পবিত্র জিলহজ্ব মাসের গুরুত্ব—আশ্ফা খানম(হেলেন)

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২০

`হজ্ব’ শব্দের অর্থ ইচ্ছে করা । আর হজ্বের মাসটিকে `জিলহজ্ব’ মাস বলা হয় । হজ্বের মাসটিকে নিয়ে কোরআন মজীদে সুরা হজ্ব নামে একটি সুরাও রয়েছে । ইসলামিক ক্যালেন্ডারে জিলহজ্ব ১২তম বা বছরের শেষ মাস । ইসলামে প্রতিটি মাসের স্বকীয়তা বা বিশেষত্ব রয়েছে এর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, রীতিনীতির জন্য । তার মধ্যে ৪টি মাসকে পবিত্র মাস বলা হয় । সেগুলো হলো যথাক্রমে জিলক্বদ, জিলহজ্ব, রজব এবং মুহররম । আমরা একটু লক্ষ্য করলে দেখতে পাই যে রমজান মাসে দীর্ঘ ১ মাস রোজা রেখে আমরা আধ্যাত্মিকভাবে যে পবিত্রতা অর্জন করি তা জারি রাখার জন্য আল্লাহ সুবহানুওয়াতাআলা রমজানের পর পর মাসগুলোকে বিশেষভাবে মর্যাদা দান করেছেন । যেমন রমজানের পর শাওয়াল মাসের ৬ রোযা, জিলক্বদ, পবিত্র মাসের পর জিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ রোযা বিশেষ করে আরাফাতের দিনের রোয়া বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ।

আমরা আমাদের প্রিয় নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)- এর উম্মতেরা পূর্বে আগত নবী রাসূলদের উম্মতদের মতো দীর্ঘ জীবন লাভ না করতে পারার কারণে আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলা আমাদের এই স্বল্প পরিসরের জীবনে হাজার দিনের সমান ইবাদতের সওয়াব অর্জনের জন্য মেহেরবানি করে কিছু অফার বা সুযোগ দান করেছেন । একদা প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন ‚তোমরা কি জানো রমজানের রোজা ব্যতীত কোন সময়ের রোজা বেশি মর্যাদাপূর্ণ ?” উপস্থিত সাহাবীরা মনে করলেন, শাবান বা শাওয়াল মাসের রোজা গুরুত্বপূর্ণ । রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) জানালেন রমজান মাসের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ তাৎপর্যপূর্ণ রোজা হচ্ছে জিলহজ্ব মাসের ( আরাফাতের দিনের) রোজা । হয়রত আবু বকর সিদ্দিকি (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, এই জিলহজ্ব মাসেই রয়েছে সবচেয়ে পবিত্র দিন, পবিত্র মাস এবং পবিত্র ভূমি ।

বিশেষ করে জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ : কারণ –
১। মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহানুওয়াতাআলা দ্বীন ইসলামকে এই মাসের দশম দিনে সম্পূর্ণ ঘোষণা করেন ।
২। এই ১০ দিনে সকল ভালোকাজের নেকী অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয় ।
৩। ইসলামের যে ৫টি স্তম্ভ’ তা এই জিলহজ্ব মাসেই খুঁজে পাই ।

(ক) শাহাদাহঃ
আল্লাহর একত্ববাদ ঘোষণা এবং তাসবীহ (সুবাহনাতায়ালা), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ), তাহমিদ (আলহামদুল্লিল্লাহ) – এর মাধ্যমে তা ঘোষণা দেয়া হয় ।এটি এভাবে পড়া যায় আল্লাহু আকবার.. আল্লাহু আকবার.. আল্লাহু আকবার.. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার.. আল্লাহু আকবার.. ওয়া লিল্লাহিল হামদ (অর্থ- আল্লাহ মহান..আল্লাহ মহান..আল্লাহ মহান..আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই..আল্লাহ মহান..আল্লাহ মহান..সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য) ।এই সময় রাসূলের সাহাবীরা বাজারে যেতেন এবং জোরে জোরে তাকবীর দিতেন যেন বাজারে মানুষরা তা শোনে এবং পড়ে । আমাদেরও তাদের পদাংক অনুসরণ করা উচিত । এক্ষেত্রে পুরুষরা জোরে এবং মেয়েরা নিচু স্বরে পড়বেন ।

(খ) জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনের রোজা রাখার মাধ্যমে আমরা রমজান মাসের রোজাকে খুঁজে পাই । বিশেষ করে আরাফাতের দিনের রোজা ।মহান আল্লাহ সুবহানুওয়াতাআলা বলেন, আদমের সব সন্তানরা তাদের কর্ম নিজেদের জন্য কামাই করে শুধুমাত্র রোজা ব্যতীত এটি আমার জন্য এবং আমি এর পুরস্কার দিবো । (সহি বুখারী ১৮০৫১), আমাদের দেশে হাজীদের আরাফাতের দিন ৮ই জিলহজ্ব হয় তাই এই শ্রেষ্ঠ দিনের ফযিলত থেকে আমরা যেন বঞ্চিত না হয় সেজন্য ৮ ও ৯ই জিলহজ্ব রোজা রাখা উত্তম । উল্লেখ্য যে প্রিয় নবী ও রাসূল হয়রত মুহাম্মদ (সাঃ) জিলহজ্ব মাসের প্রথম দিন, আশুরার দিন, আইয়ামের বীজ ৩ দিন এবং মাসের প্রথম সোমবার এবং দুই বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।(আবু দাউদ ২/৪৬২)

(গ) রমজানের পাঁচ ওয়াক্ত নামায আমরা খুশু খুজু সহকারে পড়ি । আর জিলহজ্ব মাসেও সেভাবে পড়া উচিত । কারণ এই মাসের বিশেষ করে প্রথম ১০ দিনের ইবাদতের ফজিলতের কারণে একে সবচেয়ে পবিত্র মাস, Season of mercy, Season of Forgiveness – এর মর্যাদায় ভূষিত করে । অতএব আমরা যেন আল্লাহর নিকট এ সময় ফরজের পাশাপাশি বেশি বেশি নফল ইবাদত এবং তাওবা ইস্তেগফারের মাধ্যমে আমাদের গুনাহ থেকে আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা করিয়ে নেয়ার সুযোগ থেকে নিজেদের বঞ্চিত না করি ।

(ঘ) এ সময় বেশি বেশি দান সাদকার মাধ্যমে আমরা যাকাতকে খুঁজে পাই । বিশেষ করে এ মাসের প্রথম ১০ দিনে দান সাদকা নেকীকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়া হয় । অতি নেকীর আশায় এই সময় যাকাতও দেয়া হয় ।

(ঙ) ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ হজ্ব যা সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য ফরজ তাΎ এ মাসে পালন করা হয় । হজ্ব সেই পরিমাণ সম্পদশালী এবং শারীরিকভাবে যোগ্য ব্যক্তির জন্য ফরজ যার অনুপস্থিতিতে তার পরিবার ভরণ পোষণের খরচ সুন্দরভাবে চালিয়ে নিতে পারবেন । যারা অসামর্থ্য তাদের জন্যও মহান আল্লাহ্ সুবহানুওয়াতাআলা উমরা কিংবা হজ্জ্ব পালন করার মতো নেকী কামাই করার সুযোগ রেখেছেন । এদের কিছু উল্লেখিত হল— (১) ঘরে অযু করে মসজিদে জামাআতে সালাত আদায় করা । (২) ফজরেরে নামাযের পর পর জিকির করে সূর্য উদয়ের পর ইশরাকের নামায পড়া ।(৩) মসজিদে জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে গমন করা । (৪) সকাল সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানআল্লাহ পাঠ করা । (৫) মা-বাবার সেবা যত্ন করা । (৬) কোন অভাবী মুসলমান ভাই ও বোনের চাহিদা পূরণ করা । (৭) জিলহাজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিন ভাল কাজ করা । সুরা ফজর এর প্রথম দু’ আয়াতে যে ফজর এবং ১০ রাতের কথা আল্লাহ্ সুবহানুওয়াতাআলা বলেছেন অধিকাংশ স্কলারদের মতে তা জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিন ।
ইসলামী ঐতিহ্য অনুসারে জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিন সবচেয়ে পবিত্র দিন । তাই ইমাম আলীর মতে ৯-১০ জিলহজ্বে বিবাহ সম্বন্ধ করার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ দিন ।

রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ সুবহানাতা’লার নিকট এই ১০ দিনের ভালো কাজগুলো অন্য দিন অপেক্ষা বেশি প্রিয় (বুখারী) ।তাই আমরা অতিরিক্ত্ কিছু ভালো কাজের মাধ্যমে এইদিনগুলো কাজে লাগাতে পারি । যেমনঃ
১। কুরআন পড়াঃ যত বেশি সম্ভব অর্থ সহ বুঝে কুরাআন তেলাওয়াত করা ;
২। নফল ইবাদত বেশি বেশি করা ; ‘
৩। বেশি বেশি আল্লাহর জিকির বা স্মরণ করা সেক্ষেত্রে তাকবীর, তাহমিদ, তাহলীল পড়া ; ‘
৪। বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করা ;
৫। রোজা রাখা বিশেষ করে প্রথম ১০ দিন ; বিশেষতঃ আরাফাতের দিনের রোজা, প্রিয় নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন আরাফাতের রোজার মাধ্যমে মহান আল্লাহ সুবহানুওয়াতাআলা বিগত ও আগামী বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন ।
৬। বেশি বেশি দান সাদকা করা ;
৭। আত্মীয়তার বন্ধন দৃঢ় করা । প্রিয় রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, যারা তাদের জীবনকে বা আয়ুকে দীর্ঘায়িত করতে চান তারা যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে । (বুখারী) এবং সর্বশেষে কুরবানী দেয়া এবং বছরের অন্য দিনের চেয়ে এই দিনগুলোতে নিজেকে আরো বেশি খোদাভীরু ভালো মানুষ হিসেবে গুন অর্জন করার চেষ্টা করা । জিলহজ্ব মাস হচ্ছে বান্দার জন্য মালিক আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলার তরফ থেকে স্পেশাল অফার ।

পবিত্র ঈদুল আযহার দিনের সুন্নত সমূহ ;

ক) তাকবীর পাঠ করা ;
খ) ঈদের সালাতের পূর্বে না খাওয়া ;
গ) গোসল করা ;
ঘ) উত্তম পোশাক পরা ;
ঙ) পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া, এক রাস্তা দিয়ে গিয়ে অন্য রাস্তায় ফিরে আসা সুন্নত ।
চ) মেয়েদেরকে ঈদগাহে নিয়ে যাওয়া, নারীদের জন্য পবিত্র ঈদের দিন ছাড়া অন্যদিনগুলোতে ঘরে নামাজ পড়া উত্তম হলেও রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) ঈদের নামাজে মেয়েদের শরিক হতে উৎসাহ দিয়েছেন এমন কি তারা ঋতুবতী হলেও ঈদগাহে উপস্থিত থেকে আনন্দে শরিক হতে বলেছেন । আল্লাহর নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানানো হয় অনেক মেয়ে তাদের ওড়নার অভাবে ঈদগাহে আসতে পারছেন না । তিনি বলেন, তাদেরকে বলো যাদের ওড়না আছে তাদের সাথে শেয়ার করতে বা তাদের ওড়না নিয়ে একত্রে ঈদগাহে শরীক হতে ।

ছ) ঈদের শুভেচ্ছা জানানো । আল্লাহর নবী বলতেন —তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’ অর্থ আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলা আমাদের উভয়ের নেক আমল মঞ্জুর করুন ।
জ) কোরবানির গোশত দিয়ে দিনের প্রথম খাবার খাওয়া সুন্নত । কারণ এটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরবানী দেয়া হয় । তাই এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে হাদীয়া ।
ঝ) যিনি কুরবানী দিবেন তিনি জিলহজ্ব মাসের ১ তারিখে কুরবানীর পশু জবাই না দেয়া পর্যন্ত নখ, চুল, ইত্যাদি না কাঁটা ।
আজকাল গোশতের পরিমাণ নির্ধারণ করে দাম নির্ধারণ করে কুরবানী দেয়ার নতুন পদ্ধতি চালু হচ্ছে, আলেমদের মতে এতে কুরবানী বিশুদ্ধ হবে না । কারণ –
১। কুরবানীর পশু পূর্ণভাবে জবাই করতে হবে ।
২। বড় কোন ত্রুটি থাকলে কুরবানী হয় না। মাথা, চোখ, ভুঁড়ি এগুলো গোশতের ওজন পরিমানের হিসেবে না আসলে ত্রুটি থেকে যাবে ।
৩। কুরবানীর পশু জবাই করার আগে এর মূল্য নির্ধারণ করতে হবে ।
৪। ঈদের নামাজের পূর্বে পশু জবাই করলে কুরবানী হবে না । কুরবানী দিলেও আমাদের মনে রাখতে হবে এর গোশত বা রক্ত কিছুই আল্লাহর কাছে পৌঁছাবে না শুধুমাত্র আমাদের নেক নিয়্যত বা তাকওয়া বা খোদাভীরুদের কষ্ট আল্লাহ দেখবেন । ঠিক যেভাবে তিনি হয়রত ইবরাহিম (আঃ)কে পরীক্ষা করেছিলেন । কিন্তু আমরা কুরবানীর পশুকে আজকাল প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু বানিয়ে ফেলেছি । এতে আমাদের কুরবানী কবুল হবে না । তাই পশুর ছবি প্রদর্শন ও দাম নিয়ে বড়াই করা থেকে বিরত থাকতে হবে । আবার যারা গরুভাগে কুরবানী দেন তারা যেন গোশতের ভাগ নিয়ে কোন রকম মনে অসন্তোষ প্রকাশ না করেন। এতে কুরবানীর আসল উদ্দেশ্যই নষ্ট হয়ে যাবে ।

ইসলামী স্কলারদের মতে খুশিমনে সন্তুষ্ট চিত্তে কুরবানীর গোশতের ভাগ নিয়ে তার ১ ভাগ নিজের জন্য, ১ ভাগ পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয় স্বজন এবং ১ ভাগ গরীব মিসকিনকে যেন আমরা বণ্টন করি । ডীপ ফ্রিজে গোশত বোঝাই করে রাখার কুরবানীর অর্থ তা নিজে খাওয়ার উদ্দ্যেশে কুরবানী করা । এখানে আরো উল্লেখ্য যে, একদা রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) দুইটি দুম্বা কুরবানী দেয়ার উদাহারণ দেখিয়ে আজকাল অনেক সামর্থ্যবান ব্যক্তিও অস্বচ্ছল বা দুর্বল ব্যক্তিদের মতো কুরবানী দিতে চান । অথচ বিদায় হজ্জ্বের দিন রাসূল (সাঃ) ১০০টি উট কুরবানী দেয়ার কথা তারা বলতে চান না । প্রকৃতপক্ষে যার যার সামাজিক মর্যাদা ও সামর্থ্য অনুসারে আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়ত-এ কুরবানী দিতে হবে । এতে যদি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র, বন্যা উপদ্রুত অসংখ্য মানুষ একটু গোশত খাওয়ার সুযোগ পায় তাতে আল্লাহর সন্তুষ্টিই তো অর্জন হবে । কারণ এই সম্পদ তো আল্লাহরই দান । অতএব তার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এবং অনাহারীদের আহার করানোতেই তো কুরবানী ঈদের আনন্দ । মনে রাখতে হবে কুরবানীর ঈদ হচ্ছে ত্যাগের ঈদ মনের পশুকে কুরবানী করার ঈদ ।

সর্বোপরি ভুলে গেলে চলবে না দুই ঈদের রাত (ঈদের দিনের পূর্ব রাত) দোয়া কবুলের রাত এবং আল্লাহর তরফ থেকে নির্ধারিত আমাদের জন্য বিশেষ উৎসবের রাত । তাই এই রাতে বেশি বেশি নফল ইবাদতের মাধ্যমে তাওবা ও ইস্তেগফার করে আমরা যেন মহান আল্লাহ সুবহানুওয়াতাআলা নিকট ফায়েদা হাসিল করতে পারি । আল্লাহ সুবহান তা’লা আমাদেরকে তাঁর দীনের তরীকা সহজভাবে বুঝার, পালন করার এবং তাকে সন্তুষ্ট করার তাওফিক দান করুন । আমিন ছুম্মা আমিন ।

লেখকঃ প্রিন্সিপ্যাল, সিভিএনএস এবং নারী উন্নয়ন কর্মী ।