বুধবার ২৬শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আমাদের সম্পর্কে
যোগাযোগ

গৌরবদীপ্ত বিজয়ের মাস নিয়ে তরুণদের ভাবনা ও মতামত

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
প্রিন্ট
নিউজ ভিশন

বাঙালি ও বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় সোনালী একটি মাস ডিসেম্বর বা বিজয়ের মাস। রক্তনদী পেরিয়ে বাংলার দামাল ছেলেরা যে মাসে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো। বাংলার আকাশে যে মাসে উদিত হয়েছিলো বিজয়ের রক্তিম সূর্য। স্বাধীনতা লাভ করেছিল এই ভূখণ্ড। লালসবুজের পতাকা নিয়ে পথচলা শুরু হয়েছিলো স্বাধীন এই বাংলাদেশের। এই সূর্য এখনো আলোড়িত করছে বাংলার প্রতিটি নাগরিক ও জনপদকে। তাই এই গৌরবদীপ্ত বিজয়ের মাস নিয়ে তরুণদের ভাবনা ও সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেছেন_ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ

গৌরবগাঁথা ১৬ ই ডিসেম্বর
হাসান মাহমুদ শুভ
শিক্ষার্থী, এমবিবিএস (২য় বর্ষ)
ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, গাজীপুর।

শুরু হয়েছে বাঙালির জাতীয় জীবনের স্বপ্ন পূরণের ও সবচেয়ে গৌরবের মাস ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবগাঁথা চূড়ান্ত বিজয় আসে এ মাসের ১৬ ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে। অর্জিত হয় বিশ্বের বুকে সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত এক নতুন পতাকা। যা হাজার বাঙালির জীবনদানের রক্তের পরোক্ষ এক স্মৃতি বহন করে। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও বাস্তব সত্য যে, আমরা রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই পতাকার যথাযথ সম্মান দিতে পারি নাই! স্বাধীনতার এতো বছরে এসেও আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তি মিলেনি। ফলে আমাদের এদেশ ও দেশের মানুষ এখনো অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে অনেকটা নিচে অবস্থান করছে। আর দেশের অভ্যন্তরীন দলাদলি, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নানান পাশবিকতার কারণে আমরা প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছি। বাঙালি জাতির কর্ণধার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা আঃ হামিদ খান ভাসানী ও বাঙালির স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিনিধিত্ব তরুনদের করতে হবে। তাই এই গৌরবের মাসে একটাই প্রত্যাশা প্রতিটা শ্রেণী-পেশার মানুষ সৃষ্টিগত স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকুক। বেচে থাকুক বাঙালির স্বাধীনতা ও পূরণ হোক বিজয়ের মূল লক্ষ্য।

স্বাধীনতার লাল সূর্য অর্জনের মাস
রমজান আলী প্রামাণিক
শিক্ষার্থী, চৌহালী সরকারি কলেজ।

বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয়। যা এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়। স্বাধীনজাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূখণ্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা। ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এই দিনে। বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্নপূরণ হওয়ার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন হওয়ায় বেদনাবিঁধূর এক শোকগাথার মাসও এই ডিসেম্বর। এ মাসেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি পাক হানাদার বাহিনীর এদেশীয় দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। একটি জাতিকে মেধাহীন করার ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের কোনও নজির বিশ্বে নেই। বিজয়ের মাসের সাথে জড়িয়ে আছে কোটি মানুষের আবেগময় স্মৃতি। বিশেষ করে যারা বিজয় দেখেছেন, অংশ নিয়েছেন। গোটা বিজয়ের মাসই তাদের কাছে একটি পরম পাওয়া। বাঙালি জাতির বীরত্ব, সাহসিকতা এবং ত্যাগের উজ্জ্বল মহিমায় ভাস্বর এ মাসটি। এ মাসে জাতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সেই সব বীর সেনানির উদ্দেশে। যারা শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করে দিয়ে একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।
যখন বঞ্চিত-শোষিত মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বন্দুকের ক্ষমতাবলে স্তব্ধ করে দিতে ও আলোচনার টেবিলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ পরিত্যাগ করে বন্দুকের নল আর কামানের গোলা বেছে নিলো সমাধানের উপায় হিসেবে। যুদ্ধ চাপিয়ে দিলো আমাদের ওপর। ২৫ মার্চ কালরাতে নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষকে নির্বিচারে হত্যায় মেতে উঠল অস্ত্রের জোরে বলীয়ান পশ্চিম পাকিস্তানের তৎকালীন হঠকারী সামরিক জান্তা। তখন শুরু হলো মুক্তির লড়াই, মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে দীর্ঘ ৯ মাসের অসম যুদ্ধ শেষে ছিনিয়ে আনা হয় স্বাধীনতার লাল সূর্য।

বিজয়ের মাস ও আমাদের স্বাধীনতা
হুসাইন আহমদ
শিক্ষার্থী, ইসলামি আইন ও গবেষণা বিভাগ,
দারুস-সুন্নাহ মাদরাসা, টাংগাইল।

স্বাধীনতা প্রতিটি সৃষ্টির জন্মগত মৌলিক অধিকার। কিন্তু সৃষ্টিকর্তাপ্রদত্ব এ মৌলিক অধিকারে অনেক সময় হস্তক্ষেপ করে ক্ষমতায় উম্মত্ত কিছু মানুষ। আর তখনই অপরিহার্য হয়ে উঠে মুক্তি ও সংগ্রামের। জান বাজি রেখে লড়াই করে পৃথিবীতে যারা অধিকার আদায় করে নিয়েছে বাঙালি জাতি তাদের অন্যতম।স্বাধীনতার এ সংগ্রামে তখন কোনো বিভেদ ছিলো না। ছিলো না দল, মত বা ধর্মের কোনো বিভাজন। হাতে হাত ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো মুক্তির মহান লড়াইয়ে। বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের গগনবিদারী সেই ঘোষণা, ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দিবো। বাংলার মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ’। দৃঢ়প্রত্যয়ী সেই ‘ইনশাআল্লাহ’র প্রেরণাতেই হানাদার মুক্ত হয়েছে আমাদের এ জন্মভূমি। মূলত মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির জীবন সংগ্রাম ও বেঁচে থাকার একটি প্রেরণা ও চেতনার মূল উৎস।আমাদের মুক্তিযুদ্ধটা ছিলো মূলত স্বপক্ষ শক্তির লড়াই। এ দেশ ও জাতির অধিকার রক্ষার ও নিজস্ব স্বপ্ন বাস্তবায়নে এ ছিলো এক অবধারিত বাস্তবতা। অস্ত্রশস্ত্র ও কলাকৌশলে দুর্বল ও ছোট হওয়া সত্ত্বেও সময়ের প্রয়োজনে পুরো জাতি একতাবদ্ধ হয়েছিলো মুক্তির এ সংগ্রামে। ফলে বিজয় ও মুক্তির সুন্দর এক স্বপ্ন নিয়ে বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো স্বাধীনতা সংগ্রামে। হাজারও ত্যাগ ও জীবনের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। স্বাধীনতা যেমন আল্লাহপ্রদত্ত সব সৃষ্টির মৌলিক অধিকার, তেমনি তা অর্জনও হয়েছে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায়। আর ইতিহাসের এ স্মরণীয় সময়টি ছিল এই বিজয়ের মাস তথা ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১।
অতএব, শিক্ষিত অশিক্ষিত, কৃষক শ্রমিক চাকুরে, বণিক, আলেমসমাজসহ সবার দায়িত্ব হলো কষ্টে পাওয়া এই বিজয়কে রক্ষা করা। মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন তথা সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাটাই এখন মূখ্য বিষয়। হ্যা, বিজয়ের আনন্দে হারিয়ে যাওয়ার চেয়ে বিজয়মাল্য বয়ে বেড়ানো অনেক কঠিন। তাই প্রয়োজন আত্মার বলীষ্ঠতা। তা অর্জিত হোক গৌরবময় বিজয়ের মাসেই।

বিজয়ের মাস ও তার ইতিকথা
আসিকুর রহমান কাউছার
শিক্ষার্থী, সৃষ্টি একাডেমিক, টাংগাইল।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। বাঙ্গালির জাতীয় জীবনে মহিমান্বিত এক অহংকার, গৌরবোজ্জ্বল মাস। বিজয়ের এই মাস বাংলার মানুষের এক অম্লান প্রতীক, দেশপ্রেমের জীবন্ত স্মারক। বাঙ্গালির হাজার বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের সূর্য ডুবে মুক্তি ও স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয় এই ডিসেম্বরেই। সেই মধ্যযুগ থেকে শুরু করে কয়েক হাজার বছর তুর্কি, মোগল, আফগানরা শাসন করে। লোভী ইংরেজরা প্রায় দু’শত বছর শোষণ করে। এরপর তারা চলে গেলেও এ বাংলাকে তারা পশ্চিম পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়ে যায়। আমরা পূর্বপাকিস্থান নাম ধারণ করি। শুরু হয় শোষণের আরেক বর্বরতম অধ্যায়। শুরুটা হয় মাতৃভাষার উপর আঘাত হানার মধ্য দিয়ে। লক্ষ কোটি মায়ের মুখের ভাষাকে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে বাঙ্গালিরা তা মেনে নেওয়ার পাত্র নয়। তারা রুখে দাঁড়িয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে, তাজা রক্ত দিয়ে। মুলত এই ভাষা আন্দোলনটাই স্বাধীনতার প্রেরণা জোগায়। এই প্রেরণাকে কাজে লাগিয়েই বাঙ্গালি স্বাধীনতার পূর্বমূহুর্ত পর্যন্ত অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে, জাতীয়তাবাদীর উন্মেষ ঘটিয়েছে।
এরপর ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণ স্বাধীনতাকামী জনতাকে জানিয়ে দেয় “বীর বাঙ্গালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর”। ২৫ শে মার্চ মাঝরাতে ঘুমন্ত বাঙ্গালির উপর আকস্মিকভাবে আক্রমণ করে কালোরাতের রচনা করে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের পর ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এ দেশকে। যুদ্ধ শুরু হয় পুরো দমে। মুক্তিবাহিনীর প্রচন্ড আক্রমণের মুখে পাকবাহিনী হতাশ হয়ে ধীরে ধীরে গ্রামাঞ্চল ছেড়ে পালাতে থাকে। এভাবে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর পাকবাহিনী পরাজয় মেনে নেয়। ১৬ ই ডিসেম্বর বিকেল ৫ টা ১মিনিটে জেনারেল নিয়াজী তার সামরিক ব্যাজগুলো খুলে আত্মসমর্পণ দলিলে সাক্ষর করে।
অতঃপর ত্রিশ লাখ মানুষের জীবনদান ও আড়াই লক্ষ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে এ বাংলা। আমরা বাঙালিরা তাদের আত্মত্যাগকে এই ডিসেম্বর মাসে স্মরণ করি, ভাবগম্ভীর্যের সাথে পালন করি, শহিদদের জন্য দোয়া করি। এ মহান বিজয়ের মাস অন্যায় অত্যাচার ও শোষণের বিজয়ের প্রতীক।

স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ কি আজো পেয়েছি!
হযরত আলী।
শিক্ষার্থী, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিহাস সাক্ষী! যখনই জুলুম নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেছে, মাজলুমদের মুক্তির আকাঙ্খাও তখন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। একাত্তরের এ মহান সংগ্রাম ছিলো জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুমানের লড়াই। জুলুমি শক্তির মুকাবেলায় ৭১এ ঘুরে দাঁড়িয়েছিলো দৃঢ়ভাবে। ২৫ শে মার্চ ভয়াবহ কালো রাত দিয়ে শুরু হয়েছিল। এরপর প্রায় দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১এর ১৬ই ডিসেম্বর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা।এর ফলেই আমাদের ভৌগোলিক মুক্তি অর্জিত হয়েছে। বাঙালির সেই গৌরবের সাক্ষী পুরো বিশ্ব। আজ ২০২১ এর ডিসেম্বর মাস চলছে। দেখতে দেখতে ৫০টি বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে আমরা স্বাধীন হয়েছি। প্রশ্ন করার সময় হয়েছে আমরা কি স্বাধীনতার পরিপূর্ণ স্বাদ পেয়েছি । আজো ফুটপাতে শিশু, অনাহারে মানুষ মারা যায়। আপনার পকেটে টাকা আর প্লেটে খাবার না থাকলে সে স্বাধীনতার মূল্য নেই। আর নৈতিকতার চরম অবক্ষয় ও চারিত্রিক অধঃপতনের কারণে আমরা যেন সেই আগের অবস্থানেই ফিরে গিয়েছি।

তাই স্বাধীনতার এই সুবর্ণজয়ন্তীতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, খাবারের নিশ্চয়তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, বাসস্থানের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনে দৃঢ় পদক্ষেপ জরুরি। অভুক্ত কোন মানব যেন না থাকে এই সোনার বাংলাদেশে। তবেই এই গৌরব আরো সমুজ্জল হবে। আরো বেশি আলোড়িত করবে বাংলার জনপদকে।

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
logo

নিউজ ভিশন বাংলাদেশের একটি পাঠক প্রিয় অনলাইন সংবাদপত্র। আমরা নিরপেক্ষ, পেশাদারিত্ব তথ্যনির্ভর, নৈতিক সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম

ঢাকা অফিস: ইকুরিয়া বাজার,হাসনাবাদ,দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ,ঢাকা-১৩১০।

চট্টগ্রাম অফিস: একে টাওয়ার,শাহ আমানত সংযোগ সেতু রোড,বাকলিয়া,চট্টগ্রাম |

সিলেট অফিস: বরকতিয়া মার্কেট,আম্বরখানা,সিলেট | রংপুর অফিস : সাকিন ভিলা, শাপলা চত্ত্বর, রংপুর |

+8801789372328, +8801829934487 newsvision71@gmail.com, https://newsvisionbd.com
Copyright@ 2021 নিউজ ভিশন |
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।