কক্সবাজারের রামু উপজেলার আলোচিত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি আক্তার কামাল (৪২)-কে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫, কক্সবাজার এবং র্যাব-৯, সিলেট।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস, চরমপন্থা, মাদক, অস্ত্র, হত্যা, অপহরণসহ সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ ও র্যাব-৯ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
জানা যায়, গত ২৫ জুন ২০২৬ ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় নিজ বাড়িতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মো. সৈয়দ হোসেন (৪৯)। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে রামু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫-এর সদর কোম্পানি এবং র্যাব-৯, সিলেট সদর কোম্পানির আভিযানিক দল আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে ব্যাপক নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালী থানাধীন শাহী ঈদগাহ এলাকার বিসমিল্লাহ পয়েন্টের গ্রাম বাংলা টি স্টলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি আক্তার কামালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্বীকার করেন যে, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি কক্সবাজার থেকে পালিয়ে সিলেট মহানগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকায় আত্মগোপন করে ছিলেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে থাকতে পারেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আক্তার কামাল কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালারপাড়া টোঙ্গারডেবা এলাকার হামজা আলীর ছেলে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানিয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক :
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
যোগাযোগের ঠিকানা : হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০, মোবাইল : ০১৭৮৯৩৭২৩২৮
Copyright © 2026 newsvision. All rights reserved.