ঘুমধুম সীমান্তে স্থল মাইন বিস্ফোরণে নিহত রোহিঙ্গা যুবকের লাশ উদ্ধার

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

—————
শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)থেকে::

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত বাইশফাঁড়ী হতে পুলিশ অজ্ঞাতনামা এক যুবকের একটি লাশ উদ্ধার করেছে বিজিবি ।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমরবার ২৩ সেপ্টম্বার দিবাগত রাতে।
সুত্রে জানাযায়, সোমবার ২৩ সেপ্টম্বার সকাল ৮টায় ঘুমধুম জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি সীমান্তের বাইশফাঁড়ীর থোয়াংগ্যাঝিরি নামক স্থানে বিকট শব্দ শুনার সাথে সাথে ৩৪ ব্যাটেলিয়নের (বিজিবি) একটি দল ঘটনা স্থলে পৌঁছে খুজাঁখুজিঁর প্রায় আধ ঘন্টার পর একি স্থানে অংফোছার আম বাগানে লাশটির শরীর থেকে দুই পা বিচ্ছিন্ন ও চোখ উপড়ে গেছে বলে জানান।
এলাকাবসীরা জানান, বিস্ফোরণকৃত লাশটি রোহিঙ্গা। সে কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের ডি-১ ব্লকের আব্দুল মালেকে পুত্র আব্দুল মজিদ(৩২)।সে রেজিষ্ট্রাড ভূক্ত একজন রোহিঙ্গা বলে দাবী করেন।

লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনর্চাজ ইমন চৌধুরী বলেন, সকাল ৮টার দিকে একটি বিস্ফোরনের শব্দ শুনাতে ৩৪ ব্যাটেলিয়নের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে এক নিহত যুবকের লাশ উদ্ধার করে। পরে সনাক্ত করে জানাযায় কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং এর ডি-১ ব্লকের আব্দুল মালেকের পুত্র আব্দুল মজিদ (৩২)।
ওই যুবকের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

তবে সীমান্তে মিয়ানমার বাহিনীর আগে পুতে রাখা স্থল মাইন বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করছে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনর্চাজ আনোয়ার হোসেন। তিনি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত পুলিশ জানান, ঘুমধুম পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা ময়নাতদন্তের জন্য একটি পা বিচ্ছিন্ন ও চোখ উপড়ানো ক্ষতবিক্ষত অজ্ঞাতনামা লাশ মর্গে এনেছেন।