“মানতে হবে মহান মাওলাকে”–মোঃ ফিরোজ খান

20190103_221012.jpg

——————
কখনোই ভাবিনি কষ্টের পড়েও থাকে কষ্ট!কিন্তু সত্যিই কারো কারো জীবন এভাবেই চলছে কষ্টের সঙ্গে মৃত্যুর সাথে সন্ধি রেখে।মহান আল্লাহর নিয়ামাবলী বোঝা বড়ই কঠিন।তবে এতোটুকু বলতে পারবো আল্লাহ সবসময় তার সর্বশ্রেষ্ট মানব জাতির মঙ্গল কামনা করে থাকেন বলেই সৃষ্টি জগতের শ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করেছেন মানবজাতিকে।তবে আমরা কজনে এই শ্রেষ্ঠত্ত্বের মূল্য দিয়েছি এই জগতের মাঝে?

কিভাবে দিবো এই মূল্য আমরা?আমরা যে যার যার চিন্তা নিয়েই মশগুল থাকি সবসময় দুনিয়ার বুকে।মহান আল্লাহর কাছে কখনও যে আমাদের শ্রেষ্ঠত্ত্বের জন্য আমরা শুকরিয়া করার সময়টুকু পাইনা।তবুও মহান আল্লাহ তাআলা কখনও তার বান্দাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখেন না, বরং সবসময় এই আশা করে থাকেন যে একদিন না একদিন অবশ্যই তাকে আমরা শুকরিয়া জ্ঞাপন করবো এই বিশ্বাস মহান আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি রেখেছেন।সেই আশায় তিনি বান্দাদের দিকে চেয়ে থাকেন এককভাবে।সুবহানাল্লাহ,মহান রব্বুল আলামীন সত্যিই মহান।তার কাছে আমরা মানবজাতি সবসময় শ্রেষ্ঠ হয়ে থাকবো।এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিইবা হতে পারে।ধন-দৌলত,টাকা-পয়সা, এ যে ক্ষণিকের জন্য এই জগতের তরে আর মহান মাওলার দেওয়া ফজিলত যে মৃত্যুর পরেও প্রয়োজন হবে আমাদের সকলের।

আমরা সবসময় মহান আল্লাহর দিকনির্দেশনা মেনেই তাকে স্বরণ রেখেই আগামীদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো, তিনিই যে সকল কিছুর উর্ধ্বে তার তুলনায় দ্বিতীয় কোনো মাবুদ নেই একথাই আমাদের সকলকে মনে প্রাণে বিশ্বাস রেখেই সকল বিপদকে মোকাবেলা করতে হবে।তবেই আমরা সবাই কঠিন বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাবো ইনশাআল্লাহ।আমরা হয়তোবা ক্ষণিকের জন্য কোনো বিপদের মাঝে পরে থাকি আর এটাই মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের পরীক্ষার মাঝে ফেলে থাকেন,তিনি দেখতে চান যে আমরা বিপদে পরে তাকে স্বরণ করি কিনা।সত্যিই কতনা সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছেন তিনি আমাদেরকে তবুও আমরা কজন আছি যে কঠিন কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে মহান মাওলাকে স্বরণ করি।আমরা তখনও তাকে স্বরণ না করে অন‍্যদের কাছে সাহায্য কামনা করি।শতভাগ কষ্টের মুখোমুখি হয়েও আমরা মহান আল্লাহ তাআলা রব্বুল আলামীনকে স্বরণ করিনা।এটাই যে আমাদের জীবন চালনায় বড় রকমের ভূল।আমরা সকলেই এই ভূল থেকে বেড়িয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ।সবসময় চলতে ফিরতে মহান রব্বুল আলামীনকে স্বরণ করে পথ চলবো।তবেই জীবন সুখের ও সুন্দর হবে একথাই সত্যি,সঠিক এবং চিরকাল সত্য হয়ে থাকবে।

হয়তোবা তাক্ষনিক ভাবে কোনো ফলাফল না পেলেও এই ফল অবশ্যই সুখের বার্তা বহন করবে কোনো এক সময় কঠিন পথ পারি দিতে। কেননা মহান আল্লাহ তাআলা কোরআন শরীফের মধ্যে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করে দিয়েছেন যে তোমরা যতই অন‍্যায় অবিচার করো এই দুই দিনের দুনিয়ার বুকে চলতে ফিরতে,শেষ সময়ে তোমরা তওবা করো আমার নিকটে আমি অবশ্যই তোমাদের সকল গুনাহ মাফ করে দেবো।এই সত্য যেনেও আমরা না জানার ভান করে থাকি।কিন্তু না আমাদের মানতে হবে মহান আল্লাহর নিয়মাবলী মানতে হবে নবীর সুন্নাত তবেই জীবন হবে প্রশান্তির,মধুময় ও সুখের।

নবীন লেখক ও সাংবাদিক
-মোঃ ফিরোজ খান
জেলা ঢাকা বাংলাদেশ

Top