কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির ভার্চুয়াল সভা

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১:২৫ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৩, ২০২০

ফের শুরু হচ্ছে জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া 

স্টাফ রিপোর্টার,কক্সবাজার :

রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আসার পর কক্সবাজারে জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া স্থগিত করার প্রায় তিন বছর পর ফের চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

রোববার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় [ভার্চুয়াল] এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ।

 

উল্লেখ‌্য, ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্টে মিয়ানামারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংহিসতা ও সামরিক বাহিনীর নির্যাতনের মুখে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় প্রায় ৮ লাখ শরণার্থী আশ্রয় নেয় । এরপুর্বে একই এলাকায় বিভিন্ন সময় আশ্রয় নিয়েছিল প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী।

উখিয়া টেকনাফের শরণার্থী ক‌্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গারা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে জন্ম সনদ সংগ্রহ করার বহু ঘটনা ধরা পড়ায় ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া বন্ধ করে দেন ।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গনমাধ‌্যমকে বলেন, বন্ধ থাকা জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করে সীমিত আকারে চালু করা হয়েছে। জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান চালু করার ব্যাপারে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

“কোনো ব্যক্তি জন্ম নিবন্ধন পেতে আগ্রহ প্রকাশ করলে তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর আবেদন করতে হবে। জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত উপজেলা টাস্কফোর্স তা যাচাই-বাছাই করে সত্যতা পেলে সংশ্লিষ্ট পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ নিবন্ধন করবে।”

এতে রোহিঙ্গা বা অন্য কোনো জনগোষ্ঠী যাতে অনৈতিকতার আশ্রয় নিয়ে নিবন্ধন করতে না পারে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

“পাসপোর্ট অধিদপ্তরকেও যাচাই-বাছাই করে প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়া ও টেকনাফসহ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ আর পৌরসভার সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে অনলাইনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।”

এর মধ্য দিয়ে কক্সবাজার জেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের জন্ম নিবন্ধন সনদের জটিলতা কেটে গেছে বলে মন্তব্য করেন কামাল হোসেন।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা কমিটির এই ভার্চুয়াল সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্যগণসহ জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ওরাজনীতিবিদরা অংশগ্রহণ করেন।