সাংবাদিক মইনুল আহসানকে সন্ত্রাসী কর্তৃক প্রাণনাশের হুমকি !!

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯

আব্দুল গফুর,স্টাফ রিপোর্টার:

সাংবাদিক আবু মোহাম্মদ মইনুল আহসান(হাসান)কে মোহন নামের এক সন্ত্রাসী প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে কদমতলী থানাধীন গিরিধারা আবাসিক এলাকায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়,রাত আনুমানিক ১১টায় দায়িত্ব পালন শেষে গিরিধারার বাসায় রওনা হলে বাসার কাছাকাছি মানিকের দোকানের সামনে একটি ট্রাক কোন ধরনের হরণ বা সিগন্যাল না দিয়ে পাশের দোকানদার জাহেদ ও সাংবাদিক হাসানের একদম কাছাকাছি চলে আসে। উপায়ান্তর না দেখে দু’জনই মানিকের মুদির দোকানে ঢুকে গেলে অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচে যায়। ড্রাইভার যখন ট্রাকটি থামাল তখন দোকানদার জাহিদ ড্রাইভারের সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ড্রাইভার ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন।
ঘটনা কিন্তু এখানেই শেষ হতো কিন্তু কোত্থেকে সন্ত্রাসী মোহন এসে ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে! দোকানদার জাহিদ যখন মোহনকে বলল, ভাই অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি তখন মোহন বললো গাড়িটি আমার, মরে গেলেও কিছু যায় আসে না। তখন সাংবাদিক হাসান কথা বলতে গেলে তাঁর উপর মারমুখী হয়ে তেড়ে আসে একপর্যায়ে হাত পর্যন্ত তুলে। উচ্চ বাক্যে বিভিন্ন রকমের গালিগালাজ করতে শুরু করে। সাথে সাথে প্রাণ নাশের ও হুমকি প্রদান করে। অনেক সাংবাদিককে মেরে হজম করার দাম্ভিকতাও দেখায় সন্ত্রাসী মোহন। বেশি কথা বললে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। লোহার রড নিয়ে তেড়ে আসলে দোকানদার ও পথচারির হস্তক্ষেপের কারণে সাংবাদিক হাসান প্রাণে বেঁচে যান।
এ ব্যাপারে কদমতলী থানার সহযোগিতা চাইলে সাথে সাথে কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জামাল উদ্দিন মীর ঘটনা স্থলে এএসআই রিসাদের নেতৃত্বে একদল ফোর্স পাঠিয়ে দেন। ঘটনাস্থলে এএসআই রিসাদ এসে দোকানদার সহ এলাকার বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপ করে বিস্তারিত জেনে নেন।
তারপর সাংবাদিক হাসানকে আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। তার পরামর্শে কদমতলী থানায় গিয়ে সন্ত্রাসী মোহনের নামে ০৭/১০/২০১৯ইং তারিখে একটি সাধারণ ডায়রি করেন। যার নাম্বার:– ৪৭০। সন্ত্রাসী মোহনকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লোক তাঁর কুকীর্তির ব্যাপারে অনেক কিছুই বলেন,যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে।
পরবর্তীতে সন্ত্রাসী মোহনের ছবি সহ বিস্তারিত পত্রিকায় প্রকাশিত হবে।