যৌতুক ও নারী শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইন—–জিয়া হাবীব আহসান

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২০

জেনে নিন আপনার যত অধিকার :
Advertisement

পর্ব- ০১

আমাদের দেশে নারী নির্যাতনের অন্যতম কারণ যৌতুক ।যৌতুকের বলি হয়ে অকালে ঝরে পড়ছে অনেক গৃহবধূ, খালি হচ্ছে নিরীহ মা-বাবার বুক । আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাবে এবং সঠিক সময়ের মধ্যে বিচার না হওয়ার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যায় । বর্তমানে নারী নির্যাতন দমনের যে আইন আছে তা যথেষ্ট কঠোর কিন্তু নারী নির্যাতনের সব ধরণ থেকে নারীকে রক্ষা করা বা নির্যাতিত নারীকে ন্যায় বিচার পেতে অত্যন্ত বেগ পেতে হয় ।দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নত করতে পারলে ঘরে বাইরে কন্যা শিশু ও নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব । সমাজ সচেতনতার অভাব ও অপরাধের সঠিক বিচার না হওয়াটাও নারী ও শিশু নির্যাতনের অন্যতম কারণ । তবে এক্ষেত্রে নারীকে হতে হবে নিজেই শক্তিশালী, নিজের আত্মবিশ্বাস ও শক্তিই তার জন্য সবচেয়ে বড় বন্ধু । এই ব্যাপারে সংক্ষেপে জেনে নিন আপনার যত অধিকার ।

প্রশ্নঃ যৌতুক দাবি করার দন্ড কি? যৌতুক দেয়া নেয়া দুটোই কি অপরাধ ? এর নির্মূল কি শুধু আইন দ্বারা সম্ভব?

উত্তরঃ যদি বিবাহের কোনো এক পক্ষ যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ করেন অথবা যৌতুক প্রদান বা গ্রহণে সহায়তা করেন অথবা যৌতুক প্রদান বা গ্রহণের উদ্দেশ্যে চুক্তি করেন, তাহলে কাজটি হবে আইনত অপরাধ, এই অপরাধের জন্য যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৩ ধারা মতে ৫ (পাঁচ) বৎসর কিন্তু অন্যূন ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে । দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নত করতে না পারলে এবং নির্যাতিত নারীকে দ্রুত ন্যায় বিচার দিতে না পারলে অপরাধের এর নির্মূল কখনো শুধু আইন দ্বারা সম্ভব নয় । যৌতুকের দাবী করলে স্বামী-স্ত্রী উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে আইনে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে ।

প্রশ্নঃ যৌতুকের জন্যে মৃত্যু ঘটানো বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করলে কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম করলে বা সাধারণ জখম অথবা কোন কারণে নারী আত্মহত্যা করলে বা আত্মহননে প্ররোচনার শাস্তি কি?

উত্তরঃ যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা ঘটানোর চেষ্টার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক) ধারা মতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে । মারাত্মক জখম করার জন্য ১১(খ) ধারা মতে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক বার বত্সর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বত্সর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে । সাধারণ জখম করার জন্য ১১(গ) ধারা মতে অনধিক তিন বত্সর কিন্তু অন্যুন এক বত্সর সশ্রম কারাদণ্ড দণ্ডনীয় হবে এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে ৷ যদি কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হওয়ার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করার জন্য প্ররোচিত করার অপরাধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(ক) অপরাধী হবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে ৷

প্রশ্নঃ এক স্ত্রী বহাল থাকাবস্থায় আরেক স্ত্রী গ্রহনে আইনে শাস্তি কি?

উত্তরঃ প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়ে ২য় বিয়ে করা যায় ধারণাটি ভুল । সালিশী পরিষদের লিখিত পূর্বানুমতি ছাড়া কোন ব্যক্তি একটি বিবাহ বলবত থাকলে আরেকটি বিবাহ করতে পারবে না এবং পূর্ব অনুমতি গ্রহণ না করে এই জাতীয় কোন বিবাহ হলে তা মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রেশন) আইন, ১৯৭৪ (১৯৭৪ সনের ৫২নং আইন) অনুসারে রেজিষ্ট্রি হবে না । মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৫(ক) ধারা তে বলা হয়েছে এক স্ত্রী বহাল থাকাবস্থায় সালিশী পরিষদের অনুমতি ছাড়া কোন ব্যক্তি আরেকটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে তাকে অবিলম্বে তার বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের “তাত্ক্ষণিক” অথবা “বিলম্বিত” দেনমোহরের যাবতীয় টাকা পরিশোধ করতে হবে এবং উক্ত টাকা পরিশোধ করা না হলে উহা বকেয়া ভূমি রাজস্বের ন্যায় আদায়যোগ্য হবে এবং ৫(খ) ধারা তে বলা হয়েছে অভিযোগক্রমে দোষী সাব্যস্ত হলে সে এক বত্সর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে ।

প্রশ্নঃ আইন সম্মত ভাবে ২য় স্ত্রী গ্রহনের নিয়ম কি?

উত্তরঃ মুসলিম পারিবারিক আইন বিধিমালা ১৯৬১ এর ১৪ নং বিধিতে বলা হয়েছে, ২য় স্ত্রী গ্রহণ ন্যায়সঙ্গত ও প্রয়োজনীয় কিনা তা পরিস্থিতিগুলি অর্থাৎ কোনো বর্তমান স্ত্রীর বেলায় বন্ধাত্ব দৈহিক দৌর্বল্য, দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে দৈহিক অনুপযুক্ততা, দাম্পত্য জীবন পুনরুদ্ধারের নিমিত্ত একটি ডিক্রি ইচ্ছাকৃতভাবে এড়াইয়া চলা অথবা বর্তমান স্ত্রীর অপ্রকৃতিস্থতা দিকে নজর রেখে অনুমতি প্রদান করিতে পারবে । তবে ১৫ নং বিধিতে বলা হয়েছে কোনো বর্তমান বিবাহ বিদ্যমান থাকাকালে আরেকটি বিবাহের চুক্তি করিবার অনুমতির জন্য ৬(১) উপধারার অধীনে আবেদনটি লিখিতভাবে হতে হবে, উহাতে বর্তমান স্ত্রী অথবা স্ত্রীগণের সম্মতি লাভ করা হয়েছে কিনা তা বর্ণনা করতে হবে, যেই হেতুগুলির ভিত্তিতে নতুন বিবাহ ন্যায়সঙ্গত এবং প্রয়োজনীয় বলিয়া কথিত হয়েছে, সেইগুলির একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি অর্ন্তভুক্ত থাকতে হবে, আবেদনকারীর স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং উহাতে পঁচিশ টাকার ফি যুক্ত হবে ।

প্রশ্নঃ আইনে বহু বিবাহ করার শাস্তি কি ?

উত্তরঃ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারাতে বলা আছে যদি কোন ব্যক্তি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থিতিতে বিবাহ করে যা স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকার জন্য অবৈধ বিয়ে বলে গণ্য হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত (৭) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে । দণ্ডবিধির ৪৯৫ ধারার মতে, যদি কোনো ব্যক্তি দ্বিতীয় বা পরবর্তী বিয়ে করার সময় প্রথম বা পূর্ববর্তী বিয়ের তথ্য গোপন রাখে, তা যদি দ্বিতীয় বিবাহিত ব্যক্তি জানতে পারে, তাহলে অপরাধী ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে ।

প্রশ্নঃ মিথ্যা যৌতুকের মামলা, মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা বা মিথ্যা পারিবারিক মামলার শাস্তি কি?

উত্তরঃ যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৬ ধারাতে বলা হয়েছে যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের জন্য মিথ্যা যৌতুকের মামলা করে থাকে বা করায় তাহলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে । নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১৭(১) উপধারাতে বলা হয়েছে যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের জন্য মিথ্যা যৌতুকের মামলা করে থাকে বা করায় তাহলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করেছে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭(সাত) বত্সর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে ।পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ এর ৩২ ধারাতে বলা হয়েছে যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন আবেদন করার আইনানুগ কারণ নাই জেনেও আবেদন করেন, তাহলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন ।

প্রশ্নঃ মিথ্যা সাক্ষীর শাস্তি কি?

উত্তরঃ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুসারে বিচারিক প্রক্রিয়ার কোন পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে ঐ ব্যক্তি সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে । বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে ।
দণ্ডবিধিরি ১৯৪ ধারা অনুসারে যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য বা সাক্ষ্য বিকৃত করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য কোন অপরাধে কাউকে দণ্ডিত করায়, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে । এক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য বা সাক্ষ্য বিকৃত করার ফলে যদি নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা ১৯৪ ধারায় বর্ণিত অন্যান্য দণ্ডে দণ্ডিত হবেন ।
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারায় উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য বা সাক্ষ্য বিকৃত করে কাউকে এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত করায় যার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সাত বছরের কারাদণ্ড, তাহলে উক্ত ব্যক্তিও সমদণ্ডে দণ্ডিত হবেন ।

প্রশ্নঃ ভালোবেসে কেউ নাবালিকাকে কোর্ট ম্যারেজ করা কি আইন সম্মত?

উত্তরঃ আসলে কোর্ট ম্যারেজ বলে আইনে কোন কিছু নেই । যুবক-যুবতি বা নারী-পুরুষ স্বামী-স্ত্রী হিসাবে একত্রে বসবাস করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে যে হলফনামা সম্পাদন করে থাকে, তাই —কোর্ট ম্যারেজ’ নামে সর্বসাধারণের পরিচিত । এই রুপ কোন হলফনামার বিয়ে অবশ্যই কাজী অফিসে রেজিষ্ট্রী না করতে হয়, তাহলে এর আইনগত ভিত্তি থাকবেনা । কোন এক সময় যদি এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ত্যাগ করে তাহলে আইনগত কোন প্রতিকার পেতে জটিলতার সৃষ্টি হয় যদি কাজী অফিসে রেজিষ্ট্রী না করা হয় । যদি কাবিন রেজিষ্ট্রী করা না হয় তাহলে স্ত্রী তার মোহরানা আদায় করতে ব্যার্থ হয় । তাই এই ক্ষেত্রে সঙ্গী (নারী/পুরুষ) কর্তৃক প্রতারিত হবার সম্ভাবানা অধিক । এক কথায় সাবালক নারী ও শিশুদের সহজ পদ্ধতি হচ্ছে সাক্ষীদের সামনে রেখে কবুল করে কাজী অফিসে বিয়ের রেজিষ্ট্রি করা ।

প্রশ্নঃ বিবাহ নিবন্ধক বাল্যবিবাহ নিবন্ধন করলে এবং বাল্যবিবাহ সম্পাদন বা পরিচালনা করলে শাস্তি কি?

উত্তরঃ বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ তে বিয়ের জন্য ছেলের বয়স ২১ ও মেয়ের বয়স ১৮ প্রচলিত আছে । যদি কোন বিবাহ নিবন্ধক বাল্যবিবাহ নিবন্ধন করলে তা হবে একটি অপরাধ এবং বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ এর ১১ ধারা মতে তার জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর ও অন্যূন ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে অনধিক ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং তাহার লাইসেন্স বা নিয়োগ বাতিল হবে । ৯ ধারাতে বলা আছে কোন ব্যক্তি বাল্যবিবাহ সম্পাদন বা পরিচালনা করলে তা হবে একটি অপরাধ এবং তার জ্ন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর ও অন্যূন ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং অর্থদন্ড অনাদায়ে অনধিক ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন । (চলবে)———

২য় পর্ব পড়তে চোখ রাখুন নিউজ ভিশনে

লেখকঃ আইনজীবী, কলামিস্ট, মানবাধিকার ও সুশাসনকর্মী।