মিয়ানমার থেকে একদিনে এলো১হাজার২৩৯মেট্রিকটন পেঁয়াজ

নিউজ নিউজ

ভিশন ৭১

প্রকাশিত: ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩, ২০১৯

ফরহাদ আমিন:
মিয়ানমার থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রেখেছেন।সোমবার১০জন ব্যবসায়ীর কাছে২১টি ট্রলারে করে১হাজার২৩৯দশমিক৯৭৩মেট্রিকটন পেঁয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দরে এসেছে।চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে ২দফায় মিয়ানমার থেকে নৌপথে ১হাজার ৫৯৬দশমিক৯১৩টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের কাস্টমস সুপার আফসার উদ্দিন।
তিনি বলেন,ভারত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেন।এরপর ৩০শে সেপ্টেম্বর প্রথম মিয়ানমার থেকে প্রথম চালানে ৬৫০টন পেঁয়াজ আসে।এরপর থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে৪৭হাজার ৬৫৬টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।সকালে ব্যবসায়ী সজিবের৯৯দশমিক৮০০;হাশেমের১৯৯দশমিক৬০০;জব্বারের ১২২দশমিক২১৩; আরাফাতের৫৯দশমিক৮৮০; কামরুলের১১৯দশমিক৭৬০;নুরমোহাম্মদের২১৯দশমিক৫৬০;শুক্কুরের৫৯দশমিক৮৮০;সেলিমের১৯৯দশমিক৬০০;মহসিনের৫৯দশমিক৮৮০;বাহদুরের৯৯দশমিক৮০০মেট্রিকটন পেঁয়াজ স্থলবন্দরের আসে।এসব পেঁয়াজ খালাস করে বিভিন্ন স্তানে সরবরাহ করা হচ্ছে।তিনি আরো বলেন, ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানির দিকে ঝুঁকছে।যার ফলে অন্যান্য পণ্য আমদানি কম হচ্ছে।তবে দেশের স্বার্থে সংকট মোকাবিলায় পেঁয়াজ আমদানি বাড়াতে আরও বেশি উৎসাহিত করা হচ্ছে।
সূত্রে জানা যায়,মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য নিয়ে আসা ২১টি ট্রলার থেকে পেঁয়াজ খালাস করে শ্রমিকেরা ট্রাকে বোঝাই করছেন।
কয়েকজন আমদানিকারক জানান,দেশের সংকট মোকাবিলায় মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে ।আমদানিকৃত পেঁয়াজ স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট টেকনাফ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন,স্থলবন্দরের পেঁয়াজের পাশাপাশি অন্যান্য পণ্য থাকলেও আগে পেঁয়াজের ট্রলার খালাস করা হচ্ছে।সোমবার রাত সাড়ে সাতটা পর্যন্ত ৯৫টি পেঁয়াজ ভর্তি ট্রাক দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের উদ্দেশ্যে স্থলবন্দর ছেড়ে গেছে।