ঝালকাঠি-১ আসনে আ.লীগে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে মনিরুজ্জামান মনির

9ac027ae46281450e2869bbf22f0dbc9.0.png

জাহিদুল ইসলাম পলাশ,ঝালকাঠি প্রতিনিধি ।
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে আওয়ামীলীগ-বিএনপির মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। সেইসাথে নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝালকাঠি-১ আসনটি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ শুরু করে দিয়েছেন।
বিগত বছরগুলোতে শুভেচ্ছা পোস্টার ও লিফলেটের আড়ালে শুরু করেছেন প্রচার-প্রচারণা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে লবিং। নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে গঠন করেছন তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কমিটি। চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মী সমাবেশ ও গণসংযোগ।
আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুনসহ আরো কয়েকজন মনোনয়ন প্রত্যাশিকে গণসংযোগ করতে দেখা গেছে।।বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী শাহজাহান ওমরের মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত হওয়ায় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে বেশি সময় পার করছেন।

আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চাইছেন বর্তমান এমপি জননেতা বজলুল হক হারুন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সাবেক সহ-সম্পাদক জনাব মনিরুজ্জামান মনির,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত ড. এম এ হান্নানের সহধর্মিণী ফাতিনাজ ফিরোজ ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ ইসমাইল।

এ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জননেতা বজলুল হক হারুন গত ৯ বছরে এলাকায় ঘোষণার উন্নয়ন করেছেন বটে কিন্তু অবহেলিত এই জনপদের কোন সার্বিক উন্নয়ন হয়নি।ভোটবিহীন নির্বাচিত ব্যক্তিকে নেতা হিসেবে স্থানীয় জনগন চায় না,এটা নেতাকর্মীদের বক্তব্যে স্পষ্ট।

স্থানীয় জনগণ ও নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে সার্বিক খোজ খবরে জানা গেছে বর্তমানে আওয়ামীলীগের হাইকমান্ড, গোয়েন্দা তালিকা ও জনগনণের জনমত জরীপে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন মনিরুজ্জামান মনির।

দলের মধ্যে কেউ কেউ বলে থাকেন ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামীলীগের বয়সের ভারে নুয়ে পরা নেতৃত্বের মাঝে উজ্জিবীত নেতৃত্বদানে মনিরুজ্জামান মনিরই একমাত্র ভরসা।

সেই হিসেবে বর্তমানে সাংগঠনিক ভাবে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সবচেয়ে বেশী সম্পর্ক রয়েছে মনিরুজ্জমান মনিরের সাথে।নিয়মিত এলাকার সকল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে গণসংযোগের মাধ্যেমে দলকে মনোবল যুগিয়েছেন বিগত কয়েক বছর ধরে।তৃনমূল থেকে সকল স্তরের নেতাকর্মীদের সাথে বেশ সখ্যতা এবং জনগণ ও তার আচরনে আকৃষ্ট।

মনিরুজ্জামান মনির নিউজ ভিশনকে জানান, জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি এই আসন(ঝালকাঠি-১) থেকে আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে জনরায়ে আমি নির্বাচিত হয়ে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করবো,মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করবো,গতানুগতিক শিক্ষার বাইরে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে জনশক্তিতে রুপান্তরিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো,রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় যে সকল স্থানে উন্নয়নের ছোঁয়া পরে নি, সেখানে উন্নয়নের ব্যবস্থা করবো,দলমত নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে লালন করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবো ও সমস্ত মানুষকে নিয়ে শান্তিতে বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করবো। সর্বোপরি সারা দেশের মধ্যে এই আসনটিকে রোল মডেলে পরিণত করবো।

ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসান রাজীব বলেন,মনিরুজ্জামান মনির ভাই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও সাবেক ছাত্রনেতা।তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন।তিনি রাজাপুর-কাঁঠালিয়ায় আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের কান্ডারী ।সুখে দুখে যাকে আমরা কাছে পাই,তাকেই আমরা আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে চাই।

সব দলের প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে শুরু করেছেন ব্যাপক লবিং-তদবীর। এই আসনের জনগন দলমত নির্বিশেষে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা সদানন্দময়ী ও সদালাপী মনিরুজ্জামান মনিরকেই দেখার অপেক্ষায় আছেন শেষ মুহুর্তে ঝালকাঠি-১ আসনের নৌকার মাঝি হিসেবে।

Top