একটি সফল প্রেমের গল্পঃ

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯

আমির ফয়সাল,নোবিপ্রবি :

বাঙালি যুবক সাকিব বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের তার স্পিনে ঘোল পানি খাইয়ে কিনা শেষ পর্যন্ত আমেরিকা প্রবাসী শিশির নামক এক বাঙ্গালি তরুনীর মায়াবী স্পিনে ঘায়েল হয়ে নিজের ব্যাচেলর নামক উইকেট টি হারালেন? সাকিব বোল্ড বাই শিশির।

তাদের পরিচয় পর্ব যেন রুপকথার গল্পকেও হার মানায়।
শিশির বলতেই পারেন যে,” ধন্যবাদ জুকারবার্গ,ধন্যবাদ।তোমার ক্যালমাতেই আমি পাইলাম,আমি তাকে পাইলাম “। তা শিশির-সাকিব কে নিয়ে লিখতে গিয়ে হঠাত জুকারবার্গকে নিয়ে টানাটানি কেন? কারন আছে বৈকি। জুকারবার্গের এই ফেসবুক কেরামতির জন্য ই যে আজ দুজনে চার হাত যুগলবন্দি করে এক সাথে গেয়ে উঠতে পারেন ” মোরা আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম “। এই ফেসবুক না থাকলে যে আজ শিশির-সাকিবের পরিচয় ই হতোনা !বিয়েতো বহু দূর !
সাকিব থাকেন বাংলাদেশে, শিশির সাত সমুদ্র তের নদীর ওপারে মার্কিন মুলুকে।কিন্তু ফেসবুক থাকতে এই যুগে প্রেম আটকে থাকবে এ কেমন কথা? সাকিব তাই শিশির আইডি কে ফেক মনে করেও ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান।শিশিরের চক্ষু চড়কগাছ ! কোটি কোটি নারীর স্বপ্নের পুরুষ কিনা বেঁছে বেঁছে তাকেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে? এ বাপু, নিশ্চয়েই ফেক আইডি।খেলোয়াড়দের নামে কত ফেক আইডি আছে ! তবুও কি ভেবে রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট হয়।এরপর বাকীটা তো রুপকথার গল্প ই ! অন্য মেয়েদের হৃদয় ফালা ফালা হয়ে স্বপ্ন পোড়ার গল্প ও কি নয়?
সম্পর্কটা শুধু আর ফেসবুকে আপলোড করা ছবি-স্ট্যাটাসে লাইক দেয়ার ভিতরেই থাকেনি, তত দিনে বাঙ্গালি জোয়ান সাকিব মনের ওয়ালেও যে লাইক দিয়ে ফেলেছেন আমেরিকা প্রবাসী বাঙ্গালি কন্যা।মাঠের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ন্যায় প্রেমের ক্রিজেও টগবগিয়ে ছুটল সাকিব-শিশিরের প্রেমের ঘোড়া।স্কাইপ আর ফোনে কথা বলেই কি আর মন জুড়ায়? দুজন কে দুজন কে কাছে পেতে চায়।
কাউন্টি খেলতে সাকিব তাই যখন ইংল্যান্ডে, মার্কিন মুল্লুক থেকে সাকিবের টানে ইংল্যান্ডে ছুটে এলেন বঙ্গ ললনা শিশির।দুজনের দেখা হলো, চোখে চোখে কথা হল, এক সাথে ঘর বাঁধার স্বপ্নের বীজ ও বোনা হল।
সম্পর্কটা রাখঢাক গুড়গুড় করতে করতে ২০১২ বিপিএল চলাকালীন সময়েই একেবারে প্রকাশ্যে এল।না কোন পাপারাজ্জির কবলে পড়ে দুজনের সম্পর্কটা ফাঁস হয়নি বরং সাকিবেই জানিয়ে দিলেন ১২-১২-১২ তে শিশিরে সিক্ত হচ্ছেন তিনি।
একটি সফল প্রেমের গল্প লেখা হলো, মেয়েদের গ্যালন গ্যালন চোখের পানি পড়ল, সেই পানিতে মেকাপ নষ্ট হলো।বিবাহের পূর্বে যারা সাকিবকে ” ভাইয়া ” ডাকতে অনীহা প্রকাশ করত, বিয়ের পর তারা আবার ও ” ভাইয়া ” ডাকে ফিরে গেলেন!