

অধ্যাপক শামসুল হুদা লিটনঃ
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের মাসিক বেতন থেকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন করা হচ্ছে- তা কেন অবৈধ হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট।
৮ ডিসেম্বর রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
শিক্ষক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব,অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের সচিবসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শিক্ষকদের পক্ষে রিট করেন এডভোকেট দেব দুলাল দাস এবং ওয়াজিউদ্দিন।
বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক শিক্ষকদেরএমপিও হতে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তনের স্থগিতাদেশ চেয়ে গত ২০ নভেম্বর শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এ রিট করা হয়।
শিক্ষকদের পক্ষে রিট করেন শ্রীমঙ্গলের বিপ্লব কান্তি দাস, সিরাজগঞ্জের জিএম শাওন, কমিল্লার কামরুল হাসান ও ময়মনসিংহের তোফায়েল সরকার। বাদীরা সবাই বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী।
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল ইসলাম মাসুদ জানান, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের বিভিন্ন বৈষম্যের কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছে।
অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে আমরা বিভিন্ন সময়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যর্থ হয়েছি। সর্বশেষ আমাদের ফোরামের সদস্যরা গত ২০ নভেম্বর আদালতে রিট করেন। এর প্রেক্ষিতে আজ হাইকোর্ট সরকারের প্রতি রুল জারি করেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য চার শতাংশ ও কল্যাণে দুই শতাংশ হারে চাঁদা কর্তনের নিয়ম ছিল। নতুন আদেশে তা বৃদ্ধি করে ছয় ও চার শতাংশ করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রফিকুল ইসলাম
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০