কৃষিখাতে জগন্নাথপুরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আলোর ফাঁদ

29344923_1886659684691193_570787152_n.jpg

জুয়েল আহমদ,জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::

ফসলের ক্ষতিকর পোকা দমনে বিষাক্ত কিটনাশক ব্যবহার হয় যা বেশ ব্যয়বহুল এবং পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ধান ও বিভিন্ন প্রকার সবজিসহ কৃষকের খামারে কিটনাশকের এর বিকল্প হিসেবে আলোর ফাঁদ দিয়ে ক্ষতিকর পোকা মাখড় দমন বেশ কার্যকর। এর মাধ্যমে ক্ষেতের জন্য উপকারী পোকাও শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরিবেশবান্ধব এ পদ্ধতি দেশের বিভিন্ন স্থানের কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। রোপা আমনের পাশাপাশি সবজি ক্ষেতের পোকা ধ্বংসে আলোর ফাঁদ ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহ দিতে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ১ হাজার হেক্টর জমিতে পোকা ধমনে ইতিমধ্যে ৪০টি আলোর ফাঁদ প্রর্দশনী সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

গত শনিবার রাত ৯ টায় উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের গন্ধব্বপুর গ্রামে কৃষক হাজী এখলাছুর রহমান আখলই এর বোরো জমিতে আলোর ফাদেঁর মাধ্যমে পোকা মাকড় ধমন করা হয়েছে। এ সময় এলাকার উৎসুক কৃষক প্রর্দশনী দেখতে জড়ো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন রানীগঞ্জ ও পাইলগাঁও ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা কৃষি কর্মকর্তা মো.দেলোয়ার হোসেন, কৃষক মো.মাসুক মিয়া,সাংবাদিক মো. গোলাম সারোয়ার, কৃষক আব্দুল হামিদ মহরির,মো.সুজাত আলী,সাদ্দাম হোসেন মায়া, ফখরুল ইসলাম,জুয়েল আহমদ,আশরাফুল আলম জিলহজ্জ,নাদিম হোসেন, এমরুল কায়েস, মো.নুর হোসেন,আবু বক্কর, সৈয়দ মমসাদ আহমদ প্রমুখ।

এসব ফাঁদে ক্ষতিকর কোনো পোকার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। উপজেলার ৪০ আলোক ফাঁদে উপকারী ড্যাম সেল ফ্লাই পোকা পাওয়া গেলেও ক্ষতিকর মাজরা পোকা পাওয়া গেলেও বাদামি গাছফড়িং পাওয়া যায়নি বলে জানান উপজেলা কৃষি অফিসার মো.শওকত মজুমদার তিনি জানান, ধান গাছে ভাইরাস সংক্রমণকারী পোকার উপস্থিতি সহনীয় মাত্রায় রয়েছে এবং সাধারণ কিছু পোকার উপস্থিতি রয়েছে। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন পোকামাকড় ধানক্ষেতে আক্রমণ করে থাকে।এজন্য জমির পাশের আইলগুলোয় গাছের ডাল পুঁতে সেখানে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা একটি বাল্ব জ্বালিয়ে রাখা হয়।এর নিচে পাত্রে পানি ঢেলে রাখা হয়। অন্ধকারে পোকামাকড় লাইটের আলোয় চলে আসে এবং গরম বাল্বের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পানিতে পড়ে যায়।

Top