ঢাবির সমাজ কল্যাণ ইনস্টিটিউট এর নতুন পরিচালক প্রফেসর ড. তাহমিনা আখতার

received_446807285851174.jpeg

ঢাবি প্রতিবেদকঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের নতুন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন প্রফেসর ড. তাহমিনা আখতার।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একজন অধ্যাপক।

সোমবার (৭ই জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী পরিচালক ড. তানিয়া রহমানের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মেয়াদ শেষ হওয়ার মাধ্যমে নতুন পরিচালক হিসেবে প্রফেসর ড. তাহমিনা আখতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য ড. নাসরিন আহমেদ সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বগ্রহণের পর সমাজকলাণ ইনস্টিটিউটের সদ্য সাবেক পরিচালকসহ অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীবৃন্দ, ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নতুন পরিচালককে অভিনন্দন জানান।

এসময় বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করে বলেন, ইনস্টিটিউটের অবকাঠোমো উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন নতুন পরিচালক। তারা আরও আশা ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমানে ইনস্টিটিউটে বিদ্যমান পরিক্ষাগ্রহণে শিথীলতা দূর হবে এবং ঢাবির অন্যান্য বিভাগের সাথে যথাসময়ে তাদের এ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শেষ করতে পারবে।

উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. তাহমিনা আখতার ব্যক্তিগতভাবে খুব দৃঢ়চেতা ও আত্মপ্রত্যয়ী। ভালো সংগঠক ও একাডেমিশিয়ান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সুনাম বিদিত। শিক্ষাজীবনে তিনি অসামান্য ফলাফল অর্জন করেন। এসএসসি, এইচএসসিতে তিনি বোর্ড স্টান্ড করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হবার গৌরব অর্জন করেন।

শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি অনেক সামাজিক সংগঠন ও সেবাপ্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত আছেন। তিনি একাধারে একজন উদ্যোক্তা, লেখক, কলামিস্ট, সংগঠক ও সমাজকর্মী। ইতোমধ্যে তিনি তাঁর কর্মজীবনে নানান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন আন্তজার্তিক জার্নালে তার ৬০টিরও অধিক আর্টিক্যাল প্রকাশিত হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বেগম রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষা হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে তিনি ছিলেন সফল। তিনি নিজ উদ্যোগে অনেক সামাজিক সংঠনের প্রতিষ্ঠা করেছেন। নারীশিক্ষার প্রসারসহ শিক্ষাবঞ্চিত মানুষের ভেতর জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি একক প্রচেষ্ঠায় মেন্ডি ডেন্টাল কলেজ এণ্ড হাসপাতাল গড়ে তোলেন। বর্তমানে তিনি এই চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Top