টানা ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত সীমান্তবর্তী এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) বন্যাকবলিত ও দুর্গত পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, টানা ভারী বর্ষণের কারণে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজিবি।
এদিন ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জামছড়ি, ফুলতলী, ভালুখাইয়া, লেম্বুছড়ি, দোছড়ি ও মিলেনপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সাপমারাঝিড়ি, বাহিরমাঠ, হাজিরমাঠ, ডাক্তারকাটা, বামহাতিরছড়া, ম্যান্ডেলপাড়া ও দোছড়িপাড়া গ্রামের পাহাড়ি ও বাঙালি দিনমজুর, অসহায় এবং হতদরিদ্র ১৯০টি পরিবারের মাঝে মোট ৪৬০ প্যাকেট রান্না করা খাবার ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে বিজিবির সদস্যরা আন্তরিকতার সঙ্গে উপকারভোগীদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি চলমান দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের উদ্ধার, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে বিজিবির এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
সম্পাদক ও প্রকাশক :
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
যোগাযোগের ঠিকানা : হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০, মোবাইল : ০১৭৮৯৩৭২৩২৮
Copyright © 2026 newsvision. All rights reserved.