জনবল সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে সুনামগঞ্জ সরকারি মহলিা কলজে, ৬ বছর ধরে ৯টি বভিাগ শক্ষিক শূন্য

IMG20180717183520.jpg

আশসি রহমান :
জলোর নারীদরে উচ্চ শক্ষিা গ্রহণরে একমাত্র বদ্যিাপীঠ সুনামগঞ্জ সরকারি মহলিা কলজে। জলো শহররে প্রাণকন্দ্রেে অবস্থতি সুনামগঞ্জ সরাসরি মহলিা কলজে ১৯৮৬ সালে প্রতষ্ঠিতি হলওে কলজেটরি সরকারকিরণ করা হয় ১৯৯৭ সালে । প্রায় আড়াইহাজার শক্ষর্িাথী অধ্যুষতি এই কলজে ২০১১ সালে ডগ্রিি র্পযায়ে উন্নীত করা হয়। ডগ্রিতিে উন্নীত হওয়ার ময়োদ ইতোমধ্যে র্দীঘ কয়কে বছর পরেয়িে গলেওে এখনো র্পযন্ত নতুন কোন পদ সৃষ্টি হয়নি এই প্রতষ্ঠিাটতি।ে এ যনে গোড়ায় গলদ। পদ সৃষ্টি না হওয়ায় প্রশাসনকি স্থবরিতায় শুরুতইে থমকে আছে প্রতষ্ঠিানট।ি অন্যদকিে সুনামগঞ্জ সরকারি মহলিা কলজেরে ফজিক্সি, কমেস্ট্রে,ি বায়োলজ,ি ম্যাথ, মনোবজ্ঞিান, রাষ্ট্রবজ্ঞিান, যুক্তবিদ্যিা ও ইতহিাসসহ র্সবমোট নয়টি বভিাগে শক্ষিক পদ শূণ্য র্দীঘ দনি যাবৎ। এদরে কোনো কোনোটতিে প্রায় ছয় বছর ধরে আবার কোনোটতিে ছয় বছররেও অধকি সময়ধরে কোনো শক্ষিক নইে। জানা যায়, শক্ষিক না থাকায় সুনামগঞ্জ সরকারি মহলিা কলজেরে নয়টি বভিাগে পাঠদান সর্ম্পূণভাবে বন্ধ রয়ছে।ে এতে বপিাকে পরছনে শক্ষর্িাথীরা। সনামধন্য এই কলজেটওি হারাতে বসছেে জৌলুস। শক্ষিক সংকটরে কারণে অন্যান্য শক্ষিা প্রতষ্ঠিানরে সাথে প্রতযিোগতিামূলক অবস্থান থকেে সরে এসছেে এই প্রতষ্ঠিানট।ি খোঁজ নয়িে জানা গছে,ে যসেব কলজেে দশজন কংিবা আরো অধকি শক্ষিক রয়ছেে সখোনে নতুন শক্ষিক নয়িোগ দওেয়া হচ্ছ।ে অথচ সুনামগঞ্জ সরকারি মহলিা কলজেরে নয়টি বভিাগ শক্ষিক শূন্য থাকার পরওে এখানে অদৃশ্য কারণে কোনো শক্ষিক নয়িোগ দওেয়া হচ্ছনো। শক্ষিক শূণ্যতার কারণে পাঠদানরে ঘাটতি থাকায় এই প্রতষ্ঠিানটরি পাসরে হার দনি দনি কমতে শুরু করছে।ে কলজে বমিুখ হয়ে পরছনে শক্ষর্িাথীরা। এতে শক্ষর্িাথীদরে ভবষ্যিৎ নয়িে শঙ্কতি শক্ষর্িাথীদরে অভভিাবকরা। র্দীঘ দনি যাবৎ শক্ষিক শূণ্য থাকার বষিয়টি সংশ্লষ্টি র্উধ্বতন র্কতৃপক্ষকে বার বার অবহতি করা হলওে প্রতষ্ঠিানটরি এহনে করুন দশায় সংশ্লষ্টি র্কতৃপক্ষ আজোবধি কোনো ধরনরে পদক্ষপে নয়েনি বলে জানা যায়। আমলাতান্ত্রকি জটলিতা কংিবা র্উধ্বতন র্কতৃপক্ষরে উদাসীনতায় আটকে আছে সুনামগঞ্জ সরকারি মহলিা কলজে ও কলজেরে শক্ষর্িাথীদরে ভবষ্যিৎ এমনটইি জানয়িছেনে প্রতষ্ঠিানটরি একাধকি শক্ষর্িাথী ও অভভিাবকরা। কলজেে র্কমরত একাধকি শক্ষিক জানান, এমনতিইে শক্ষিক সংকট থাকায় আমাদরে বাড়তি চাপ নতিে হচ্ছ।ে অন্যদকিে নয়টি বভিাগইে কোনো শক্ষিক নইে। আমাদরে যভোবে সময় যাচ্ছে তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এই প্রতষ্ঠিানে চাকরি করা এখন মাথা বোঝা চাপানোর মতোন অবস্থা হয়ে দাড়য়িছে।ে একাধকি শক্ষর্িাথীরা বলনে, শক্ষিক না থাকায় ক্লাস হচ্ছনো। আমরা পাঠদান থকেে বঞ্চতি হচ্ছ।ি পাঠদানরে ঘাটতি পূরণ করতে অন্য প্রতষ্ঠিানরে শক্ষিকদরে কাছে প্রাইভটে পড়তে হচ্ছ।ে প্রাইভটে পড়ার ওপর নর্ভিরশীল হয়ে পরছি আমরা। আবার অস্বচ্ছল পরবিাররে অনকেে র্আথকি অস্বচ্ছলতার কারণে প্রাইভটে পড়তে পারছনো। তাছাড়া প্রাইভটে পড়ার মতো র্পযাপ্ত দক্ষ শক্ষিকও পাওয়া যাচ্ছনো। এই পরস্থিতিতিে আমরা উভয় সংকটে আছ।ি এই কলজেে র্ভতি হয়ে আমরা উপরন্তু পড়াশোনা থকেে পছিয়িে পরছ।ি সংশ্লষ্টি সূত্রে জানা যায়, শুধু শক্ষিক সংকটই নয়, রয়ছেে প্রতষ্ঠিানটরি অন্যান্য পদে লোকবল সংকটও। র্পযাপ্ত লোকবল না থাকায় পরীক্ষা কন্দ্রে হওয়ায় সুনামগঞ্জ সরকারি মহলিা কলজেে প্রায় ১৬টি পরীক্ষা অনুষ্ঠতি হয়। ৬২ জনরে মধ্যে বভিন্নি পদে র্কমরত আছনে মাত্র ৭জন। এতে কাজরে বাড়তি চাপ ও নানান ঝামলো পোহাতে হয় প্রতষ্ঠিানটতিে র্কমরত শক্ষিক- র্কমচারীদরে। এছাড়া এই প্রতষ্ঠিানটরি অবকাঠামোগত সঙ্কট ও সমস্যা রয়ছে।ে এব্যাপারে সুনামগঞ্জ সরকারি মহলিা কলজেরে অধ্যক্ষ পরাগ কান্তি বলনে, আমাদরে কছিুই করার নইে। এখন আমরা অনকেটাই নরিুপায়। শক্ষিক শূন্যতার বষিয়টি শক্ষিামন্ত্রনালয়কে প্রতি মাসইে অবহতি করছ।ি স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং র্অথ প্রতমিন্ত্রী মহোদয়কওে বষিয়টি জানয়িছে।ি কন্তিু এখানো র্পযন্ত কোনো কাজ হয়ন।ি এই প্রতষ্ঠিানটরি সমস্যা ও সংকটরে শষে নইে। শক্ষিক সংকটরে ধরুন প্রতষ্ঠিানটি এখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম বলা যায়।

Top