কলেজ ক্যাম্পাসে ধুমপান নিষেধ করায় সাদিকের সহযোগির নেতৃত্বে দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে মারপিট

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১:১০ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২০

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

কলেজ ক্যাম্পাসে ধুমপান করতে নিষেধ করাই দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেতা সাদিকের সহযোগিদের বিরুদ্ধে। শনিবার বেলা ১২টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, শহরের রাজারবাগান এলাকার আফ্রিদি ইসলাম আশা ও মুনজিতপুর এলাকার আল আমিন।
আহত আশার খালাতো ভাই আহসান শরীফ সোহান বলেন, ছাত্রলীগ কর্মী আশা ও তার সহপাঠী ফাহিম কলেজ ক্যাম্পাসে বসেছিলো। এসময় তাদের কিছুটা দুরে বসে ধুমপান করছিলো সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ শাখার বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা। আশা তাদের কলেজ ক্যাম্পাসে ধুমপান করতে নিষেধ করলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর বেলা ১২টার দিকে সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বহিস্কৃত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিকের সহযোগী আবুল কালামের নেতৃত্বে জনি, মুনজিতপুরের মীর আব্দুল্লাহ, রোকনুজ্জামান আকাশ, ফাহাদ আনান, নাহিদ হাসান সানি, কাজী আকরাম ওহি, ফয়সাল আহমেদ আলভি, তন্ময় কবির, আনিছুর রহমান, মুনসহ ১০/১৫ বহিরাগতদের নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে উইকেট ও লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। তাদের অতর্কিত হামলায় আশা ও আল আমিন গুরুতর আহত হয়। তবে আশার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। খুলনা আড়াই বেডে ভর্তি করা হয়েছে। নাক থেকে রক্ত ধরা বন্ধ হচ্ছে না। এঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগির পরিবার।
তিনি আরও বলেন, আশা আমার খালাতো ভাই। ওদের বাড়ি খুলনা হলেও বাবার মৃত্যুর কারণে লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। পরে আমাদের সহযোগিতায় লেখা পড়ে করে।
এ বিষয়ে আবুল কালামের সাথে যোাযোগ করা হলে সে বলে এ ঘটনা শুনে আমি ক্যাম্পাসে যেয়ে আশাকে হাসপাতালের উদ্যেশে গাড়িতে তুলে দেই। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
কলেজের অধ্যক্ষ আবজাল হোসেন বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না, আমি রোভার স্কাউট এর মিটিং এ ছিলাম।