ফরহাদ আমিন:
মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি বাংলাদেশী মাছ ধরার তিনটি ট্রলার আটকের তিন ঘন্টা পর ছেড়ে দিয়েছে।
বুধবার(১৬জুলাই)সন্ধ্যা বঙ্গোপসাগরের মেরুল্ল্যা নামক এলাকা থেকে তাদের ছেড়ে দেয়।এরআগে বিকাল৪টার দিকে সেন্টমার্টিনের অদূরে মেরুল্ল্যা নামক বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ নিয়ে টেকনাফ ঘাটে আসার পথে তিনটি ট্রলারসহ২১জেলে আটক করেছিল আরকান আর্মি।এসব ট্রলার থেকে মাছ,জাল নিয়ে ফেলেছে তারা।
বুধবার রাতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ পৌর বোট মালিক সমবায় সমিতির অর্ন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটি পরিচালক সাজেদ আহমদ।
ট্রলার মালিকরা বলেন,বৈরী আবহাওয়া শেষে সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাট থেকে অর্ধশতাধিক মাছ ধরার ট্রলার সাগরে মাছ শিকারে যায়।মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকালে টেকনাফ ঘাটে ফেরার পথে সেন্টমার্টিনের অদূরে মেরুল্ল্যা এলাকায় সাগরে আয়ুব মাঝি,আবদুল হামিদ মাঝি ও নুরু মাঝিদের ধাওয়া করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি তিনটি ট্রলারসহ২১জন মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি(এএ)।এরপর মিয়ানমারের মেরুল্ল্যা খালে আরাকান আর্মির হেফাজতে তাদের নৌঙর রাখার তিন ঘন্টা পর,মাছ-জাল নিয়ে ফেলে ছেড়ে দেয়।
ট্রলার মালিক রশিদ উল্লাহ বলেন,মিয়ানমার আরাকান আর্মি
মাছ ধরার তিনটি ট্রলার আটকের তিন ঘন্টা পর ট্রলারগুলো থেকে মাছ,জাল নিয়ে ফেলে ছেড়ে দিয়েছে।এধরণের হলে আমরা কি ভাবে পরিবার চালাবো।আমরা সাধারণ মানুষ সাগরে ও স্থলে কোনভাবেই নিরাপদ নই।শাহপরীরদ্বীপ গুলাচর নামক এলাকায় চর জেগেছে?সেই পদ দিয়ে জোয়ারের সময় ট্রলার চলাচল করতে পারলেও ভাঁটার সময় ট্রলার চলাচল করা সম্ভব না।কতো কষ্ট করে মৎস্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা দার নিয়ে বাজার-সদাই করে সাগরে মাছ ধরতে পাঠানো হয় জেলেদের।আল্লাহ যদি আমাদের ট্রলারের জালে রিজিক দেয়।এরপর মাছ গুলো নিয়ে যখন ট্রলার ঘাটে আসলে আমাদের চিন্তা চলে যায়।যতক্ষণ সাগর থেকে ঘাটে ট্রলার ফিরে আসে না আমরা মালিক ঘুমাতে পারি না টেনশনে।এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
টেকনাফ পৌর বোট মালিক সমবায় সমিতির অর্ন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটি পরিচালক সাজেদ আহমদ বলেন,আরাকান আর্মি তিনটি ট্রলারসহ২১জেলেকে আটক করার পর ছেড়ে দিয়েছে।তিনটি ট্রলার থেকে মাছ ও জাল কেড়ে নেয়।জেলেদের মারধর করেছে কিনা জিজ্ঞেস করলে ট্রলার ঘাটে এখনো পৌছায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রফিকুল ইসলাম
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০