“আল বিদা” স্টাটাস দিয়ে ঢাবি শিক্ষার্থী ইমাম হোসাইনের আত্মহত্যা

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ৮:১৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২০

ঢাবি প্রতিনিধি :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট(আই.ই.আর)’র ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ইমাম হোসেন আজ সকালে আত্মহত্যা করেছে।
তিনি কবি জসীমউদদীন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলো।

ইমাম হোসাইনের বাড়ি বরিশাল জেলার উজিরপুর থানায়।

তিনি আত্মহত্যা করার আগের দিন তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক একাউন্টে ‘আল বিদা’ একটি সংক্ষেপে পোস্ট করেন। এই ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তার আত্মহত্যার বিষয়ে পরবর্তীতে আচঁ করতে পারলেও কোন শুভাকাঙ্ক্ষী, বন্ধু-বান্ধব তা প্রাথমিকভাবে বুঝতে পারে নি।

তার একাধিক কাছের বন্ধুর কাছ থেকে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডিপ্রেশনে ছিলেন। কি কারণে ডিপ্রেশনে ছিলেন জানতে চাইলে তারা জানান,প্রেম ঘটিত সমস্যার কারণে সে আত্মহত্যা করেছে। মেয়ের বাবা তাকে একটু কটুকথা বলেছিলো পাশাপাশি ঐ মেয়েও আগের মতো তার সাথে সম্পর্ক রাখতো না । এই কারণে তার মাঝে ডিপ্রেশন চলে আসে।প্রতিদিন তার কাছে কিছু স্থানীয় শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়তে আসতো। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ঐ শিক্ষার্থীরা সকাল আট টার সময়ে আসলে ইমাম হোসাইন জানায়, তোমাদের তো অনেক দিন ধরে কোন ছুটি দিচ্ছি না। একটু রেস্ট নেওয়া দরকার। তোমরা আগামী দুই দিন প্রাইভেট’এ আসিও না।একথা বলার পর তারা চলে যায় এবং সে বাসার সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট’র পরিচালক অধ্যাপক ড.আব্দুল মালেক জানান, আমি ঘটনার বিষয় একজনের কাছ থেকে শুনেছি। তবে কোন আত্মীয়, শুভাকাঙ্ক্ষী আমাকে ঘটনার ব্যাপারে কোন তথ্য দেয়নি। তাই আমি ঘটনা সম্পর্কে স্পষ্ট কোন তথ্য জানি না। আমি সর্বোচ্চ খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

কবি জসিম উদ্দীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুর রশিদ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। সে তার গ্রামের বাড়িতে আত্মহত্যা করেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। আমরা রিলায়েবল সোর্স থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা এই বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়াতে আছি। সত্যি যদি এটি হয়ে থাকে তাহলে একটি মর্মান্তিক এবং সাংঘাতিক বেদনাদায়ক। আমাদের মেধাবী ছাত্রদের এখন বেঁচে থাকার সময়। এটি সত্যিই অনেক দুঃখজনক।