ভারতের ‘ককোরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির ইন্ডিয়া গেট থেকে দিল্লি পুলিশ সদর দপ্তর পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছে। এক বিবৃতিতে সিজেপি জানায়, সরকারে বিশ্বাসঘাতকতা মনোভাবের কারণে আবারো রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছে দলটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রতিবাদের ঘোষণা দিয়ে দলটির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, গত ২৫ জুলাই তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কেন্দ্রীয় সরকার আদৌ বাস্তবায়ন করতে চায় কি না—মিছিল থেকে সেই প্রশ্ন তোলা হবে।
দলটি জানিয়েছে, মিছিলটি ইন্ডিয়া গেট থেকে শুরু হয়ে নয়াদিল্লি পুলিশ সদর দপ্তরে গিয়ে শেষ হবে। এতে নেতৃত্ব দেবেন প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবার এবং ২০ জুলাই আন্দোলনে পুলিশের ‘নির্যাতনের’ শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা।
এক বিবৃতিতে সিজেপি জানায়, ২০২৬ সালের ২৫ জুলাই দেশের তরুণদের কাছে ভারত সরকার এবং বিজেপি/এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলোর যে প্রতিশ্রুতিগুলো রাখা হয়েছিল তার কতুটুকু বাস্তবায়ন করা হয়েছে?—এগুলো পর্যালোচনা করতে দলের জাতীয় ওয়ার্কিং কমিটি কাজ করেছে। এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই তরুণদের দেশব্যাপী আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়েছিল বলে জানায় সিজেপি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এক মাস ধরে সরকার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের পরিবর্তে সময়ক্ষেপণ করছে, নানা কারিগরি জটিলতার আড়ালে লুকাচ্ছে এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সামনেও স্পষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে এড়িয়ে যাচ্ছে।’
দলটির দাবি, সুপ্রিম কোর্ট একাধিকবার কেন্দ্রীয় সরকারকে সারা দেশে দায়ের হওয়া এফআইআরগুলোর তালিকা দিতে বলেছে, যাতে আদালত সেগুলো একসঙ্গে বাতিলের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।
তবে সরকার এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বলে দাবি করেছে সিজেপি। একই সঙ্গে দলটির কাছে সরকারের লিখিত আশ্বাসও এখনো দেওয়া হয়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
৫ সেপ্টেম্বরের মিছিলের ঘোষণা দিয়ে সিজেপি বলেছে, ‘আমরা রাস্তায় ফিরতে বাধ্য হয়েছি কারণ সরকার এই দেশের তরুণ প্রজন্ম, জেন জি, এবং যে পরিবারগুলো ইতোমধ্যে তাদের সন্তান হারিয়েছে, তাদের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে মনে হচ্ছে।’
সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া
সম্পাদক ও প্রকাশক :
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
যোগাযোগের ঠিকানা : হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০, মোবাইল : ০১৭৮৯৩৭২৩২৮
Copyright © 2026 newsvision. All rights reserved.