মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস ও ক্রেডিট কার্ডের ফিঃ কমানোর দাবি-ক্যাব চট্টগ্রাম

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১:০৫ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২০

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

Advertisement

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পুরো দেশ লকডাউনে, আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি অধিকাংশ শাখা বন্ধ থাকা ও সীমিত সেবার কারনে গ্রাহকগন ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিং উপর নির্ভরশীল হয়। অন্যদিকে গ্রাহকদের করোনা সংক্রমন ঝুঁকি হ্রাসে ও নিরাপত্তার স্বার্থে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস (এমএফএস) ও ক্রেডিট কার্ডগুলির গলাকাটা সার্ভিস চার্জ আদায়ের কারনে সাধারন মানুষের জন্য এই ডিজিটাল সেবাগুলি আর্শিবাদ না হয়ে গলার কাটায় দাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের সার্ভিস চার্জ আগামি মে’২০ পর্যন্ত আদায় না করার নির্দেশনা দিলেও নামে-বেনামে বিভিন্ন চার্জের নামে ব্যাংকগুলি ক্রেডিট কার্ডের সার্ভিস চার্জ ৩০-৪০ শতাংশ পর্যন্ত আদায় করছে। যদি ক্ষুদ্র, বৃহৎ এসএমই, শিল্প ঋনগুলির ঋনের সুদের হার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনা হলেও সাধারন ও মধ্যবিত্ত জনগগোষ্ঠির এই সুবিধার এই ক্রেডিট কার্ডের সুদ এখনও ৪০ শতাংশ থাকায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধা সাধারন জনগনের নাগালের বাইরে আছে। অন্যদিকে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এর সার্ভিস চার্জ এখনও হাজার প্রতি ১৮.৫০ টাকায় থাকায় ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠির বিপুল অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং খাতে চলে যাচ্ছে। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠির জন্য ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থা ও বিকল্প ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিতে অনতিবিলম্বে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস ও ক্রেডিট কার্ডের সার্ভিস চার্জ কমানোর দাবি করেছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম নগর ও বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ।

শনিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম ও ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও উদ্বেগ প্রকাশ কওে বলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির অধিকাংশ শাখা বন্ধ ও সীমিত কার্যক্রম থাকায় পবিত্র রমজানে খাদ্য-পণ্য সরবরাহ সংক্রান্ত ব্যবসা বানিজ্য স্থবির হয়ে আছে। তাই জরুরী চিকিৎসা সেবার ন্যায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যক্রম সীমিত পুরোপুরি সচল করা না হলে করোনা মহামারীর চেয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের বাজার, জরুরী ত্রাণ কার্যক্রম ও সাধারণ জনগনের খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হবে।