জগন্নাথপুরে ৫৬৭ জন রোগীকে বিনামুল‌্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১:২৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ৫৬৭ জন দরিদ্র পরিবারের রোগীকে বিনামুল‌্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করা হয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার জগন্নাথপুর হারুনুর রশীদ হিরন মিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ও আযান এন্ড গ্যাপ ফাউন্ডেশন (ইউকে) এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং সিলেট আধুনিক চক্ষু হাসপাতালের সার্বিক সহায়তায় স্থানীয় আবদুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূলে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান উপলক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ সিদ্দিক আহমদ। হারুনুর রশীদ হিরন মিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইকবাল হোসেন ভূইয়ার সভাপতিত্বে এবং সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শশী কান্ত গোপের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট আধুনিক চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক রমেশ চন্দ্র দাস ও আযান এন্ড গ্যাপ ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডার ফরহাদ মিয়া।

বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আফছর উদ্দিন ভূইয়া, ব্যবসায়ী সালাহ উদ্দিন ভূইয়া, উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনোয়ার আলী প্রমূখ।
এ সময় অত্র বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান, উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সহ-সভাপতি নুরুল হক, জগন্নাথপুর বাজারের সাবেক সহ-সেক্রেটারি জুনেদ আহমদ ভূইয়া, পৌর নবীন লীগের সভাপতি আশিক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক শিমুল মিয়া ভূইয়া সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এতে ৫৬৭ জন দরিদ্র পরিবারের রোগীকে চক্ষু চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূলে প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩৬ জন রোগীকে সিলেট আধুনিক চক্ষু হাসাপাতালে রেফার করা হয় এবং ৪৪২ জন রোগীকে চশমা প্রদান করা হয়েছে। দিন ব্যাপী রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন সিলেট আধুনিক চক্ষু হাসপাতালের ডাঃ আবদুর রহমান, ডাঃ তানজিম আহমদ, ডাঃ গোলাম রাব্বানী ও ডাঃ শ্রীবাস দাস। #