চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ে নারীদের আধুনিকায়ন ও অগ্রযাত্রা

40353144_233573993998911_4297147069212131328_n.jpg

সালাহ উদ্দিন সালাম:
চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল খাগড়াছড়িতে এই দৃশ্য অকপটে বলে দেয় পাহাড়ে নারীদের আধুনিকায়ন ও তাদের অগ্রযাত্রা কত টুকু। পরিবহন স্বল্পতার কারণে খাগড়াছড়িতে নারীদের চলাচলে নানান রকম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে ঐ অঞ্চলের মেয়েরা বেছে নিয়েছে স্কুটি। খাগড়াছড়ির পৌর এলাকায় এখন প্রায় দেখা মেলে মেয়েরা স্কুটি নিয়ে তাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত। নানান পেশার মেয়েরা এখন তাদের গন্তব্যস্থানে পৌঁছাতে স্কুটি ব্যবহার করছে। স্কুটি ব্যবহারকারিদের মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়ী, শিক্ষিকা, নৃত্যশিল্পী, ছাত্রী সহ নানান পেশার মেয়েরা। পাহাড়ি অঞ্চলের জন গোষ্ঠীরা অধিক পরিশ্রমী ও দীর্ঘ সময় হাটতে সক্ষম। যুগ যুগ ধরে জীবন জীবিকার তাগিদে তারা এই শারীরিক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এমনি একটি অঞ্চলে মেয়েদের স্কুটি ব্যবহার মানে অঞ্চলে নারী উন্নয়নের মান,জীবন যাত্রার সহজীকরণ এবং নারীর উদ্দাম অগ্রযাত্রার বহিঃপ্রকাশ। স্কুটি ব্যবহার প্রসংগে খাগড়াছড়ির বিশিষ্ট নারী ব্যবসায়ী আনুচিং মারমা বলেন, “খাগড়াছড়ি শহরে আমার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে ঐখানে আমার প্রতিদিন যাওয়া লাগে কিন্তু শহর থেকে আমার বাড়ি কিছুটা দূরে হওয়ায় এবং পরিবহন স্বল্পতার কারণে আমার সময় নষ্ট হয় এবং আমার ব্যবসারও অনেক সমস্যা হয় তাই আমি স্কুটি ক্রয় করেছি, এখন আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি,নিয়মিত ব্যবসায় সময় দিতে পারছি এবং পারিবারিক আনুষাংগিক কাজে স্কুটি ব্যবহার করে থাকি”। আনুচিং মারমার মত অনেক নারীই এভাবে স্কুটি ব্যবহারকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পার্বত্য অঞ্চলে। সবুজ পাহাড়ের নিরিবিলি পথ বেয়ে স্কুটি চালাতে তারা বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। পাহাড়ি কঠিন জীবনের অবসান ঘটাতে তারা এখন আধুনিকায়নে যুক্ত হচ্ছে দিনের পর দিন।

Top