সোমবার ২৯শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
আমাদের সম্পর্কে
যোগাযোগ

টি-টোয়েন্টির নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

নভেম্বর ১৪, ২০২১
প্রিন্ট
নিউজ ভিশন

রাফিউল ইসলাম রাব্বি, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ১৭৩/২ (১৮.৫ ওভার)

নিউ জিল্যান্ড ১৭২/৪ (২০ ওভার)

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী। 

ওয়ানডের সবচেয়ে সফলতম দল। বিশ্বকাপ জেতা হয়েছে পাঁচ পাঁচবার। অথচ তাদেরই নেই একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ! আগের ছয় আসরে একবারই সুযোগ এসেছিল। সেবার হাত ফসকে বেরিয়ে যায় শিরোপা। এবার আর কোনো ভুল নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপার অপেক্ষা ফুরালো অস্ট্রেলিয়ার।

নিউ জিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল অস্ট্রেলিয়া। দুবাইয়ে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৭২ রানের পুঁজি পেয়েছিল নিউ জিল্যান্ড। কেন উইলিয়ামসনের অতিমানবীয় ৪৮ বলে ৮৫ রানের ইনিংসটি ছিল চোখ ধাঁধানো। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের জবাবে ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়া শেষ করে ৭৭ বল আগে।

ওয়ার্নার ৫৩ রানে বিদায় নিলেও মার্শ ৭৭ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন। মার্শের সঙ্গে ৬৬ রানের জুটি গড়ার পথে ২৮ রান করেন ম্যাক্সওয়েল।  

৩০ বলে দরকার ৩৭ রান

লক্ষ্যে পথে ভালোভাবেই এগোচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। ১৫ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ১৩৬। শেষ ৫ ওভারে তাদের দরকার ৩৭ রান। ম্যাচে কোনো রোমাঞ্চ ছড়াবে নাকি অস্ট্রেলিয়া হেসেখেলেই জিতে যাবে? কিছুক্ষণের মধ্যেই পাওয়া যাবে উত্তর।

বোল্ট ফিরে ভাঙলেন ওয়ার্নার-মার্শ জুটি

মাত্র ৫৯ বলে ৯২ রানের জুটি গড়ে নিউ জিল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ। সেঞ্চুরির পথে আগানো এ জুটি ভেঙে কিউইদের ম্যাচে ফেরালেন ট্রেন্ট বোল্ট। ১৩তম ওভারে বাঁহাতি পেসারের বল স্লগ করতে গিয়ে বোল্ড হন ওয়ার্নার। ৩৮ বলে ৫৩ রান করেন ওয়ার্নার। ৪ চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি ওপেনার।

পাল্টা জবাবে অস্ট্রেলিয়ার দাপট 

পাওয়ার প্লে’ ঠিকঠাক মতো কাজে লাগাতে না পারলেও পরের ৪ ওভারে দাপট দেখাল অস্ট্রেলিয়া। ৬ ওভারে তাদের রান ছিল ৪৩। ১০ ওভারে এখন রান ৮২। ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের দৃঢ়তায় পাল্টা জবাব দিচ্ছে তারা। শেষ ১০ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ৯১ রান। নিউ জিল্যান্ড শেষ ১০ ওভারে ১১৫ রান তুলেছিল। ওয়ার্নারদের জন্য লক্ষ্যটা নাগালেই।  

পাওয়ার প্লে’তে সমানে সমান লড়াই

১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হলো না অস্ট্রেলিয়ার। তৃতীয় ওভারে অসিরা হারায় অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে। বোল্টের বল এগিয়ে এসে উড়াতে গিয়ে মিচেলের হাতে ক্যাচ দেন। ৭ বলে ৫ রান করেন ফিঞ্চ। এরপর অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রতিরোধ গড়েন মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। দুজনের প্রতি আক্রমণে পাওয়ার প্লে’তে লড়াই করলো তারা। চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে ২৫ রান তুলেছেন দুই ব্যাটসম্যান। সব মিলিয়ে ৬ ওভার শেষে তাদের রান ১ উইকেটে ৪৩।  

বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার চাই ১৭৩ রান

উইলিয়ামসনের অতিমানবীয় ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৩ রানের টার্গেট দিল নিউ জিল্যান্ড। টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে দুবাইয়ে নিউ জিল্যান্ড ৪ উইকেটে করে ১৭২ রান। যা বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ দলীয় রান।

উইলিয়ামসন মাত্র ৪৮ বলে ৮৫ রান করেন। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু পুঁজি পেয়েছে কিউইরা। প্রথম ১০ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের রান ছিল মাত্র ৫৭। শেষ ১০ ওভারে ১১৫ রান তুলে অস্ট্রেলিয়াকে কঠিন চ্যালেঞ্জ দিল তারা।

এর পুরো কৃতিত্বটাই কিউই অধিনায়কের। দলকে খাদের কিনারা থেকে তুলে ভালো অবস্থানে নিয়ে গেছেন। ১০ চার ও ৩ ছক্কায় সাজান তার ক্যামিও ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন গাপটিল। এছাড়া ফিলিপস ১৮, নিশাম ১৩ রান করেন।

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় রান:   

নিউ জিল্যান্ড ১৭২/৪ (প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ২০২১)

ভারত ১৫৭/৫ (প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, ২০০৭)

ইংল্যান্ড ১৫৫/৯ (প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০১৬)

ঝড় তুলে থামলেন উইলিয়ামসন 

বড় মঞ্চের বড় তারকা বুঝি একেই বলে। কেন উইলিয়ামসন বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চ যেভাবে মাতালেন তা ক্রিকেটপ্রেমিদের মনে থাকবে অনন্তকাল। ৩২ বলে ফিফটি পাওয়ার পর ডানহাতি ব্যাটসম্যান এলোমেলো করে দেন অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের। তাতে উড়ল নিউ জিল্যান্ডের রান। ৪৮ বলে ৮৫ রান করে থামেন তারকা ব্যাটসম্যান। ১০ চার ও ৩ ছক্কায় সাজান তার ক্যামিও ইনিংস। তাকে থামান পেসার জস হ্যাজেলউড। এর আগে হ্যাজেলউড ফিলিপসের উইকেটও নেন। ১৮তম ওভারে দুটি উইকেট নেন অসি পেসার।

বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ রান

মার্লন স্যামুয়েলস ৮৫* (প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড-২০১৬)

কেন উইলিয়ামসন ৮৫ (প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া-২০২১)

স্টার্ককে আবারো তুলোধুনো করলেন উইলিয়ামসন

১১তম ওভারে মিচেল স্টার্ক দ্বিতীয় স্পেল করতে এসে ১৯ রান দিয়েছিলেন। ১৬তম ওভারে তৃতীয় স্পেল ফিরে বাঁহাতি পেসার খরচ করলেন ২২ রান। উইলিয়ামসনের ব্যাটে তুলোধুনো হলেন অসি পেসার। প্রথম দুই বলে দুটি চারের পর একটি ছক্কা। পরের বলটি ডট। পঞ্চম ও ষষ্ঠ বল আবারো চার! উইলিয়ামসনের বিশ্বকাপ ফাইনাল রঙিণ হলেও স্টার্ক যেন অথৈ জলে হাবুডুবু খাচ্ছেন।

উইলিয়ামসনের ফিফটি

১৩তম ওভারে ম্যাক্সওয়েলকে পরপর দুই বলে দুই ছক্কা হাঁকালেন উইলিয়ামসন। ৩৯ থেকে তার রান পৌঁছে গেল ৫১-এ। শুরুতে একটু সময় নিলেও কিউই অধিনায়ক দারুণভাবে ফিরে এসে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন। ৩২ বলে পেয়েছেন ৫০ রানের স্বাদ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে এটি দ্রুততম ফিফটি। তার ব্যাটে এগোচ্ছে নিউ জিল্যান্ড।

গাপটিলকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে স্বস্তি দিলেন জাম্পা

উইলিয়ামসন ও গাপটিলের জুটি ভয় দেখাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়াকে। দুজনই থিতু হয়েছিলেন। খোলস থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছিলেন। বিপজ্জনক এ জুটি ভাঙার দরকার ছিল। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে কাজটা করলেন অ্যাডাম জাম্পা। তার ঘূর্ণিতে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন গাপটিল। ৩৫ বলে ২৮ রান করে ফেরেন নিউ জিল্যান্ডের ওপেনার।

নিউ জিল্যান্ডের স্বপ্নের ওভার

১১তম ওভার দারুণ কাটলো নিউ জিল্যান্ডের। মিচেল স্টার্কের করা ওভার থেকে ১৯ রান পেল তারা। প্রথম তিন বলে এসেছিল মাত্র ৪ রান। পরের দুই বলে উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে আসে দুই চার। পঞ্চম বলটি ছিল নো। ওই বলেও চার আদায় করে নেন কিউই অধিনায়ক। শেষ বলে ২ রান নিয়ে উইলিয়ামসন শেষটাও ভালো করেন। বড় রান করতে হলে এরকম দুই তিনটি ওভারই যথেষ্ট।

নিউ জিল্যান্ডের হাল ধরেছেন উইলিয়ামসন-গাপটিল

অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান তোলা যেন ভুলেই গেছে নিউ জিল্যান্ড। প্রথম ১০ ওভারে স্কোরবোর্ডে তাদের রান মাত্র ৫৭! রান রেট ৫.৭। উইকেট মন্থর। বল ব্যাটে আসছে থেমে থেমে। এমন উইকেটে শট খেলা কঠিন। তবে নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা স্ট্রাইক রোটেট করতে পারছেন না। তাতে চাপ বাড়ছে। উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও গাপটিল হাল ধরেছেন। তাদের ব্যাটেই তাকিয়ে আছে নিউ জিল্যান্ড।

পাওয়ার প্লে’তে নড়বড়ে নিউ জিল্যান্ড 

বৃত্তের সুবিধা কাজে লাগাতে পারল না নিউ জিল্যান্ড। প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৩২ রান তুলেছে তারা। হারিয়েছে ১ উইকেট। মাত্র ৩টি চার ও ১টি ছক্কা এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে হাত খুলে রান নিতে পারছেন না। বড় সংগ্রহ পেতে হলে শেষ দিকে কাউকে না কাউকে বিধ্বংসী ব্যাটিং করতে হবে।

নিউ জিল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেন হ্যাজেলউড

নিউ জিল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি বড় হতে দিলেন না জস হ্যাজেলউড। দারুণ এক স্লোয়ারে ফিরিয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের সেমিফাইনালের নায়ক ডার্ল মিচেলকে। তার ক্রস সিম ডেলিভারীতে আলতো টোকা দিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মিচেল। ৮ বলে ১১ রান করে ফিরেছেন তিনি। ২৮ রানে প্রথম উইকেট হারাল নিউ জিল্যান্ড। নতুন ব্যাটসম্যান কেন উইলিয়ামসন।

শুরুতেই গাপটিলকে জীবন দিলেন ওয়েড

ম্যাচের তৃতীয় ওভার। বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই ছক্কা হজম করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ওপেনার ডার্ল মিচেল লং সীমানা পার করেন অতি সহজে। অফস্পিনার তৃতীয় বলে উইকেট পেয়ে যেতে পারতেন। তার শর্ট বল কাট করতে চেয়েছিলেন ১০ রানে ব্যাটিং করা গাপটিল। টাইমিং মেলেনি। ব্যাটে লেগে বল যায় উইকেটের পেছনে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সেমিফাইনালের নায়ক ম্যাথু ওয়েড বল তালুবন্দী করতে পারেননি।

অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিং, নিউ জিল্যান্ডের সতর্ক শুরু

পেসার স্টার্কের করা ইনিংসের দ্বিতীয় বলে টাইমিং মেলাতে পারলেন গাপটিল। পয়েন্ট ও গালির গ্যাপ দিয়ে বল গেল সীমানায়। ৪ রানে শুরু নিউ জিল্যান্ডের ফাইনালের ইনিংস। পরের ওভারে হ্যাজেলউডকেও আরেকটি চার হাঁকান গাপটিল। অস্ট্রেলিয়ার বোলিং নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। কোনো আলগা বল করছে না। নিউ জিল্যান্ড সতর্কভাবে এগোচ্ছে।

নিউ জিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়া টস জিতেছে এবং প্রত্যাশিতভাবে ফিল্ডিং নিয়েছে। নিউ জিল্যান্ড আগে ব্যাটিং করবে। দুবাইয়ের এই মাঠে গত ১৭টি রাতের টি-টোয়েন্টির ১৬টি জিতেছে পরে ব্যাটিং করা দল। তাতে কিছুটা হলেও হয়তো এগিয়ে থাকল অস্ট্রেলিয়া। এই মাঠে যে একটি ম্যাচ আগে ব্যাটিং করা দল জিতেছে, সেই দলটি কিন্তু নিউ জিল্যান্ড। স্কটল্যান্ডকে সুপার টুয়েলভে ১৬ রানে জিতেছিল তারা।

আর কিছুক্ষণ পর ফাইনালের টস

কিছুক্ষণ পরই আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের টস। অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ড মুখোমুখি তাদের প্রথম ট্রফির লড়াইয়ে। রাত ৮টায় দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বল গড়াচ্ছে।

দুবাইয়ের এই মাঠে শেষ ১৭টি রাতের টি-টোয়েন্টিতে ১৬ ম্যাচই জিতেছে পরে ব্যাট করা দল। আর এই বিশ্বকাপে ভেন্যুটিতে হয়েছে ১২ ম্যাচ, তার মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দলই জিতেছে ১১ ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবে যে দল টস জিতবে, তারা যে ফিল্ডিং নিবে সেই ব্যাপারে কোনো সংশয় নেই।

শুধু দুবাই নয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগের ছয় আসরের ফাইনালও বলছে টস জয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হতে পারে। কারণ আগের ছয়বারের পাঁচবারই ট্রফি হাতে নিয়েছে টস জয়ী দল, সেটা আগে-পরে ব্যাট করার হিসাব ছাড়াই। মাত্র একবার টস হেরেও ট্রফি জয়ের ঘটনা ঘটেছে ২০০৯ সালে লর্ডস ফাইনালে। সেবার শ্রীলঙ্কা টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে হেরে যায় পাকিস্তানের কাছে।

২০০৭ সালে প্রথম আসরের শিরোপার লড়াইয়ে জোহানেসবার্গে ভারত টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে পাকিস্তানকে হারায়। ২০১০ সালে তৃতীয় বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড টস জিতে ফিল্ডিং নেয় এবং অস্ট্রেলিয়াকে হারায়। দুই বছর পর কলম্বোতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পায়। ২০১৪ সালেও ঢাকায় অনুষ্ঠিত ফাইনালে টস জয়ী শ্রীলঙ্কা ট্রফি জিতেছিল, তারা ভারতের বিপক্ষে নেয় ফিল্ডিং। গতবারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কলকাতায় ইংল্যান্ডকে হারায় টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে।

অবশ্য আগে-পরে ব্যাটিংয়ের হিসাব করলে এখানেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দলের জয়ের ঘটনা বেশি। ছয় ফাইনালের চার ম্যাচ জিতেছে পরে ব্যাট করা দল।

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
logo

নিউজ ভিশন বাংলাদেশের একটি পাঠক প্রিয় অনলাইন সংবাদপত্র। আমরা নিরপেক্ষ, পেশাদারিত্ব তথ্যনির্ভর, নৈতিক সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম

ঢাকা অফিস: ইকুরিয়া বাজার,হাসনাবাদ,দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ,ঢাকা-১৩১০।

চট্টগ্রাম অফিস: একে টাওয়ার,শাহ আমানত সংযোগ সেতু রোড,বাকলিয়া,চট্টগ্রাম |

সিলেট অফিস: বরকতিয়া মার্কেট,আম্বরখানা,সিলেট | রংপুর অফিস : সাকিন ভিলা, শাপলা চত্ত্বর, রংপুর |

+8801789372328, +8801829934487 newsvision71@gmail.com, https://newsvisionbd.com
Copyright@ 2021 নিউজ ভিশন |
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।