“অনেক ভালো আছি; পরম করুনাময়ের করুনায়”

20190108_184755-1.jpg

——————–
সময়ের স্রোতে হারিয়ে গিয়েছে পুরনো দিনের স্মৃতি মধুর সেই দিনগুলো।খুবই মনে পড়ে সেই সুন্দর দিনের কথা; এইতো অল্প দিন আগেই ছিলাম যেনো একজন হাসিখুশি মনের মানুষ কিন্তু কেনো যে সেই সৌন্দর্য মনের গভীর থেকে কোথায় হারিয়ে গেলো তা বুঝতে পারছি না কোনো ভাবেই।তবে এতোটুকু বুঝতে অসুবিধা হয়না যে সময় বড়ই বেরাহাম হয়ে থাকে দিন কাল মাস বছর এ যে কালের বির্বতনে হারিয়ে যায় চোখের পলকেই।হায়রে জীবন কতোনা রূপে রূপান্তরিত হয়ে থাকে অল্প সময়ের মধ্যেই।তবুও ভালো আছি;বেশ ভালো আছি মহান আল্লাহর রহমতে।এই শুকরিয়া যে আদায় করতেই হবে।কেননা একদিন নয় এক মূহুর্ত্তের জন্য যদি ঐ রেললাইনের বস্তিতে গিয়ে অসহায় বস্তিবাসীদের দিকে একটু চোখ রাখতে পারি তাহলেই স্পষ্ট ভাবে চোখের পাতায় ভেসে উঠবে নিজের জীবন।কতটা কষ্টের মাঝে বসবাস করছেন ওরা ছিন্নমূল বাস্তহারা বস্তিবাসী।

তাদের পড়নে নেই এক টুকরো শীতের পোষাক ওদের হাড়িতে নেই এক মুঠো ভাত।তবুও ওরা বেঁচে আছে চরম সুখে ও শান্তিতে।ওরা চিৎকার করে বলতে থাকে আমরা আমাদের মা,বাবা,ভাই,বোন সবাইকে নিয়ে অনেক সুখে আছি শান্তিতে আছি।এই দৃশ্য যখনই দেখতে পাই তখন খুবই লজ্জ্বা লাগে নিজেকে নিজের মাঝে পেশ করতে।তবে কেনো এতোটা কষ্টের কথা বলি সবসময়।না আর নয় এবার পরিবর্তন হতে হবে নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে নিজের চিন্তা চেতনাকে তবেই হয়তোবা সঠিক মানুষের রূপ ফুটে উঠবে নিজের মনের গহীন থেকে।আমিও মানুষ ওরাও মানুষ একথাই মনে প্রানে বিশ্বাস করে নিজেকে নিজের ভেতর থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে।তবেই নিজের মধ্যে যে ভূল টুকু বসবাস করে তা বেড়িয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ।সবসময় নিজেকে মহান আল্লাহর নিকট সোপর্দ করে দিবো তিনিই সৃষ্টি করেছেন তিনিই দেখবেন যতদিন হায়াত দিয়েছেন এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার।তাই সবসময় বলবো মহান আল্লাহর কৃপায় অনেক ভালো আছি আমিও ওদের সঙ্গে মিলেমিশে যাবো ওদের নিয়ে হাসিখুশি ভাবে জীবনের শেষ ঘানি টেনে যাবো পরম করুনাময়ের দোয়ায়।

নবীন লেখক ও সাংবাদিক
-মোঃ ফিরোজ খান
জেলা ঢাকা বাংলাদেশ

Top