নারী মাদকাসক্তের ভয়ংকর রূপ !

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ২:৫৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

মোঃ মজিবর রহমান।

মানুষ যখন মাদকাসক্ত হয়,
অট্টালিকায় গায়-
গাঁজার নৌকা পাহাড় দিয়া যায়।

কিছু মেয়ে কলেজে পড়ে বন্ধু নিয়ে মাদক ধরে।
ভালোবাসায় বিয়ে করে।
উভয় মিলে মিশে মাদক গ্রহণ করে।
বিয়ের পরে মাদক গ্রহণ যায় বেড়ে।

বিয়ে বিচ্ছেদ হয়,
মা বাবা মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নেয়।
ধীরে ধীরে সুস্থ হয়।

রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশে নারী মাদকের নীল জালে।
আটকিয়ে পড়ে যায় কত মেয়ে শালে।
গত পাঁচ বছরে নারী মাদকাসক্তের হার নয় গুন বৃদ্ধি।
তাদের আটক করার জন্য চলছে অভিযান শুদ্ধি।

পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে আল্লা ভুলে নারী মাদকাসক্ত বাড়ছে ।
পরিবারের কলহ কারন তেতাল্লিশ শতাংশ, বিশেষজ্ঞরা বলছে।
ষোড়শী হতে পয়ত্রিশ বছরের মেয়ে শিক্ষার্থী।
মাদক সেবনে বন্ধু বাড়ায়,বাড়ায় সতীর্থ।

তধ্বোর্ধ মাদকাসক্ত নারী বিবাহিত।
এ সব তথ্য অতি সত্য মিডিয়ায় প্রকাশিত।
মেয়ে শিক্ষার্থীরা গাঁজা, স্লিপিং পিল নেয় বেশী।
ইয়াবা খাইয়া হয় নেশী।
হেরোইন সিগারেট খায়,
যেন ইটভাটার চুল্লি দিয়া ধুয়া দেয়।

পরিবারের সাথে বনিবনা না হওয়া কারন।
দুশ্চিন্তা হতাশা প্রয়োজন বাড়ন।

মাদকে পুরুষ থেকে নারীর ক্ষতি অধিক।
এইচ আই ভি যকৃতের সমস্যায় পড়ে হারায় দিকবিদিক
সামাজিক সংকটে মা বাবার মায়ায় রাখা চাই।
বাড়ছে মাদক প্যারেন্টিং কারন দুর্বলতাই।

কিছু মেয়ে মাদক গ্রহণে অনাকাঙ্কিত গর্ভধারণ করে।
দায়ী ছেলে শনাক্তের সম্ভাবনায় সটকে পড়ে।

‘ডাকওয়েব’ তথ্য প্রযুক্তির মাদকের গোপনীয় বাজার।
সে দিকে কর্তৃপক্ষের রাখা চাই নজর।

এখনও পুরুষ মাদকাসক্ত অধিক।
তাদের স্বাস্থ্য শক্ত মাটির তৈরী বলে সমাজে চলে স্বাভাবিক।

বিধি তুমি করোনার করাল গ্রাস আর মাদকমুক্ত সমাজ দাও।
সব পাপ তাপ বালা তুলে নাও।

লিখেছেন – মো: মজিবুর রহমান
বাংলা বিভাগ, ঢাক বিশ্ববিদ্যালয়
সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার।
কেরানীগঞ্জ,ঢাকা।

সংগ্রহে-সাংবাদিক মফিজুল ইসলাম সৌরভ