শেষ মূহুর্তে সুন্দর প্রতিমা তৈরি করার লক্ষে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ডিমলার কারিগর’রা।

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১২:৪৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০১৯

সাগর চন্দ্র রায়, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

এই শরতে আকাশের আলোতে যেন আনন্দময়ীর আগমনী নিমন্ত্রণ আসছে। জাতিসত্ত্বা, স্বতন্ত্রবোধ, ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য মিশে আছে এ সূচনা লগ্নে।
দেবী দূর্গার আগমনে সকলের জীবনে নেমে আসুক সমৃদ্ধি। ধন-ধান্য ভরে উঠুক জনপদ অনন্ত ধারায় ভরে উঠুক সবার জীবন।
নীলফামারী জেলায় জলঢাকা উপজেলায় ৭নং ধর্মপাল ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডের রশিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠ প্রাঙ্গনে সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরে দিন রাত পরিশ্রম করতেছেন ডিমলার কারিগর’রা।
৪ অক্টোবর শুক্রবার থেকে ৮ টে অক্টোবর পর্যন্ত শারদীয় দূর্গা উৎসব চলবে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ডিমলা উপজেলার কারিগর’রা দিন রাত পরিশ্রম করে প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পূর্ন করতেছেন। প্রতিমা তৈরির জন্য কারিগর’রা ১৮ হাজার টাকা নিয়েছেন। পূজা কমিটির সভাপতি শ্রী মধু চন্দ্র রায়, সেক্রেটারি শ্রী প্রদীপ চন্দ্র রায় অর্থ সম্পাদক শ্রী মধু রাম রায়, মাড়েয়া শ্রী হরি রায়। কারিগর’রা জানান আকাশের আবহাওয়া খারাপ থাকায় বৃষ্টির কারনে আমরা প্রতিমা তৈরির কাজ ধীর গতিতে চালাচ্ছি। কমিটি বৃন্দরা জানায় গত বছরের তুলনায় এ বছরের পূজা খুব অানন্দময় হবে বলে আশা করেন। পূজা চলা কালীন শুশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য প্রশাসনিক সহযোগিতা থাকবে। শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে সরকারি বরাদ্দ ৫০০ কেজি চাউল। শারদীয় দূর্গা মন্দিরে ৭ অক্টোবর সারা দিন ধরে ভক্তদের মাঝে পেট পুরে প্রসাদ বিতারনের ব্যবস্থা করা রয়েছে। দূর্গা পূজায় ৪ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ভক্তরা নৃত্য পরিবেশ করবেন এবং ৮ টে অক্টোবর রাত ১১.৩০ মিনিটে পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান চলবে। প্রধান অতিথি থাকবেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর ওয়াহেদ বাহাদুর।
আব্দুর ওয়াহেদ বাহাদুর বলেন, আমি জলঢাকা উপজেলায় কোন রকম পূজা মন্ডবে ঝামালা হতে দিব না সুশৃঙ্খল ভাবে হিন্দু ধর্মের মানুষরা শারদীয় দূর্গা উৎসব পালন করবেন।
সুশৃঙ্খলার জন্য গ্রাম পুলিশ,পুলিশ প্রশাসন রয়েছেন।