ছাতকে প্রতিনিয়ত বাড়ছে রাতের আধারে চুরি

download-5.jpg

অলিউর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার(ছাতক)::
ছাতকে সম্প্রতি চুরির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে নাগরিক জীবন। স্থানীয় ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দাভাব। আত্মকর্ম সংস্থান সৃষ্টি না হওয়া। এছাড়া বেড়ে উঠা শিশু কিশোররা মাদকাশক্ত হওয়ার ফলে এলাকায় চুরির উপদ্রব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। চুরির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে শহরের ম-লীভোগ মহল্লার ব্যবসায়ী সামসুল ইসলামের বাস ভবনের গ্রীল ভেঙ্গে চুরের হানা দেয়। ২৩ নভেম্বর গভীর রাতে একই মহল্লার লায়েক মিয়ার ভাড়াটে ঘরে চুরেরা জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে নগদ টাকা স্বর্নালংকার সহ মুল্যবান আসবাবপত্র নিয়ে যায়। ২৮ নভেম্বর মধ্য রাতে হাসপাতাল রোডের মমতাজ বেগমের বাসার জানালা ভেঙ্গে চুরের বাসায় প্রবেশ করে মুল্যবান আসবাবপত্র নিয়ে যায়। একই রাতে হাসপাতাল রোডের সিরাজুল ইসলামের বাসায় চুরেরা দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও মোবাইলসহ মুল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। ৩০ নভেম্বর গভীর রাতে শহরের কাষ্টম রোডের গৌতম ঘোষের মুদির দোকানের ভেন্টিলেটর ভেঙে চুরেরা ড্রয়ারের তালা ভেঙে নগদ টাকা সিগারেটসহ দোকানের মুল্যবান পন্য সামগ্রী নিয়ে যায়। একই রাতে বারিক ফার্মেসীতে হানা দিয়ে চুরেরা মুল্যবান ঔষুধপত্র নিয়ে যায়। ০১ ডিসেম্বর ডাক বাংলা রোডের মিজানের ঘরে ডুকে চুরের মুল্যবান আসবাবপত্র নিয়ে যায়। ২৬ নভেম্বর গভীর রাতে শহরের বালিকা বিদ্যালয় রোডস্থ রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম হতে চুরেরা রাতে দরজার তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ২টি মোবাইল সেটসহ মুল্যবান আসবাবপত্র নিয়ে যায়। এদিকে চুরির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার ফলে শহরের নোয়ারাই মহল্লার নাথপাড়া দাস পাড়ার লোকজন রাত জেগে পালাক্রমে দল বেঁধে পাহারা দেয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সংঘবদ্ধ চোরচক্র এসব চুরির ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে বলে ধারনা করছেন ব্যবসায়ী সামসুল ইসলাম। ছাতক থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, শহরে পুলিশি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। খোজ খবর নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জোড়ালো ব্যবস্থা নিবে।

Top