বুধবার ২৬শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আমাদের সম্পর্কে
যোগাযোগ

শিক্ষার ওপর করোনার অভিঘাত ক্ষতি পোষাতে কার্যকর পদক্ষেপ

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
প্রিন্ট
নিউজ ভিশন

অ্যাডভোকেট মো. সাইফুদ্দীন খালেদ

একটি শিশুর জীবনের সঠিক সিদ্ধান্ত আগামী বংশধরের জন্য একটি ফলপ্রসূ দিক। শিশুদের যদি স্বাভাবিক বৃদ্ধি না ঘটে তাহলে একটি দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
যত্ন করলেই রত্ন মিলে বলে একটি প্রবাদ আছে। সযত্ন পরিচর্যায় জীবনে যেমন অনেক ফল পাওয়া যায়, তেমনি প্রতিভা যদি সঠিকভাবে লালিত হয়, তাহলে তার কাছে উল্লেখযোগ্য ফল প্রত্যাশা করা সম্ভব। যত্ন না করলে প্রতিভার অকাল মৃত্যু ঘটতে পারে। ফসলের বীজে নিহিত আছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। কিন্তু অনুকূল পরিবেশ না পেলে সে বীজ কোন কাজে আসবে না। প্রতিভা জন্ম নেয়, কিন্তু তাকে লালন করতে হবে, তার বিকাশের পরিবেশ অনুকূল করে দিতে
হবে- তবেই তার কাছ থেকে অতুলনীয় অবদান লাভ করা যাবে। অনুকূল পরিচর্যার সুযোগ বঞ্চিত হয়ে সকল সম্ভাবনা নিঃশেষ হয়ে গেছে এমন দৃষ্টান্ত খঁুজে পাওয়া যায়। যেমন শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া শিশুদের একটা বড়া অংশ অভিভাবকহীন পথশিশু।
যে সকল শিশু প্রতিকূল পরিবেশে জন্মে ও বড় হয় বিশেষত ঃ অধিকারবঞ্চিত পথশিশু। যাদের মৌলিক ও মানবাধিকার বলে কিছু আছে? দারিদ্রের নির্মম কষাঘাতে জর্জরিত। সুবিধাবঞ্চিত এসব পথশিশুর অনেকেই এসেছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে, না হয় জন্ম হয়েছে শহরের কোনো এক
জায়গায়। কাজের অভাবে খেয়ে না খেয়ে তাদের রাত কাটে রাস্তার ধারে বা সরকারি স্থাপনার খোলা বারান্দা বা রেললাইনের পাশে। অভিভাবকহীন এসব শিশুর পথচলা নিজেদের খেয়াল খুশি মত। পথশিশুদের পারিবারিক বন্ধন বলে কিছু নেই।
বাবা-মায়ের স্নেহ-মমতা তাদের কপালে কখনো জোটে না। আমাদের দেশের অনেক লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। তাদের সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থকে। তারা ছেলেমেয়েদের ঠিকমতো খাবার ও অন্যান্য মৌলিক অধিকার
বা সুযোগ-সুবিধা প্রদানে ব্যর্থ হয়। এসব শিশুই তখন জীবন সংগ্রামে নেমে বিভিন্ন কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের কুলি, হকার, রিকশাচালক, শ্রমিক, ফুল বিক্রেতা, আবর্জনা সংগ্রাহক, হোটেল শ্রমিক, বুননকর্মী, মাদক বাহক, বিড়ি শ্রমিক, ঝালাই কারখানার শ্রমিক ইত্যাদিসহ বিভিন্ন্ন
ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা হয়। পথশিশু হওয়ার পেছনে বিভিন্ন নিয়ামক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যেমন দারিদ্রতা, বাবা মায়ের বিচ্ছেদ, বাবা-মা মারা যাওয়া বা বাবা মায়ের অসচেতনতা অথবা অর্থলোভী কিছু মাদক ব্যবসায়ীর কারণে এখন কিছু শিশু পথে দিন কাটায়। ফলে নানাবিধ অপরাধে
জড়িয়ে পড়ে, যা আমাদের জন্য ভবিষ্যতে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। পথশিশুদের জীবনযাপন অত্যন্ত দুর্বিষহ। শহরের খোলা আকাশের নিচে, ব্রিজের নিচে,মার্কেট, পার্ক, বাস ও রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থান তাদের আশ্রয় কেন্দ্র।
বাজার ও নৌ বা বাস টার্মিনালকেন্দ্রিক তাদের বসবাস। নৌ বা বাস টার্মিনালে তারা রাত-দিন কাজ করে সামান্য টাকা আয় করে। এ টাকা দিয়ে তারা রাস্তার ধারের ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান থেকে খাবার কিনে খায়। আয় না হলে না খেয়েই দিনযাপন করে। এজন্য অধিকাংশ পথশিশু অপুষ্টিতে ভোগে।
চর্মরোগ, ডায়রিয়া, ঠান্ডা লাগা, জ্বর, জন্ডিসসহ নানা রোগে তারা আক্রান্ত হয়। অসুস্থ হলে চিকিৎসার সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত। অন্যদিকে বিভিন্ন ভাবে পথশিশুরা নির্যাতনের শিকার হয়। আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদ, আমাদের সংবিধান, শিশু আইন-১৯৭৪, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ
আইনে শিশুদের প্রতি সকল প্রকার নিষ্টুরতা, জোর জবরদস্তি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক শোষন থেকে রক্ষা পাওয়ার এবং যেকোন ঝুঁকিপূর্ন কাজ, যেখানে দুঘর্টনার সম্ভাবনা রয়েছে এবং যার ফলে তার শিক্ষার ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এমন ধরনের কাজ থেকে শিশুর নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার আছে। যেসব কাজ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং যে কাজ তার শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, নৈতিক বা সামাজিক বিকাশের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দঁাড়ায়, যে সকল কাজ থেকে রক্ষা পাওয়ার অধিকারও শিশুর রয়েছে। বাংলাদেশে বয়স অনুযায়ী শিশু অধিকার ঃ ৭ বছরের নীচে শিশুর কোন আইনগত দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা নেই, ৬-১০ বছরের নীচে নিষিদ্ধ। ১৫ বছরের নীচে পরিবহন খাতে কাজ নিষিদ্ধ। ১৬ বছরের নীচে শিশু অপরাধীকে কারাগারে রাখা বে-আইনি। শিশুদের প্রতি সহিংসতা, অপব্যবহার ও শোষণের
মতো প্রধান প্রধান যেসব হুমকি আছে সেগুলো সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে তাদের কিশোর বয়সেই। এই বয়সের শিশুদের মধ্যে প্রধানত কিশোরেরা অনিচ্ছাসত্ত্বেও দ্বন্দ্ব সংগ্রামে জড়িয়ে পড়ে অথবা শিশুশ্রমিক হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় কাজ করতে বাধ্য হয়। এসব কারনে তাদের শিক্ষাজীবন শেষ করা বা দারিদ্র থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ কমে যায়। অন্ন, বস্ত্র,
বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত এসব পথশিশু জড়িয়ে পড়ে নানা ধরনের অপকর্মে। একশ্রেণীর মাদক ব্যবসায়ী আছেন, যারা পথশিশুদের দিয়েই মাদক সরবরাহ, ব্যবসা কিংবা পাচার করে। অনেক সময়
পথশিশুরা নিজেরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। বিদেশে পাচারেরও শিকার হচ্ছে পথশিশুরা। দারিদ্র্যের কারণে নিজের ভালো-মন্দ না বুঝেই নানামুখী ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ে। এছাড়া পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষার অভাবও রয়েছে।
শিশুদের দিয়ে কোনো রকমের অসামাজিক কার্য সম্পাদনের বিষয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে। প্রথমে পথশিশুদের পুনর্বাসন সহ শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পলিসি তৈরি করা উচিত। মনে রাখতে হবে সমস্য অনন্ত, কিন্তু সমাধানের উপায়ও যথেষ্ট আছে। শিক্ষা থেকে ঝরেপড়া শিশু এবং পথশিশুদের বিদ্যালয়মুখী করার বিষয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারকদের ভাবতে হবে। ঝরে পড়া রোধ করতে হলে প্রথমে সমস্যার কারণগুলো চিহ্নিত করতেহবে। প্রতি বছর শেষে কী কী কারণে শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ছে তা গভেষণার
মাধ্যমে জানতে হবে। শিশুদের যেন কোনোভাবে মাদক ব্যবসায়ীরা টার্গেট করতে না পারে এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ শিশুবান্ধব সংস্থার উন্নয়নকর্মীদের এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেশের অনেক ছিন্নমূল শিশু রয়েছে যারা দুই বেলা পেট ভরে ভাত খেতে পারে না। অনেক মানুষ রয়েছে, যাদের দিন কাটে অনেক কষ্টে। ঠিকমতো খাবার জোগাতে পারে না। তারা কীভাবে শিক্ষা গ্রহণ করবে? এজন্য এসব শিশুকে শিক্ষাদানের জন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। এসব শিশুর অভিভাবকদের দারিদ্র্য দূরীকরণে আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প গ্রহন করতে হবে। উন্নত দেশে দেখা যায়, শিশুর সব দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করে।
তেমনি আমাদের দেশের অবহেলিত শিশুদের সব দায়িত্ব রাষ্ট্র নিলে সমাজে আর কোনো অরাজকতার সৃষ্টি হবে না। মেয়েদের ঝড়ে পড়ার ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের পাশাপাশি দারিদ্র ও নিরাপত্তাহীনতা অন্যতম কারণ হয়ে দঁাড়িয়েছে। বিদ্যালয়
বা কলেজে যাওয়ার পথে উত্যক্ত হওয়া এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর ওপর নিপীড়নের ঘটনা অভিভাবকদের মনে এক ধরনের আতংক সৃষ্টি করে শিক্ষা থেকে ঝড়ে পড়ার অন্যতম কারণ। অপরদিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধের জন্য শিক্ষকগণকে অভিভাবকদের প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে। তাদের বুঝাতে হবে শিক্ষার অভাবে তাদের সন্তানরা কিভাবে পদে পদে শোষনের শিকার হয়।
সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে শিক্ষাব্যবস্থায় করোনা মহামারীর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে কমেছে মানুষের আয়। এ অবস্থায় বিভিন্ন দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশে বিভিন্ন পর্যায়ে সংকুচিত হচ্ছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিধি। এতে দেশের সীমিত ও নিম্নআয়ের মানুষ তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। বস্তুত মহামারীর স্থায়িত্ব যত বাড়বে, দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা তত বৃদ্ধি পাবে। দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় যে বহুমাত্রিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে তা পুষিয়ে নেওয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি চ্যালেঞ্জ। শিক্ষা খাতে করোনার অভিঘাতের নানামুখী বিরূপ প্রভাব যে সংকট তৈরি করেছে, তা উদ্বেগজনক। করোনা পরিস্থিতির
কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর গত ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নিম্নআয়ের পরিবারের কত সংখ্যক শিক্ষার্থীর শিক্ষা অব্যাহত আছে। করোনাকাল শেষ হলে দারিদ্র্যের কারণে অনেক পরিবারে শিশুদের পড়াশোনা করানোর সক্ষমতা হয়ত থাকবে না। বিশেষভাবে সহায়তা প্রদান করা না হলে এসব পরিবারের শিক্ষার্থীদের অকালেই ঝরে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিক্ষা নিয়ে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে শিশু ভর্তির হার শতভাগে উন্নীতকরণ সম্ভব হয়েছে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে গিয়ে এই শিক্ষার্থীদের
একটি বিপুল অংশ ঝরে পড়ে। মানসম্মত শিক্ষার বিস্তার নিশ্চিত করা সম্ভব না হলে আগামীতে দেশে নানা রকম সংকট সৃষ্টি হবে। কাজেই শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে যে পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের সমস্যার সমাধানে সরকারকে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে। সেইসাথে এই ঝরে পড়া
শিক্ষার্থীদের সঠিক পরিসংখ্যান নির্ণয় ও শনাক্তকরণে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যেহেতু দেশের করোনা পরিস্থিতির কারণে মানুষ শহর ছেড়ে
গ্রামে, এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে জীবন ও জীবিকার তাগিদে আশ্রয় খুঁজে নিয়েছে; এমন পরিস্থিতিতে গ্রাম ও শহরাঞ্চলে এলাকাভিত্তিক জরিপ ছাড়া এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বের করা দুরূহ ব্যাপার। এই জরিপ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে
দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়েই শিক্ষা প্রশাসনকে কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। বিদ্যমান পরিস্থিতির মধ্যে ক্ষতি পোষাতে শিক্ষকদের বেশি যোগ্য করে তুলতে হবে। তাদের তথ্য ও প্রযুক্ততিতে দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করতে হবে। শিশুদের
বিদ্যালয়মুখী করার জন্য বাড়তি বরাদ্দ রাখা হোক। করোনার আগে বিদ্যালয়ে যেত, এ রকম কোনো শিশুকে করোনার পরে বিদ্যালয়ের বাইরে রাখা যাবে না। অপরদিকে দীর্ঘদিন পরীক্ষা না হওয়ায় শিক্ষা জীবনের শেষের দিকের শিক্ষার্থীর জীবন স্থবির হয়ে আছে। ঝুলে আছে সিংহভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ফাইনাল পরীক্ষাগুলো না হওয়ায় দীর্ঘ হচ্ছে সেশন জট।
কর্মজীবনে প্রবেশে পিছিয়ে যাচ্ছেন। যেমন প্রফেশনাল কোর্স এলএল.বি শেষ বর্ষের পরীক্ষা যথাযথ ভাবে না হওয়ায় উৎকন্ঠায় রয়েছে শিক্ষার্থীরা। আইন বিভাগে প্রাইভেট, পাবলিক কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীই হোক, মূল গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেক প্রক্রিয়া এবং ধাপে ধাপে পরীক্ষা দিতে
হয়। এ ক্ষেত্রে বয়সের ব্যাপারটাও খেয়াল রাখতে হয়। তাই পরীক্ষাগুলো দ্রুততার সঙ্গে নেয়া দরকার। অবশেষে বলব, কম-বেশি প্রতিটি মানুষের মাঝেই মেধা ও প্রতিভা সুপ্ত অবস্থায় বিরাজ করে। তাকে বিকাশের পথ করে দিতে হবে। বিকাশের
প্রয়োজনীয় সুযোগ না পেলে অবহেলায় উপেক্ষায় শক্তি সামথর্য বিনষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই মেধা বিকাশের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
লেখক ঃ আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
logo

নিউজ ভিশন বাংলাদেশের একটি পাঠক প্রিয় অনলাইন সংবাদপত্র। আমরা নিরপেক্ষ, পেশাদারিত্ব তথ্যনির্ভর, নৈতিক সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম

ঢাকা অফিস: ইকুরিয়া বাজার,হাসনাবাদ,দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ,ঢাকা-১৩১০।

চট্টগ্রাম অফিস: একে টাওয়ার,শাহ আমানত সংযোগ সেতু রোড,বাকলিয়া,চট্টগ্রাম |

সিলেট অফিস: বরকতিয়া মার্কেট,আম্বরখানা,সিলেট | রংপুর অফিস : সাকিন ভিলা, শাপলা চত্ত্বর, রংপুর |

+8801789372328, +8801829934487 newsvision71@gmail.com, https://newsvisionbd.com
Copyright@ 2021 নিউজ ভিশন |
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।