শিক্ষার্থীদের দাবি ; পরিবারে লোকজন বাহিরে যেতে পারলে কেনো আমরা বিদ্যালয় যেতে পারবো না?

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :

করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ৭ মাস পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ । এই ৭ মাসে অনেক শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় অনীহা এসে গেছে! অভিভাবকদের মাঝে ও চিন্তা বিরাজ করছে, বিশেষ করে এইচ এস সি শিক্ষার্থীদের নিয়ে। আটকিয়ে আছে তাঁদের বোর্ড পরিক্ষাগুলো । তাঁদের পরিক্ষার সময়সূচী ছিলো এপ্রিলে পহেলা সপ্তাহ কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে তা হলো না । ঐ দিকে আরো দুচিন্তে আছে পিএসসি ও জেএসসি শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। কেমন হবে আমাদের বাচ্চাদের ? আমাদের বাচ্চাদের মেধা কি এ বছর যাচাই বাচাই করতে পারবো না ? অন্যদের চাইতে আমার বাচ্চা কি কতটুকু এগিয়ে যাবে, বৃত্তি কি পাবে না ইত্যাদি কল্পনা-ঝল্পনার মধ্য আছে। আর তো রয়ে গেছে প্রথম থেকে চতুর্থ, ৬ষ্ঠ ৭ম, ৯ম, দশম শ্রেণী।

এ দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খোলার ব্যাপারে ২৫ আগষ্ট দিন ধার্য করেছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। কয়েকটি প্রস্তাব ও পাঠিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে । সিদ্ধান্ত হবে ২৫ ই আগষ্ট। তবে সেই দিন যদি প্রতিষ্ঠান খুলার ব্যাপারে সিধান্ত না আসে তাহলে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী পড়ালেখা কিরুপ প্রভাব পড়তে পারে ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাতে শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়ালেখার অনীহা প্রকাশ হয়ে উঠবে। এছাড়া এক শ্রেণীর ভালো ভাবে বই না পড়ে অন্য শ্রেণীতে উঠানো বোকামি মনে হবে। সপ্তম শ্রেণীর বই না পড়ে অষ্টমে উঠলে অনেক কিছু ঘাটতি থেকে যাবে ফলে অষ্টমের বই গুলো আরো জটিলরুপে ধারন করবে। শিক্ষার্থীদের দাবি , পরিবারে লোকজন বাহিরে যেতে পারলে কেনো আমরা প্রতিষ্ঠান যেতে পারবো না?

ঐ দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অর্নাস ২য় বর্ষের রেজাল্ট ও চতুর্থ বর্ষের পরিক্ষা আটকিয়ে রয়েছে সব মিলে হা হুতাশা মধ্য জীবন কাটছে শিক্ষার্থীদের। মাদারীপুরে ইউনাইটেট ইসলামীয়া উচ্চ বিদ্যায়ের নাম অনিচ্ছু প্রকাশ করা এক অভিভাবক বলেন – আমরা চাই অনতিবিলম্ব আমাদের স্কুল গুলো সামাজিক দূরাত্ব বজায় রেখে খুলে দেওয়া হোক। প্রয়োজনে সপ্তাহে তিন দিন ক্লাসের ব্যাবস্থা করা হোক। বিদ্যালয়ে থাকবে সাবান ,হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত মুছে, মাস্ক ব্যবহার করে আমাদের ছেলেমেয়েদের স্কুল যাওয়া সুযোগ করে দেওয়া হোক।
কেননা বাজার ঘাটে দোকানপাটে প্রতিদিন কে না যায়? পরিবারে অবশ্যই কেউ না কেউ সেখান থেকে তো করোনা আসতে পারে। এটা ভয় পেলে চলবে না।
করোনা সহজে যাবে না তাহলে কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি কখনো খুলবে না, এটা কখনো হয় না। করোনা কে ভয় করলে চলবে না। মনে রাখতে হবে ভয় কে জয় করার মুল লক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা উচিত। সচেতনতা সব কিছু জয় করা সম্ভব। বিনীত অনুরোধ থাকবে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনতিবিলম্ব শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে অনন্ত মাধ্যমিক ও কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হোক।

এনভি/ডেস্ক/সৌরভ