মহেশখালী প্রতিনিধি :
মহেশখালী ঘাটে জালাল নামের এক ব্যক্তির দৌ রাত্ম্যে বেড়ে গেছে। কারণে-অকারণে পর্যটকসহ জেটিতে আসা মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে। ফলে সাধারণ মানুষ জালালের এহেন আচরণে চরম হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ,সচেতন মহল এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা যায়, মহেশখালী জেটি ঘাটের গোলচক্কর এলাকায় জালাল নামের এই ব্যক্তির দীর্ঘদিন ধরে লাগামহীন সন্ত্রাসী আচরণ ও বর্বর দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনসাধারণসহ আগত পর্যটকবৃন্দ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ—প্রতিদিন তার হুমকি, মারমুখী আচরণ এবং দুর্ব্যবহারের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এমনকি তার নিষ্ঠুর কার্যকলাপ দেখে শিশুরাও ভয়ে কান্নাকাটি করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জালালের সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ টোকাই চক্র সক্রিয়ভাবে যুক্ত, যা স্থানীয় নিরাপত্তার জন্য আরও বড় হুমকিস্বরূপ। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত অসংখ্য যাত্রী প্রতিদিন মহেশখালী ঘাট ব্যবহার করে থাকেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একজন অসভ্য ও নৃশংস ব্যক্তির দাপট সভ্য সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও বিপজ্জনক।
সচেতন মহল মনে করছেন, জালাল কেবল একজন ব্যক্তি নয়, বরং তার কার্যকলাপ গোটা এলাকার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা জোর দাবি জানাচ্ছেন—অবিলম্বে তাকে অপসারণ করে আইনের আওতায় এনে তার স্থলে একজন সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পায় এবং মহেশখালী ঘাট এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসে।
উপজেলা প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের আহ্বান- বিলম্ব না করে জালালের এ আচরণের ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অরাজকতা সৃষ্টি করতে সাহস না পায়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রফিকুল ইসলাম
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০