পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ২১৭.৭৮ একর জমিতে হচ্ছে অর্থনৈতিক জোন

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২০

মো.সফিকুল আলম দোলন,প্রতিনিধি,পঞ্চগড় ঃ

পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জে দীর্ঘ প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে । এ উপজেলার দেবীগঞ্জ, দেবীডুবা ও সোনাহার ইউনিয়নের প্রধানপুর, দেবীডুবা, ও দাড়ারহাট মৌজায় ২১৭.৭৮ একর জমিতে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। এ উপলক্ষে সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নিকট চুক্তি স্বাক্ষর ও দলিল সম্পাদন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) পক্ষে সহকারী ব্যবস্থাপক একেএম আনোয়ার দলিলে স্বাক্ষর করেন। জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে রেলপথমন্ত্রী এডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন ঢাকা থেকে ভাচর্যুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন । অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পঞ্চগড়- ১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান। ভাচর্যুয়ালি যোগদান করেন পঞ্চগড় জেলার করোনার সমন্বয়কারী ভূমি সচিব মাক্‌ছুদুর রহমান পাটওয়ারী, বিভাগীয় কমিশনার আবদুল ওয়াহাব ভূঞা। এ ছাড়া পঞ্চগড় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) পক্ষে সহকারী ব্যবস্থাপক একেএম আনোয়ার, দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক চিশতি, দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রত্যয় হাসান ও দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী বক্তব্য দেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মান্নান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।অনুষ্ঠানে রেলপথমন্ত্রী এডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন ঢাকা থেকে ভাচর্যুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার। কিন্তু তাকে হত্যার পর সেই স্বপ্ন বাধাগ্রস্থ হয়েছে। বর্তমানে তারই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই দেশ একদিন বিশ্বের বুকে মর্যাদার আসনে পৌঁছে যাবে। তিনি বলেন, কৃষিতে এগিয়ে থাকা দেশকে এখন শিল্প বিল্পবের দিকে নিয়ে যেতে হবে। এজন্য সরকার সারা দেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। এতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্যের চাহিদাও বাড়বে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতির চাকা সব সময় সচল থাকবে।