সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ৩০ জুলাই মাত্র তিন দিন বয়সী নবজাতক আফরা মনি শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞের অধীনে ভর্তি হয়। টানা তিন দিন চিকিৎসা শেষে গত ২ আগস্ট শিশুটি সুস্থ হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ছাড়পত্র (ডিসচার্জ) প্রদান করেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, রোগীর স্বজনের অনুরোধে চার দিনের পরিবর্তে তিন দিনের সিট ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। মোট বিল ছিল ৮ হাজার ৫০ টাকা। পরবর্তীতে দুই দফায় ১ হাজার ৩৫০ টাকা ছাড় দিয়ে সর্বমোট ৬ হাজার ৭০০ টাকা গ্রহণ করা হয় এবং রোগীর পরিবার সন্তোষজনকভাবে হাসপাতাল ত্যাগ করে।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, চিকিৎসাকালীন কিংবা বিল পরিশোধের সময় হাসপাতালের পরিচালক, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের কোনো ধরনের তর্ক-বিতর্ক হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে রোগীপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগও দাখিল করা হয়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে যে, পরবর্তীতে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র চাঁদা দাবি করে এবং দাবি পূরণ না হওয়ায় আংশিক বিলের ফটোকপি ও সম্পাদিত তথ্য ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘২১০০ টাকা সার্ভিস চার্জ’ ও ‘২১০০ টাকা ডাক্তার ফি’সহ বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে।
চিকিৎসা ব্যয়ের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ফি ৫০০ টাকা, এমবিবিএস মেডিকেল অফিসারের ফি ২০০ টাকা এবং সিট ভাড়া ৭০০ টাকা, যা দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। ভর্তি রোগীদের দিনে একাধিকবার চিকিৎসক দেখলেও অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয় না। দরিদ্র রোগীদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।
এ সময় হাসপাতালের আধুনিক চিকিৎসাসেবা, সিটি স্ক্যান, ডায়ালাইসিস ইউনিট, ফিজিওথেরাপি, ট্রমা সেন্টার ও উন্নত ল্যাব সুবিধার কথাও তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে চকরিয়াবাসীকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, এ ধরনের অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে এলাকার মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারে এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চকরিয়ায় সেবা প্রদানে নিরুৎসাহিত করতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক :
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
যোগাযোগের ঠিকানা : হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০, মোবাইল : ০১৭৮৯৩৭২৩২৮
Copyright © 2026 newsvision. All rights reserved.