দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেওয়া ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আগামী সাত দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে দেওয়া না হলে অথবা পদত্যাগ না করলে দেশজুড়ে নতুন করে আন্দোলন শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি। গতকাল রোববার ভারতের ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও চাকরির নিয়োগে দুর্নীতির প্রতিবাদে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে শত শত ছাত্রছাত্রী, তরুণ পেশাজীবী এবং সমর্থকদের নিয়ে বিক্ষোভের পর দলটি এ ঘোষণা দিয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান। এ সময় তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এঙ্ েদেওয়া এক পোস্টে সিজেপি বলেছে, আগামী ৭ দিনের মধ্যে সরকার ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত না করলে সিজেপি নতুন করে বিক্ষোভের ডাক দেবে। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এক পোস্টে বলেছেন, ‘‘আন্দোলন কেবল শুরু হয়েছে। গত শনিবার আমাদের হাজার হাজার অনুসারী ইতিহাস তৈরি করেছে। একজোট হলে তেলাপোকাও কী করতে পারে, তা আমরা যন্তর মন্তরে সরকারকে দেখিয়ে দিয়েছি।’’ অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো বিপুল উপস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক অংশগ্রহণকারী এর আগে কখনও কোনও বিক্ষোভে অংশ নেননি। কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে হতাশা থেকে তারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। আমরা যদি আওয়াজ না তুলি তাহলে পরিবর্তন আসবে না। অভিজিৎ বলেন, কেন্দ্র যদি দাবি মেনে না নেয়, তাহলে আন্দোলন চলবে। আমরা এখানে থামবো না। ধর্মেন্দ্র প্রধান একটি পুরো প্রজন্মের প্রতি অন্যায় করেছেন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি তাকে সরানো না হয় বা তিনি পদত্যাগ না করেন, তাহলে আমরা আবার মাঠে নামব। যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ ছিল ককরোচ জনতা পার্টির প্রথম মাঠপর্যায়ের বড় সমাবেশ। অনলাইনে এই আন্দোলনের শুরু হয়েছিল। এরপর ক্রমেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। তেলাপোকার মুখোশ পরে বিক্ষোভকারীরা নিট, সিবিএসইসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক :
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
যোগাযোগের ঠিকানা : হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০, মোবাইল : ০১৭৮৯৩৭২৩২৮
Copyright © 2026 newsvision. All rights reserved.