ঢাকাশনিবার , ১৩ এপ্রিল ২০২৪
  1. সর্বশেষ

‘এপ্রিল ফুল’ প্রসঙ্গে

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
১ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ

Link Copied!

‘এপ্রিল ফুল’ একটি ঘৃণ্য এবং হৃদয়বিদারক ও লোমহর্ষক ইতিহাসের নাম। এপ্রিল ইংরেজি বর্ষের চতুর্থ মাস, ফুল (FOOL) একটি ইংরেজি শব্দ, যার অর্থ বোকা। এপ্রিল ফুলের অর্থ ‘এপ্রিলের বোকা’।

‘এপ্রিল ফুল’ ইতিহাসের একটি জঘণ্যতম ও ঘৃণ্য এবং হৃদয়বিদারক লোমহর্ষক ইতিহাস। আজ আমরা অনেকই এ সর্ম্পকে জানিনা বলে ই|য়া|<হু>দী খ্রি|স্টা|নদের সাথে এপ্রিল ফুল পালন করে থাকি। আমরা মুসলমানরা, আজ আমাদের ইতিহাস সর্ম্পকে জানি না এবং জানার চেষ্টাও করিনা। আর এ কারণেই আজ মুসলমানদের অধঃপতন ত্বরান্বিত হচ্ছে।
কথায় আছে ‘যে জাতি তার ইতিহাস সর্ম্পকে জানেনা বা বেখবর, সে জাতির মতো সর্বহারা জাতি আর হতে পারেনা’।

মূল আলোচনায় আসি- হিজরী প্রথম শতাব্দীর শেষের দিক। যখন সারাবিশ্বে মুসলমানদের বিজয়ের বাতাস বয়ে চলছে। সে বাতাস ইউরোপের মাটিতে দোলা দেয়। ইউরোপের একটি দেশের নাম আন্দালুস বা স্পেন। ইউরোপের দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত রুপসি স্পেন। উত্তরে ফ্রান্স, পশ্চিমে পর্তুগাল, পূর্বে ও দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর। স্পেনের রাজা লডারিক ছিলেন একজন কট্টরপন্থী জালিম খ্রি|স্টা|ন। তার জুলুমে জনগণ ছিল অতিষ্ঠ। তার জুলুম নির্যাতনে হাপিয়ে উঠেছিল মজলুম মানবতা। কিন্তু তার বিরুদ্ধে টু-শব্দ করার সাহস ছিল না কারো। যখন গোটা ইউরোপের ক্রান্তিকাল চলছিল, তখন মুসলিম রণক্ষেত্রে কমান্ডার-ইন চিপ ছিলেন মূসা বিন নুসায়ের (রহ.)। তিনি তখন দক্ষিণ মরক্কো জয় করে কায়রোয়ানে অবস্থান করছিলেন। তখন তার সাথে কাউন্টার রাজা জুলিয়ান সাক্ষাত করে মজলুম মানবতাকে রক্ষা করার জন্য মূসা বিন নুসায়েরকে আহবান করেন। মূসা বিন নুসায়ের তার অধীনস্থ সেনাপতি তারেক বিন যিয়াদের নেতৃত্বে ৭,০০০ (সাত হাজার) সৈন্যর একটি মু<>জা|হিদ বাহিনী আন্দালুস বা স্পেনে প্রেরণ করেন।

৯২ হিজরী ২৮ রমজান মোতাবেক ৭১১ খ্রি. জুলাই মাসে স্পেনে অবতরণ করেন মুজাহিদ বাহিনী। শুরু হয় খ্রিস্টানদের সাথে মু<>জা|হিদ বাহিনীর প্রচন্ড লড়াই। মর্মস্পর্শী তাকবীর ধব্বনিতে মুখরিত হয় আকাশ বাতাস। দীর্ঘ জি√হা|দের পর খ্রিস্টান বাহিনী পর্যুদস্ত হয়। একের পর এক স্পেনের সকল শহর করায়ত্ব হয় মুসলমানদের হাতে। সলিল সমাধি হয় জালিম শাসকের। তারপর থেকে ১৪৯২ সাল পযর্ন্ত প্রায় ৮০০ বছর মুসলমানেরা শান্তি আর সাম্য বজায় রেখে স্পেন শাসন করে। এ দীর্ঘ আটশত বছরে মুসলমানেরা স্পেনের বর্বর চেহারা সম্পূর্ণভাবে সভ্যতার আলোকে উদ্ভাসিত করেন। তাদের ন্যায়-ইনসাফ আর ভালবাসায় মুগ্ধ হয়ে মানুষ দলে দলে আশ্রয় নেয় ইসলামের ছায়া তলে। শিক্ষা-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-বাণিজ্য ইত্যাদির কেন্দ্র-বিন্দুতে পরিণত হয় স্পেন।

কালের প্রবাহে এক সময় মূসলমানেরা শিক্ষা-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ছেড়ে আরাম-আয়েশে মত্ত হতে শুরু করলো। শাসকদের মাঝে অর্থের লোভ, ভোগ- বিলাসিতা ও বিজাতীয় আচার-আচরণসহ সব ধরনের নৈতিক অধঃপতন দেখা দেয়। এমনকি নৈতিক অধঃপতনের নিম্নপর্যায়েও উপণীত হয়। মুসলিম শাসকদের মধ্যে অনৈক্য ও বিবাদ শুরু হয়। ধর্মীয় পন্ডিতদের মধ্যে শুরু হয় বিভিন্ন মতানৈক্য ও দ্বন্দ্ব। আর এই সুযোগকে কাজে লাগায় খ্রিস্টান শক্তি। যখনই মুসলমানেরা নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্যকে ভুলে আরাম আয়েশে লিপ্ত হলো এবং নিজেদের মধ্যে বিবাদ শুরু হলো ঠিক তখনই তাদের উপর নেমে আসলো এক অমানিবক অত্যাচার এবং হত্যাযজ্ঞ। ইউরোপের মাটি থেকে মুসলমানদের চিরতরে বিলিন করার জন্য মেতে উঠে ইউরোপীয় নরপিশাচেরা। পর্তুগিজ রাণী ইসাবেলা এবং পার্শ্ববর্তী রাজা ফার্ডিন্যান্ডের নেতৃত্বে এক বিশাল বাহিনী নিয়ে ১৪৯২ সালের ১লা এপ্রিল চতুর দিক থেকে মুসলমানদেরকে ঘেরাও করে তাদের উপর পশুর মত ঝাপিয়ে পড়ে। ইতিহাস সাক্ষী, যখন খ্রিস্টানদের সম্মিলিত বাহিনী মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ করছিল, তখনও মুসলমান রাজা-বাদশাদের হেরেমগুলো মদ আর নর্তকি দ্বারা ভরপুর ছিল, আর তারা সেগুলো নিয়ে মত্ত ছিল। নেতৃত্বহীন নিরীহ অপ্রস্তুত মুসলমানেরা বুকভরা আশা নিয়ে রাজধানী গ্রানাডায় গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। কিন্তু তাদের হতাশা ছাড়া আর কিছুই ছিলনা। কারণ, যারা তাদের নেতৃত্ব দিবে, তাদের ঈমান আমল আগেই বিলীন হযে গেছ। মুসলমান রাজ-বাদশারা ছিল বহুদলে বিভক্ত। কিছু নামধারী মুসলিম নেতা নিজেদের ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার জন্য এই পৈচাশিক কাজে মদদ জুগিয়ে ছিল।

প্রিয় বন্ধু! অনেক লম্বা ইতিহাস, আমি সংক্ষেপ করছি। ক্রমে খ্রিস্টানগণ গ্রনাডা দখল করে মুসলমানদের উপর চালালো অত্যাচারের স্টীমরোলার। দিশেহারা হয়ে যখন মুসলমানদের অবস্থা প্রকটরূপ ধারণ করলো, তখন ধূর্তবাজ ফার্ডিন্যান্ড ঘোষনা দেয়, যে মুসলমানেরা অস্ত্র সর্মপণপূর্বক মসজিদ সমূহে আশ্রয় নিবে তাদেরকে পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে এবং যারা সমুদ্রের জাহাজ সমূহে আশ্রয় নিবে, তাদেরকে অন্যান্য মুসলিম দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। নেতৃত্বহীন অসহায় মুসলমানেরা অস্ত্রবিহীন ক্ষুধা-পিপাসায় কাতর হয়ে অধৈর্য হয়ে পড়েছিল।

তারা নরপিশাচ খ্রিস্টানদের প্রতারণা না বুঝে সরলমনে মসজিদ এবং জাহাজ সমূহে আশ্রয় নেয়। তখনই জালিম, নরপিচাশচ প্রতারক রাজা ফর্ডিন্যান্ডের নির্দেশে খ্রিস্টান সৈন্যরা মসজিদসমূহ তালাবদ্ধ করে ভিতরে ও বাহিরে চতুর্দিকে আগুন লাগিয়ে সেখানে আশ্রয় নেওয়া লক্ষ লক্ষ মুসলমানদেরকে পুড়িয়ে নির্মম ভাবে শহিদ করলো এবং জাহাজগুলোতে আশ্রিত মুসলমানদেরকে গহীন সমুদ্রে ডুবিয়ে মারলো। ত্রিশ লক্ষ মুসলমানদেরকে পুড়িয়ে মারলো এক সাথে। এভাবে আগুনে পুড়ে ভস্মিভূত হলো আধুনিক ইউরোপের জনকেরা। পরবর্তিতে মুসলমানদের মসজিদ-মাদ্রাসা এবং স্মৃতিগুলোকে বানিয়ে ছিল তাদের ঘোড়ার আস্তাবল। আসহায় নারী-পুরুষ আর শিশুদের আর্তচিৎকারে ঐদিন আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠেছিল। মুসলমানদের দুর্দশা দেখে জালিম, নরপিচাশচ, প্রতারক রাজা ফর্ডিন্যান্ড রাণী ইসাবেলাকে জড়িয়ে ধরে আনন্দ উল্লাসে বলে উঠে, “Oh Muslim! How fool you are. হায় মুসলমান! তোমরা কত বোকা”। সে দিনটি ছিল এপ্রিল মাসের ১ তারিখ।

সেই থেকে মুসলমানদেরকে উপহাস করার জন্য খ্রিস্টানেরা প্রতি বছর ১লা এপ্রিলকে অত্যন্ত জাঁকজমকের সাথে ‘এপ্রিল ফুল’ বা ‘এপ্রিলের বোকা’ উৎসবের দিন হিসেবে পালন করে আসছে।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, এপ্রিলের এ দিনে লক্ষ লক্ষ মুসলমান ভাই-বোনেরা নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছিল, অথচ আজ মুসলমানের সন্তানেরা খ্রিস্টানদের অনুসরণে সে দিনটিকে হাসি-খুশির দিন হিসেবে পালন করে থাকে। এপ্রিলের এই নির্মম ও হৃদয়বিদারক ইতিহাস জানার পরও কোনো মুসলমান এই দিনকে হাসি খুশির দিন হিসেবে উদযাপন করতে পারে না। আসুন এপ্রিল ফুলের এই ইতিহাস আমরা সকল মুসলমান ভাইকে জানিয়ে দেই যাতে আর কোনো মুসলমান এই দিনকে আনন্দ ফুর্তি হিসেবে পালন না করে। আসুন আমরা সকলে মিলে এই দিনটিকে ঐতিহাসিক ঘৃণ্য এবং কালো দিবস হিসেবে পালন করি। আল্লাহপাক সকল মুসলমানদের কে সহিহ বুঝ দান করুন।

ইতিহাস থেকে অনেক কিছু শিক্ষা নেওয়া যায়। আজ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাজা-বাদশাগণ নিজেদের ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার জন্য যেভাবে আমেরিকা, ইউরোপের তাবেদারি করছে, সম্ভবত সেইদিন বেশি দূরে নয়, মধ্যপ্রাচ্যও একদিন স্পেনের ভাগ্যবরণ করবে। আজ সিরিয়া, ইয়েমেনের জন্য বড় দুঃখ হয়। আরবলীগ নিজেদের ভিতরে সমাধান না করে ই<>য়া>হু|দী-খ্রিস্টান সংঘ, মুসলমান নিধন সংঘ, জাতিসংঘের কাছে অনুরোধ করেছে। এর ফলাফল কি হলো? আমেরিকা, ফ্রান্স ,বৃটেন বিদ্রোহিদের রক্ষার অজুহাতে শত শত টন বোমা মেরে হাজার হাজার নিরীহ মুসলমান নারী-পুরুষ, শিশুদেরকে হত্যা করছে এ ব্যাপারে আরবলীগ বলতে গেলে নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। যে আরব লীগ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র ফি<>লি\স্তি|নের মুসলমানদেরকে জারজ ই|স|রা|ইলের ব্যাপারে কোনো সমাধান দিতে পারেনা। যেখানে ই|স|রা|ই|লি হায়েনারা নিরীহ মুসলমানদেরকে প্রতিদিন পাখির মতো গুলি করে হত্যাকরে। যে আরব লীগ আ|ফগা|নি|স্তানের ব্যাপারে কোনো কিছুই করতে পারলো না। যে আরবলীগকে মুসলমানেরা আশার আলো ভেবে ছিল। আজ সে আরবলীগ লিবিয়ার ব্যাপারে আমাদেরকে আরো হতাশ করলো। আমেরিকা, ফ্রান্স ,বৃটেন বিদ্রোহিদের রক্ষার অজুহাতে যে তান্ডবলীলা চালিয়েছে সে ব্যাপারে জাতিসংঘ নামের সেই মুসলিম নিধন সংঘ ভূমিকা থেকে আমদের শিক্ষা নেওয়ার দরকার। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের দিকে তাকালেই আজ সবকিছু দিনের আলোর মতো পরিষ্কার বুঝতে পারবেন। যে দেশে যোগ্য নেতৃবৃন্দ ও দেশপ্রেমিকদের মিথ্যা অজুহাতে হত্যার হুলিয়া খেলেছিল ক্ষমতা লিপ্সু ও বিদেশি মদদপুষ্ট জালিম সরকার। এ হত্যাযজ্ঞের বিনিময়ে স্বাধীন এ ভূখণ্ডটি আজ অনিশ্চয়তার মহাসাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে বলা যায়।

মহান আল্লাহ তাআলা অমুসলিমদের ব্যাপারে মুসলমানদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন,

« وَلَا تَكُونُوا مِنَ الْمُشْرِكِينَ »
“এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।”
(সূরা আর-রূম, আয়াত: ৩১)

অন্যত্র তিনি বলেন,

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الْكٰفِرِیْنَ اَوْلِیَآءَ مِنْ دُوْنِ الْمُؤْمِنِیْنَ١ؕ اَتُرِیْدُوْنَ اَنْ تَجْعَلُوْا لِلّٰهِ عَلَیْكُمْ سُلْطٰنًا مُّبِیْنًا
“হে ঈমানদারগণ! মুমিনদের বাদ দিয়ে কাফেরদেরকে নিজেদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা কি নিজেদের বিরুদ্ধে আল্লাহর হাতে সুস্পষ্ট প্রমাণ তুলে দিতে চাও?”
(সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৪৪)

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الْیَهُوْدَ وَ النَّصٰرٰۤى اَوْلِیَآءَ١ؔۘ بَعْضُهُمْ اَوْلِیَآءُ بَعْضٍ١ؕ وَ مَنْ یَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْ١ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَا یَهْدِی الْقَوْمَ الظّٰلِمِیْنَ
“হে ঈমানদারগণ! ইহুদী ও খ্রিস্টানদেরকে নিজেদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। আর যদি তোমাদের মধ্য থেকে কেউ তাদেরকে বন্ধু হিসেবে পরিগণিত করে তাহলে সেও তাদের মধ্যেই গণ্য হবে। অব্যশ্যই আল্লাহ‌ জালেমদেরকে নিজের পথনির্দেশনা থেকে বঞ্চিত রাখেন।” (সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত: ৫১)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِنْ دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًا وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ ۚ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ ۖ إِنْ كُنْتُمْ تَعْقِلُونَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোনো ক্রটি করে না। তোমরা কষ্টে থাকো, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দেওয়া হলো, যদি তোমরা তা অনুধাবণ করতে সমর্থ হও। (সূরা আল ইমরান, আয়াত: ১১৮)

~ আলী ওসমান শেফায়েত

71 Views

আরও পড়ুন

শার্শায় হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

যুক্তরাজ্যে ‘প্রজন্ম বিক্রমপুর ইউকে’ এর ইফতার মাহফিল

সাংবাদিকরা হলেন জাতির জাগ্রত বিবেক–এম এ মান্নান এম পি।

মৌলভীবাজারে আশ্রয়ন প্রকল্পে জেলা প্রশাসকের ইফতার 

নাগরপুরে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার পৌঁছে দিয়েছেন তারানা হালিম এমপি

ঊর্ধ্বগতির বাজার প্রবণতায় বুটেক্স শিক্ষার্থীদের ঈদ কেনাকাটা

পেকুয়ায় তারুণ্য উজানটিয়ার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৮

দোয়ারাবাজারে মদের চালানসহ দুই কারবারি আটক

পেকুয়ায় তারুণ্য উজানটিয়ার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের সফল অভিযান

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে মেঘনা পেট্রোলিয়াম শ্রমিক ইউনিয়ন-সিবিএ’র সৌজন্য সাক্ষাৎ