অবশেষে ভোলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দুইশতের ঘর ছাড়িয়ে;নতুন আক্রান্ত ২০ জন।

নিউজ নিউজ

এডিটর

প্রকাশিত: ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০

মো. সাইফুল ইসলাম,ভোলা প্রতিনিধি::

Advertisement

ভোলায় নতুন করে চার নারীসহ আরও ২০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। নতুন আক্রান্ত ২০ জনই ভোলা সদর উপজেলার বাসিন্দা।বৃহস্পতিবার (২৫শে জুন) সকালে সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে ভোলায় মোট আক্রান্তে সংখ্যা দাঁড়ালো ২০৯ জনে।

এদের মধ্যে জেলা জজ ও তার স্ত্রী, চরফ্যাশন ও দৌলতখান উপজেলা পরিষদের দুই চেয়ারম্যান, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ৮ জন চিকিৎসক, ১৮ স্বাস্থ্যকর্মী, কর্মকর্তাসহ পুলিশের ৯ সদস্য, ৮ জন কোস্টগার্ড সদস্য, ব্যাংক কর্মকর্তা ১০ জন ও ১২ জন শিক্ষক রয়েছেন। এছাড়া চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাচন কর্যালয়ের ১ জন, সিভিল সার্জন কর্যালয়ে ২ জন ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ১ জন রয়েছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, ভোলায় করোনা আক্রান্ত ২০৯ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬২ জন। এরমধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত ১০৩ জনের মধ্যে সুস্থ ৩১ জন, দৌলতখানে আক্রান্ত ১৮ জনের মধ্যে সুস্থ ২ জন, বোরহানউদ্দিনে আক্রান্ত ২৪ জনের মধ্যে সুস্থ ৪ জন, লালমোহনে আক্রান্ত ২০ জনের মধ্যে সুস্থ ৪ জন, চরফ্যাশনে আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সুস্থ ১১, মনপুরা উপজেলায় আক্রান্ত ৯ জনের মধ্যে সুস্থ ৭ এবং তজুমদ্দিন উপজেলায় আক্রান্ত ৯ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জন ভোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে আছে। বাকিরা নিজ নিজ উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে হোম আইসোলেশনে আছেন। এছাড়া, করোনা আক্রান্ত হয়ে লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র আরো জানায়, এ পর্যন্ত ভোলা থেকে ৩ হাজার ৩৪৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা ও বরিশাল ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। নমুনার রিপোর্ট এসেছে ২ হাজার ৬৫২ জনের। এর মধ্যে ২ হাজার ৪৪৩ জনের নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও ২০৯ জনের পজিটিভ আসে।

এদিকে ভোলায় নমুনা সংগ্রহ বুথে প্রয়োজনীয় উপকরন,সরঞ্জাম আর যান্ত্রিক ত্রুটি থাকার কারনে গত দুই দিন যাবত নমুনা সংগ্রহ বন্ধ ছিল।

তবে ভোলায় পিসিআর ল্যাব স্থাপনের কাজ শেষ হলেও কীটের অভাবর এখনো কাজ শুরু করা হয়নি।যদি ল্যাব চালু করা হয় তবে নমুনা পরীক্ষার জন্য ভোগান্তি পোহাতে হবেনা ভোলাবাসীর।আর দ্রুত তথ্য প্রদানে সক্ষম হলে ভাইরাস আক্রান্তের হাত থেকে হয়ত সচেতন হতে পারবে।