সাবরাংয়ে সীমানা বিরোধের জের ধরে আপন ভাইয়ের হাতে ভাই আহতঃপরে মৃত্যু

received_2239796142958716.jpeg

ফরহাদ আমিন::
টেকনাফের সাবরাংয়ে সীমানা বিরোধের জের ধরে ভাই আব্দুল হাশিমের হাতে ছোট ভাই জাফর আহমদ (৪০) মারাত্মক ভাবে জখম করা হয়েছে।
সোমবার বিকালে চট্টগ্রামের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত জাফর আহমদ মারা যান। সে সাবরাং কুরাবুইজ্জাপাড়া গ্রামের মৃত ফজল আহমদের ছোট ছেলে। গত রোববার সকালে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের কুরাবুইজ্জাপাড়া গ্রামের পারিবারিক বৈঠকে এ ঘটনাটি ঘটে।নিহতের বড় ভাই মীর কাশেম বলেন, বাবা ফজল আহমদ মারা যাওয়ার পর ভাইদের মধ্যে জমি-জমা ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়। এরমধ্যে একটি সুপারি গাছ নিয়ে ছোট ভাই জাফর আহমদ ও আব্দুল হাশিমের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কয়েকবার কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। তারই সূত্র ধরে, রোববার সকালে ভাইদের নিয়ে পারিবারিক ভাবে বৈঠকে বসলে হঠাৎ করে আব্দুল হাশিমের তিন ছেলে ও শ্যালকসহ কয়েকজন জাফরের উপর হামলা চালায়। এ সময় জাফরকে মারধর ও ইট দিয়ে পিঠে ও মাথায় আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে আশেপাশের লোকজন দ্রুত জাফরকে উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার অবস্থা আরও অবনতি হলে তাকে দ্রুত চট্টগ্রামের একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে জাফর আহমদ মারা যান। নিহত জাফর আহমদের সংসারে তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক ছিল। ঘটনার পর থেকে মেজভাইয়ের পরিবার উধাও হয়ে গেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগমের বড় ভাই মার্কিন মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম বলেন, হত্যাকারীদের কাছে সুপারি গাছের মূল্যে থাকলেও একজন মানুষের কোনো মূল্য ছিল না। আমার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবী করছি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। এখনো কোনো অভিযোগ পায়নি। তবে এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Top