বাপ্পী রাম রায়,
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। প্রার্থী ও তাদের সমর্থক কর্মী বাহিনী কাকডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল মামুন (নৌকা), বিএনপি’র মশিউর রহমান সবুজ (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ ডাবলু (লাঙ্গল), এনডিপির আহসান হাবীব মাসুদ (সিংহ), স্বতন্ত্র খয়বর হোসেন মওলা (নারিকেল গাছ), স্বতন্ত্র দেবাশীষ কুমার সাহা (মোবাইল), স্বতন্ত্র আল শাহাদাত জিকো (জগ)। তবে মেয়র প্রার্থী খয়বর হোসেন মওলা ও দেবাশীষ কুমার সাহা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেয়ায় তাদেরকে আওয়ামী লীগ থেকে সম্প্রতি বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা ১১ জনসহ কাউন্সিলর পদে ৩৩ জন নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন।সুন্দরগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের মতামত নিয়ে জানা গেছে, দু'বার নির্বাচিত মেয়র আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী খয়বর হোসেন মওলার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে হাড্ডাহাড্ডি। একদিকে যেমন সাবেক মেয়র নৌকার মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন ক্ষমতা ধরে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। অপরদিকে বহিস্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা খয়বর হোসেন মওলা নারিকেল গাছ নিয়ে বিজয়ী হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন।খয়বর হোসেন মওলা দাবি করেন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে পৌরবাসী তাকে নির্বাচিত করবে। নৌকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নেওয়ার জন্য পৌরবাসী তাকে নির্বাচিত করবে।অন্যদিকে জাতীয় পার্টির আব্দুল রশিদ সরকার ডাবলুর নির্বাচনী প্রচারণাও বেশ চোখে পড়ার মতো। সভা-সমাবেশ উঠান বৈঠকসহ তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন নিয়মিত। তিনিও বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এবার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ভোটকেন্দ্রের ৪৪টি ভোটকক্ষে ১৪ হাজার ৭১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ৮শ’ ৬৩ জন ও মহিলা ৭ হাজার ২শ’ ৮ জন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রফিকুল ইসলাম
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০