জগন্নাথপুরে ভিমরুল থেকে মুক্ত হতে রাস্তা পরিস্কার: অতপর থানায় অভিযোগ

News-photo-3.jpg

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের স্বজনশ্রী (নতুনপাড়া) গ্রামের যাতায়াতকারী একমাত্র রাস্তায় ভিমরুলের হাত থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসী রাস্তার বাঁশ ঝাড়, গাছের ঢাল সহ বিভিন্ন লতা পাতা পরিস্কার করলে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, বহু দিন ধরে রাস্তার পাশের বাঁশ ঝাড়, গাছের ঢাল ও লতা পাতায় কয়েকটি ভিমরুলের বাসা বাঁেধ গ্রামবাসী চলাচলের সময় ঐ বাসা থেকে নেমে ভিমরুল আক্রমন করতো। এ থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসী আলোচনা মাধ্যমে বিগত ৬ থেকে ৭ মাস আগে সিন্ধান্ত নেয় ভিমরুলের বাসা ভেঙ্গে দিয়ে আশে পাশের আবর্জনা পরিস্কার করার, কিন্তু বাঁধা হয়ে দাড়ান পাশের ঘরের মালিক মাওলানা হোছাইন আহমদ তিনি ভিমরুলের বাসা ভাঙ্গতে বাধা সৃষ্টি করেন এবং গ্রামবাসীর সাথে দ্বিমত পোষন করেন। ২৪শে সেপ্টেম্বর সকালে ভিমরুলের কাঁমড়ে আহত হন ঐ গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে আছকির মিয়া (৭০), কদ্দুছ মিয়ার ছেলে ফয়ছল (৩০), আজাদ মিয়ার ছেলে সাইফুল মিয়া (২২) ও আলী হোসেনের মেয়ে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী তানিয়া। গুরুতর অবস্তায় আছকির মিয়া (৭০) কে জগন্নাথপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। পরে গ্রামবাসী মিলে ঐ দিন বিকালে রাস্তার পাশের বাঁশ ঝাড়, গাছের ডাল ও লতা পাতা সহ কয়েকটি ভিমরুলের বাসা ভেঙ্গে ঢাল ও লতা পাতা পরিস্কার করেন। এতে ক্রীপ্ত হয়ে পাশের ঘরের মালিক মাওলানা হোসাইন আহমদ বাদি হয়ে জগন্নাথপুর থানায় সাধারন ডায়রি করেন।
এ ব্যাপারে স্বজনশ্রী (নতুনপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইয়াজ উল্লাহ ছেলে তালেব আলী, আব্দুল কাদিরের ছেলে তাজ উদ্দিন, মৃত আব্দুল কাদির মিয়ার ছেলে কামাল সহ আর অনেকে জানান, বিগত ৬ থেকে ৭ মাস আগে গ্রাম প ায়েত এর মাধ্যমে মাওলানা হোসাইন আহমদকে ভিমরুলের বাসা সহ রাস্তাটি পরিস্কার করার জন্য বলে আসছি কিন্তু সে এ ব্যাপারে কোন সাড়া না দিয়ে রাস্তার পরিস্কার না করে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে এবং বলে রাস্তাটি আমার মালিকাধিন যদি বাঁশের বেড়া দিয়ে দেই তাহলে তোমরা যাবে কোন দিকে? তাই আমরা গ্রামবাসীরা বাধ্য হয়ে রাস্তাটি পরিস্কার করি।

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

এদিকে মাওলানা হোসাইন আহমদের চাচা শাহজাহান মিয়া বলেন, আমার ভাতিজা একটু উগ্র মেজাজী সে কারও কথা বার্তা শুনে না। এবং কি তিনটি বিয়ে করা সত্তে ও আবার বিয়ে করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলে, তাহার বাবা-মা, চাচা, মামা সহ পরিবারের অনেকেই তার নির্যাতনের স্বীকার হন। এ রাস্তা দিয়ে আমরা চলাচল করি শিক্ষার্থী সহ গ্রামের মানুষ চলাচলের জন্য রাস্তা থেকে সব ধরনের সমস্যা দূর করার জন্য সকলের কাছে আহবান জান্নাচ্ছি।
এ ব্যাপারে জানতে মাওলানা হোসাইন আহমদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যে রাস্তার কথা তারা বলছে এটা আমার ব্যক্তিগত রাস্তা এটা আমি দয়া করে তাহাদের চলাচলের সুযোগ করে দিয়েছি। তারা যদি ভিমরুলের বাসা ভাঙ্গতো তাহলে এখনো তো ভিমরুলের বাসা আছে। তারা জোর করে আমার গাছ ও বাঁশ ঝাড় সহ বিভিন্ন ফসলি গাছ কেটে ফেলে দেয়। আমি অসহায় বিধায় থানায় মামলা করেছি।##

Top