টেকনাফ স্থলবন্দরে নভেম্বর মাসে মাসিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি

নিউজ নিউজ

ভিশন ৭১

প্রকাশিত: ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩, ২০১৯

ফরহাদ আমিন:
কক্সবাজারের টেকনাফে স্থলবন্দরে সদ্যসমাপ্ত নভেম্বর মাসে সাড়ে ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হলেও মাসিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।ওই সময়ে মিয়ানমার থেকে পেয়াঁজের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয় কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন শুল্ক বিভাগ।
টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মো. আবসার উদ্দিন বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নিধারণ করে দেন ১৩ কোটি ৫৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তবে নভেম্বর মাসে ৪৮৪টি শুল্কায়নের মাধ্যমে ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৬ হাজার টাকার রাজস্ব আয় হলেও মাসিক লক্ষ্যমাত্রা অজিত হয়নি।এতে কম আদায় হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার টাকা।এ মাসে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১২৫ কোটি ৫৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকার।বিশেষ করে.মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ২১হাজার ৫৬০মেট্রিক টন। যাহার আমদানিমূল্য ৯৪ কোটি ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩৮০ টাকার হলেও পেয়াঁজ আমদানিতে কোনো ধরনে রাজস্ব নেই।এছাড়া শাহপরীর দ্বীপ করিডর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ৪হাজার ২৩১টি গরু, ১হাজার ৮৭৮টি মহিষ আমদানি থেকে ৩০ লাখ ৫৪ হাজার ৭০০ টাকা রাজস্ব আয় হয়।অপরদিকে,বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ২ কোটি ৪৩ হাজার টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন,নভেম্বর মাসে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য পণ্যসামগ্রী অনেক কম এসেছে। যার ফলে মাসিক লক্ষ্যমাত্রা অজিত হয়নি। দেশের চাহিদা মেটাতে স্থাণীয় ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে প্রচুর পরিমানে পেঁয়াজ আমদানি করছেন। তবে অন্যান্য পণ্য আমদানি বাড়াতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।