ঢাকা২০শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের বহিঃবিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ, রোগীদের দুর্ভোগ

প্রতিবেদক
নিউজ ভিশন

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১ ৭:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আব্দুল মুনতাকিন জুয়েল গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের বহিঃবিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ, রোগীদের দুর্ভোগগাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে স্কুল ছাত্রের মৃত্যুর জের ধরে গত বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দু’দিন ধরে বহিঃবিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। ফলে দুর-দুরান্ত থেকে আসা দরিদ্র রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। তারা চিকিৎসা না পেয়ে অসুস্থ অবস্থায়ই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।গত মঙ্গলবার রাতে স্কুলছাত্র হাসিবুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনদের হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের মারপিটকে কেন্দ্র করে তারা হাসপাতালের বহিঃবিভাগে চিকিৎসা বন্ধ রেখেছে। গতকাল বুধবার সকাল থেকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখা হয়। আজও বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের দাবি, যতক্ষণ পর্যন্ত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁরা কর্মস্থলে ফিরবেন না। তবে জরুরী বিভাগ ও হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের চিকিৎসা চালু রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য, গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের দক্ষিণ গিদারী গ্রামের বেপারীপাড়ার বকুল মিয়ার ছেলে ও স্থানীয় আমানউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হাসিবুর রহমান মঙ্গলবার বিকালে খেলাধুলা শেষে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য ওইদিন সন্ধ্যায় জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুজন পাল প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসিবুরকে সাধারণ বেডে ভর্তি করান। এরপর হাসিবুরের অবস্থার উন্নতি না হলে রাত ৯টায় ডাক্তার হাসিবুরের শরীরে একটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার পরপরই হাসিবুরের নাক-মুখ দিয়ে ফেনা ও রক্ত বের হয়ে কিছুক্ষনের মধ্যে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মেহেদী ইকবাল বলেন, চিকিৎসক ও নার্সদের অনুরোধ করার পরও তাঁরা বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখেছেন।
গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে স্কুল ছাত্রের মৃত্যুর জের ধরে গত বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দু’দিন ধরে বহিঃবিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। ফলে দুর-দুরান্ত থেকে আসা দরিদ্র রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। তারা চিকিৎসা না পেয়ে অসুস্থ অবস্থায়ই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

গত মঙ্গলবার রাতে স্কুলছাত্র হাসিবুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনদের হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের মারপিটকে কেন্দ্র করে তারা হাসপাতালের বহিঃবিভাগে চিকিৎসা বন্ধ রেখেছে। গতকাল বুধবার সকাল থেকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখা হয়। আজও বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের দাবি, যতক্ষণ পর্যন্ত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁরা কর্মস্থলে ফিরবেন না। তবে জরুরী বিভাগ ও হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের চিকিৎসা চালু রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের দক্ষিণ গিদারী গ্রামের বেপারীপাড়ার বকুল মিয়ার ছেলে ও স্থানীয় আমানউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হাসিবুর রহমান মঙ্গলবার বিকালে খেলাধুলা শেষে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য ওইদিন সন্ধ্যায় জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুজন পাল প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসিবুরকে সাধারণ বেডে ভর্তি করান। এরপর হাসিবুরের অবস্থার উন্নতি না হলে রাত ৯টায় ডাক্তার হাসিবুরের শরীরে একটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার পরপরই হাসিবুরের নাক-মুখ দিয়ে ফেনা ও রক্ত বের হয়ে কিছুক্ষনের মধ্যে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মেহেদী ইকবাল বলেন, চিকিৎসক ও নার্সদের অনুরোধ করার পরও তাঁরা বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখেছেন

সম্পর্কিত পোস্ট