দেওয়ানগঞ্জে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গন : বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি বসত ভিটা

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১২:১৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০

রোকনুজ্জামান সবুজ জামালপুর ঃ

ব্রক্ষপুত্রের ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভয়াবহ ভাঙ্গনের ফলে বিলীন হচ্ছে হাজার হাজার
একর ফসলি জমি ও শতশত বসতভিটা । আবাদি জমি ও বসতভিটা হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজার মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ও ৬ নং ওয়ার্ডের অধিকাংশ ৭ নং ওয়ার্ডের পুরোটাই বিলীন হয়েছে। এ অঞ্চলের কাউনের চর, গুচ্ছগ্রাম, বেপারীপাড়া, সরকারপাড়ার ,শেখপাড়া,গায়েনপাড়ার অধিকাংশসহ চরখড়মা, নান্দেকুড়া গ্রামের হাজার পরিবারের বসতভিটা, আবাদি জমি,শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে বিলীন হয়েছে।
এসব মানুষগুলো পার্শবতর্ী বকশীগঞ্জ উপজেলার কলকিহারা, মাইছানিরচর, দুর্গাপুর এবং ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর, ফকিরপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রতি বছর নদী ভাঙ্গনের ফলে বসতবাড়ী ও হাজার হাজার একর আবাদি জমি বিলীন হলেও প্রতিকারের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষ।
এ নিয়ে ভাঙ্গন কবলিতদের ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নদী
ভাঙ্গনের শিকার হাজার হাজার মানুষ জীবন জীবীকার তাগিদে দিগ্বিদিক ছুটছেন। অনেকেই অভাবের তাড়নায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
কাউনের চরের মাহবুবুর রহমান ঘুটু বলেন, এক সময় আমার বসতভিটা ও স্বাচ্ছন্দে দিন চলার মতো ফসলি জমি সবই ছিলো। সর্বনাশা ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনে আজ আমি নিঃস্ব।
দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম, নুর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, মো. হারুনুর রশিদ ও মহিলা ইউপি সদস্য ইয়াসমিন আক্তার বলেন, প্রতিবছরই ব্রহ্মপুত্র বসতবাড়ি, ফসলি জমি ভেঙ্গে নিচ্ছে। এ বছর বর্ষার শুরু থেকে অধ্যবদি ৩ শতাধিক পরিবারের বসতভিটা ও শতশত একর ফসলি জমি ভেঙ্গে নিয়েছে। বর্তমান সরকারে কাছে আমাদের
একটাই চাওয়া ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গন থেকে এ অঞ্চলের মানুষগুলোকে যেন রক্ষা করেন।
এ ব্যাপারে দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ছামিউল হক বলেন, আমার ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা জুড়ে এই নদী ভাঙ্গন বছরের পর বছর চলছে। হাজার হাজার মানুষ তাদের বসতভিটা আবাদী জমি হারিয়ে অভাব অনটনে মানবেতর দিনাতিপাত করছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।