আনন্দ মিয়ার কবিতা –তুমি শুনছো তো?”

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ২:২৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২০

————–
শত যুগের শত কথা শেষে
অন্তিম বিশ্বাসের হলো যখন বিনিময়,
ঠিক তখনি শুরু হয়েছিল তোমার আমার প্রণয়।

কতো কথা কতো রসনা কতো তৃষ্ণাতে ভরপুর ছিল মোদের প্রণয়লীলার কাহিনী,
কিন্তু কোন একদিন ছোট্ট একটি অবিশ্বাসে হারিয়ে যাবে সবকিছু তা কখনো ভাবিনি!

কী ছিলনা আমাদের?
সবই তো ছিল বড়ই সাধের!

এক মুহূর্ত কথা না বলে যে মেয়েটি থাকতেই পারেনি,
আজ সে মাসের পর মাস থাকে
হয়ে উদাসিনী।

মনে হয় সে ভুলে গেছে সবকিছু বিস্মৃতি রে করে জয়,
শুধু আমারই ভুলা হয়নি
তাই তারই ভাবনায় বিষণ্ণ মনে লক্ষ কোটি মুহূর্ত রে করে চলেছি ক্ষয়!

ভাবছি- আঁকছি-কাঁদছি- হাসছি
আর অবশেষে চণ্ডীদাস দাস বনে যাচ্ছি,
তবুও অধরা রে আর নাহি ছুতে পাচ্ছি।

আমি বলছি কী
একবার অবিশ্বাসটাকে ছেড়ে ধরোনা পুরানা সেই বিশ্বাসের খুঁটি,
দেখবে তখন আসলেই ছিলনা আমার মন থেকে করা ইচ্ছাকৃত কোন ত্রুটি!

শুধু হয়েছিল সামান্য একটু ভুল বুঝাবুঝি
আর তাতেই হয়েছিল এমন ভরাডুবি।

কিন্তু তুমি ধরবে তো?
আমায় আবার আগের মতো সুন্দর করে সাজাবে তো?
আমার না এ জীবন একটুও ভালো লাগেনা।
মিছেমিছি ভালো লাগার অভিনয় করি
কিন্তু বিশ্বাস করো আমি সুখ পাইনা।

তাই তোমায় ভুলতেও পারিনা।

যদি নতুন করে কোন সুখ পাইতাম
তাহলে হয়তো তোমায় ভুলতে পারতাম।
কিন্তু সুখ তো আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কারো মাঝে কখনো খুঁজিনি!
কারণ তোমারই মাঝে নিজেকে রেখে অন্যকূলে সুখ খোঁজা যে বড় বোকামি।
———-
©মোহাম্মদ আনন্দ মিয়া
ইতিহাস বিভাগ, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।