষয়টি জানার পর আমি নিজে ইকবাল
কবির জাহিদ স্যারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেছি।
‘আমার এই ফোন কলকে পুঁজি করে, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে নিজের অপরাধ ঢাকার অচেষ্টা করেছেন ইকবাল কবির জাহিদ। শিক্ষক সমিতির নাম ব্যবহার করে গত ১২ জানুয়ারি রীতিমতো মানববন্ধন করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।’
পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি জিডিও করেছেন। এছাড়াও শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ইকবাল কবির জাহিদ ও সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক নাজমুল হাসান রীতিমতো মিথ্যাচার করে পত্রিকায় বিবৃতি দিয়েছেন। যা ১৩ জানুয়ারি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
ওই বিবৃতিতে তারা দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের
শহীদ মশিয়ূর রহমান হলে আসবাবপত্র সরবরাহের কাজ
আমি করেছি। টেন্ডার অনুয়ায়ী মালামাল সরবরাহ না করে নিম্নমানের পণ্য দেওয়া হয়েছে। তাই আপত্তি
তুলে বিল আটকে দিয়েছেন ইকবাল কবির জাহিদ।
এজন্য আমি তাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়েছি।
কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে, আমি শহীদ মশিয়ূর রহমান হলে
আসবাবপত্র সরবরাহের ঠিকাদারের কাজ করিনি।
ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিতে এই দুই শিক্ষক রীতিমতো
আমার মানসম্মান ক্ষুণ্ন করেছেন। এজন্য আমি আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছি।

Top