ঢাকারবিবার , ১৬ জুনe ২০২৪
  1. সর্বশেষ
  2. সারা বাংলা

বড় মহেশখালীতে নকল ঔষধ খেয়ে রোগির অবস্থা সংকাটাপন্ন : বিক্ষুব্দ জনতার ফার্মেসি ঘেরাও

প্রতিবেদক
নিউজ এডিটর
২৬ নভেম্বর ২০১৯, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

Link Copied!

মহেশখালী প্রতিনিধি :

বড় মহেশখালীতে নকল ঔষধ খেয়ে এক রোগীর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার পটভূমিতে বিক্ষুদ্ধ জনতা ওই ঔষদ বিক্রিকারি ফার্মেসি ঘেরাও করেছে। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। অসুস্থ রোগির অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্রের অভিযোগ থেকে জানা যায়, বড় মহেশখালীর বড়ডেইল এলাকার এক নারী সন্তান প্রসবজনিত কারণে গত ২০ নভেম্বর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে অপারেশন হয়। ২৩ নভেম্বর ওই রোগিকে হাসপাতাল থেকে অব্যহতি দেওয়া হলে মহেশখালীর বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে ওই দিন বিকেলে বড় মহেশখালী নতুন বাজারের জনকল্যাণ ফার্মেসি প্রকাশ বেলালের ফার্মেসী নামের একটি ঔষধের দোকান থেকে ডাক্তারে প্রেসক্রিপশনমত ঔষধ কিনে নিয়ে তা খেতে শুরু করেন। ঔষধ খাওয়ার পর অপরেশনের ওই নারী রোগীর শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই রোগির অভিবাবকগণ ডাক্তারের পরামর্শ নেয়। ডাক্তার দোকান থেকে কেনা ঔষধে সমস্যা রয়েছে বলে জানান।

রোগির স্বামী বড় মহেশখালী বড়ডেইল এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ নুর জানান নতুন বাজারের জনকল্যাণ ফার্মেসি থেকে কেনা ঔষধের সাথে ডাক্তার কর্তৃক প্রেসক্রিপশনে লেখা ঔষধের সাথে মিল ছিলো না। পরে গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে রোগির অভিভাবক সৈয়দ নুর প্রেসক্রিপশন ও অবশিষ্ট ঔষধ নিয়ে বড় মহেশখালীর ওই ঔষধের দোকানে যান। এ সময় তিনি এ দোকান থেকে কেনা ঔষধ খেয়ে তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার কথা জানান ফার্মেসির মালিক মোঃ বেলালকে। এ সময় বেলাল বেশ উত্তেজিত হয়ে ওই ক্রেতাকে নাজেহাল করতে থাকে। এক পর্যায়ে তার কাছ থেকে ঔষধ কেড়ে নিয়ে ঔষধগুলো নষ্ট করে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। পরে ঔষধগুলো প্যাকেটের ভেতর নষ্ট ছিল বলে জানিয়ে তাকে টাকা ফেরত দেন। ইতোমধ্যে আরও বেশ কয়েকজন রোগি ও তাদের অভিভাবক ওই দোকানের সামনে গিয়ে বিভিন্ন সময় তাদেরকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ ও ডাক্তারের লেখা ঔষধ না দিয়ে নাম সর্বস্ব কোম্পানির ঔষধ দেয় বলে অভিযোগ করতে থাকেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিক্ষুব্দ জনতা ও সাধারণ লোকজন মানুষের জীবন মরণ অবস্থা নিয়ে এমন অবৈধ ব্যবসা করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় খবর পেয়ে এক দল সংবাদিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং দোকান মালিক বেলাল এর কাছ থেকে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় বেলাল বলেন, মূলতঃ সৈয়দ নুরকে দেওয়া ঔষধগুলো প্যাকের ভেতর নষ্ট ছিলো, এটা খেয়াল না করে ভূলক্রমে ভুলক্রমে ঔষধগুলো বিক্রি করা হয়েছিল। পরে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ থেকে জানাযায়, দীর্ঘদিন থেকে জনৈক নেতার প্রভাব খাটিয়ে এ দোকানে নকল ঔষদ বিক্রি করে আসছিল। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে লেখা ঔষধ না দিয়ে অধিক লাভের আশায় বিভিন্ন অননোমুদিত কোম্পানির ঔষধ ঢুকিয়ে দেয়। তাছাড়া ফার্মেসি ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্সসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র লাগলেও এ দোকান কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়া ব্যবসা করে আসছিল বলে সূত্রের অভিযোগ।

67 Views

আরও পড়ুন