নারী ও শিশু পাচার রুখে দিন–ওসমান গনি শুভ

images-5.jpg

—————————

সাধারণত শোষণের উদ্দেশ্যে জোর খাটিয়ে, ভয় দেখিয়ে এবং চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে অথবা যাকে পাচারের উদ্দেশ্য, তার উপর কর্তৃত্ব রয়েছে এমন ব্যক্তিকে আইন বহির্ভূত উপায়ে লেনদেনের মাধ্যমে সংগ্রহ, স্থানান্তর, আশ্রয়দান ও অর্থের বিনিময়ে গ্রহণ ইত্যাদি যেকোনও কর্মকান্ডকে পাচার বলে গণ্য করা হয়। পাচার একটি সংগঠিত অপরাধমূলক কর্মকান্ড। আন্তর্জাতিকভাবে নারী ও শিশু পাচারকে আধুনিক যুগের দাস প্রথা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সাধারণত এতে অসাধু ব্যক্তিরা জড়িত থাকে।

কাজ দেওয়ার নাম করে মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে এসে বেশ্যাবৃত্তির জন্য দালালদের কাছে বা বেশ্যালয়ের মালকিনদের কাছে বিক্রি করে দেয় অসাধু ব্যক্তিরা।
বেশ্যাবৃত্তিতে নিয়োজিত মেয়েদেরও পাচারকারীর ভূমিকায় দেখা যায়। অবিবাহিত বা বিধবা মহিলা, ভেঙে যাওয়া পরিবারের নাবালিকা, ধর্ষণ, বিশ্বাসঘাতকতা, যৌন নিপীড়নের যারা শিকার বা যাদের সমাজ একঘরে করে দিয়েছে -সেইসব মেয়েরাই পাচারকারীদের প্রধান লক্ষ্য। পতিতাবৃত্তি, ভিক্ষাবৃত্তি, শরীরের রক্ত বিক্রি, মাথার খুলি, কঙ্কাল বিদেশে বিক্রি নারী ও শিশু পাচারের মূল উদ্দেশ্য। দারিদ্র্যতা, শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব, জীবিকার অভাব, পিতা-মাতার অসাবধানতা ও অসতর্কতার কারণে নারী ও শিশু পাচার হয়। তাই সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাজ বির্নিমাণের জন্য নারী ও শিশু পাচারকারীদের ধরিয়ে দিন এবং নারী ও শিশু পাচার রুখে দিন।

মো.ওসমান গনি শুভ
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Top